Friday, May 26, 2017

রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর ১৪০০ বছর আগে বলে যাওয়া কিছু হাদিস।

আজ সেই গুলো কর্মের মাধ্য দিয়ে মিলে যাচ্ছে।এগুলো করি ঠিকই তবে শুধু নিয়ত করি না।যেমন!!!!!
★নবী বলেছিলেন সকল ভালো কাজে ডান হাত ব্যবহার করো।আপনি খেয়াল করবেন ভালো কাজে ডান হাত খুব সুন্দর ভাবে চলে আসে।কিন্তু একই কাজে বাম হাত আনলে হাতে কেমন সমস্যা লাগে।মনে হয় রগে টান মারে।যেমন ভাত খেতে গিয়ে খেয়াল করবেন এটা।আর খারাপ কাজে বাম হাত।আপনি ওয়াস রুমে গিয়ে টিস্যু,পানি ব্যবহার করতে গিয়ে খেয়াল করবেন ডান হাতে সুন্দর করে কাজটি করতে পারছেন না হাতটা কেমন যেন বইটা আসে বাট বাম হাতে অনায়াসে করে ফেলতে পারছেন।
★ নবী বলেছেন খাবার সময় আগে পানি পান করো তারপর খাও।আপনি খেয়াল করবেন যদি একটু পানি খেয়ে খাবার খান তাহলে অনায়াসে খাবার গলা দিয়ে চলে যাচ্ছে। আর যদি পান না করেন তবে এক কি দুইটি লোকমা খাওয়ার পরই কেমন যেন খাবার গলায় বুকে ঠেকে যাচ্ছে ঠেকুর আসছে।আর পানি পান করলে সেটা হচ্ছে না।তাই খাবারের আগে মাঝে মাঝে পানি পান করা সুন্নত।আর এতেই ভালো মানুষের জন্য।
★ নবী বলেছিলেন খাবারের শেষে পানি পান না করা শেফা।কারন খাবারের শেষে এক ধরনের লালা মুখে আসে সেটা মানুষের খাবার হজম করতে সহায়তা করে। এখন আপনি যদি খাবার শেষ কর পানি গ্রহন করেন তাহলে পানিটার সাথে ঐ লালাও চলে যাচ্ছে আর সেই সাথে আপনার খাবার হজমও হচ্ছে না তারপর গিয়ে পেটে অসুখ হচ্ছে।তাই খাবারের দুই লোকমা বাকি থাকতে পানি খান আবার  প্রয়োজনে পাঁচ/দশ মিনিট পরে পানি খান করুন।
★নবী বলেছিলেন খাওয়ার সময় দস্তর খানা ব্যবহার করতে।আপনি দেখবেন দস্তর খানা ব্যবহাত করলে খাবার পড়ে গেলে উঠিয়ে খেতে সুবিধা হয়।তরকারীর বা ডাল বা ভাত কোন ঝোল পড়লে সেটাও উঠাতে সুবিধা হয় এতে আপনার বিছানা বা সমতল জায়গাটা নষ্ট হচ্ছে না।আবার পানি পড়লেও তেমন সমস্যা হয় না।তাই খাওয়ার সময় অবশ্যই দস্তরখান বিছিয়ে খানা খান।
★নবী বলেছিলেন পানি পান তিন নিশ্বাসে করতে।আপনি যদি এক নিশ্বাস এ খান তাহলে হয়রান হয়ে যান আমি যতোটা জানি। আর তিন নিশ্বাস এ খেলে পানিও তৃপ্তি সাথে পান করতে পারেন।
★ নবী বলেছিলেন উপড়ে উঠতে ডান পা আর নামতে বাম পা দিতে।আপনি খেয়াল করবেন যখন কোন গাড়িতে ওঠেন তখন বাম পা দিলে আপনি অনেক সময় পড়ে যেতে পারেন।বা পাটা মচকে যেতে চায় বা রগে টান পড়ে।তাই উঠতে গেলে ডান পা ব্যবহার করা।আর আপনি যখন নামবেন তখন যদি ডান পা দেন বিশেষ করে বাস থেকে নামতে তাহলে আপনি ৯৫% পড়ে যেতে পারেন।পায়ের রগে প্রচুর টান পড়ে তাই নামতে গেলে বাম পা ব্যবহার করুন।যে কোম জায়গায় নামতে।
★নবী বলেছিলেন কাপড় পরিধান কালে আগে ডান হাত বা ডান পা ব্যবহার করতে।আর খোলার ক্ষেএে বাম হাত বা বাম পা।আপনি কাপড় পড়ার ক্ষেএে আগে ডান হাত ঢুকিয়ে পরে বাম হাত দিলে দেকবেন সুন্দর করে ব্যালেন্স করে ঢুকাতে পারছেন অতি সহজে কিন্তু বাম হাত বা পা আগে দিলে সুন্দর করে ঢুকেও না আবার ব্যালেন্স ও ঠিক রাখা যায় না।হাতটা ঢুকতে সমস্যা করে শরীরে ব্যথা পায় আর পায়ের ক্ষেএে পরে যেতে পারেন। তাই জামা ছেলোয়ার,জুতা এসব পড়তে অবশ্যই খুলতে বাম হাত / পা আর পড়তে ডান হাত/ ডান পা।
★ নবী বলেছিলেন ওয়াস রুমে দোয়া পড়ে ঢুকতে মাতায় কাপর দিয়ে চুল বেধে ঢুকতে।আপনি এস না করলে আপনাকে অবশ্যই খারাপ জীন বা শয়তানে ধরবে কারন এটাই তাদের থাকার স্তান।
★নবী বলেছিলেন বাহিরে বের হলে পর্দার সহিত বের হওয়ার জন্য।আপনি খেয়াল করবেন আপনি উগ্র পন্থি হয়ে বের হলে কিছু বাজে ছেলে লোভাতুর দৃষ্টিতে আপনার দিকে তাকিয়ে থাকবে।আপনার যদি বিন্দু মাএ লাজ লজ্জা বা বিবেক থাকে তাহলে ঐসব চাহনী আপনার চোখে খারাপ লাগবে।আপনি যদি কালো বোরকা পড়ে খাছ পর্দার সহিত বের হন আপনার দিকে তাকালে তার চোখ জ্বলবে।আপনার দিকে ভ্রুক্ষেপও করবে না।
★ নামাজ হচ্ছে সবচেয়ে বড় এবাদত।এক গবেষনায় দেখা গিয়েছে একজন মানুষ নামাজ ঠিক করে পড়লে তার আর শারিরীক ব্যয়ামের ঝামেলা পোহাতে হয় না।আমরা যে রুকু করি সেজদা দেই এটাই হলো আসল ব্যয়াম।এতে শরীরের প্রতিটি অঙ্গ নাড়া চাড়া করে আর কোন ভাবেই এতেটা নাড়া চাড়া করে না।এতে শরীরের প্রতিটি হাড়ের সঠিক ব্যবহার হয়।রুকু সেজদার মাধ্যমে।যাদের কোমরে বা হাটুতে সমস্যা আছে তারা বসে নামাজ পড়বেন না বেশি পরিমানে রুকু সেজদা করবেন।দাড়িয়ে নামাজ পড়বেন।
একটা সময় ছিলো আমার মা ওয়াস রুমে গিয়ে বসতে অবদি পারতো না ঠিক করে।নামাজ পড়তো চেয়ারে বসে।তাকে আমি এই বুদ্ধি দেই এখন আলহামদুলিল্লাহ অনেক কমে গেছে ব্যথা।
কারোর কোমড়ে বা হাঁটুতে ব্যথা হলে বেশি পরিমানে রুকু সেজদা করবেন এতে আলহামদুলিল্লাহ আল্লাহ্‌ তায়ালাই শেফা দান করবেন ইনশাআল্লাহ।আর যদি না করেন তবে দেখবেন আপনার কোমড়, হাটু আস্তে আস্তে আরো অকেজো হয়ে যাচ্ছে।
এই সব গুলো নবীর সুন্নত যেগুলো পালনের মাধ্যমে আমরা অশেষ নেকী হাসিল করতে পারি।আর আল্লাহ্‌ তায়ালা আমাদের তার ফরজ এবাদত গুলোও পালন করার তৈফিক দান করুক।
হে আল্লাহ্‌!!  আমাদের তুমি নবীরর সকল সুন্নতের ওপর আমল করার তৈফিক দান করো আমিন!!!

শেয়ার করুন

0 Comments:

একটা ভাল মন্তব্য আমাদের আরও ভাল কিছু লিখার অনুপেরনা যাগাই!