Showing posts with label প্রতিবাদী কন্ঠ. Show all posts
Showing posts with label প্রতিবাদী কন্ঠ. Show all posts

Monday, September 11, 2017

রোহিঙ্গাদের বেলায় জালিমদের ষ্টীমরোলার বরাবর চলছেই চলবে???

রোহিঙ্গাদের বেলায় জালিমদের ষ্টীমরোলার বরাবর চলছেই চলবে???

রোহিঙ্গাদের বেলায় জালিমদের ষ্টীমরোলার বরাবর চলছেই চলবে???

এ পোষ্ট পড়লে শরির হিট হবে ইনশাআল্লাহ৷
===================================
হে মুসলিম জাতি! আর কত দেখবো আমার মায়ের কান্নাজরিত চোঁখ? আর কত দেখবো আমার বোনের ধর্ষিতা ঐ মুখ?আর কত দেখবো বাবার ঝরিতে তাজা রক্ত? আর কত দেখবো আমার ছোট্ট শিশুটির কান্না?

বল বল বল বল বল !
হে মুসলিম মায়ের মুসলিম বীর সেনানীরা?
……………………………………………………………………………………
*মায়ের কান্না জরিত চোঁখকে মুচতে পারবে কি তোমার প্রতিবাদ? যে মা সন্তান হারিয়েছে,স্বামী হারিয়েছে,নিজের দেশকে হারিয়েছে?

*আমার বোন হাসচেনা কেন এ হারামির বাচ্চারা জবাব দে……
(মিয়ানমার সেনা)

মায়ের সামনে,ভাইয়ের সামনে,সন্তানের সামনে ধর্ষিতা হল মোর বোন,আর তুমি চুপ কেন বিশ্বমানবতা? বিশ্ব মুসলিম? হে তোমার কি আদরের বোন নেই? তোমার বোনকে যদি লটকিয়ে তোমার সামনেই কোন নরপশু উলঙ্গকরে গনধর্ষন করে তোমার কেমন লাগবে হে যুবক? একবার চোখবুজে কল্পনায় নিয়ে দেখ তোমার বোনের উলঙ্গ দেহের গনধর্ষনের চিত্র? কেমন লাগে এবার বল?

*বাবার রক্তমাখা শরিরটা তুমি দেখেছো? দেখোনি! যে বাবা তোমাকে কোলেপিঠে করে মানুষ করলো,চুমু খেল,আদরে আদরে তোমার অন্তরকে পুলকিত করল,সেই বাবাটাকে তোমার সামনে বেধে কেউ যদি আঘাতের পর আঘাত করতে করতে রক্তাক্ত করে তোমার সামনেই আগুনে জ্বালিয়ে ভষ্ম করে দেয় তোমার কেমন লাগতো?হে যুবক ! অন্যের কষ্ট চোখে দেখেও যদি  তোমার অন্তরে আগুন না জ্বলে,মনে রাখিও সামনে একদিন এসেযাবে,তোমার আপনজনকে তোমার সামনে এরকমভাবে ধর্ষন করে হত্যা করে আগুনে জ্বালানো হতে পারে,তখন কি পালাতে পারবে?

* যে শিশুটি মা,বাবা ছারা ঘুমাতে পারেনা,সে আজ মা বাবার কাছে থাকতে পারেনি,আজ তার সামনেই তার মা বাবা বোনকে পিটিয়ে পিটিয়ে,চাকু দিয়ে খুচিয়ে,আগুন দিয়ে গন ধর্ষনের পর পুড়িয়ে মারা হল! কোথায় তোমার বিবেক?

বিঃদ্রঃ--তোমার অন্তরে যদি আল্লাহ ও আল্লাহর রসুল (সঃ) এর মহব্বত থাকতোই,তবে এক মুমিনের কষ্টে তোমার অন্তর ভষ্ম হয়ে যেত৷আল্লাহর রসুল বলেন,এক মুসলিম আরেক মুসলিমের ভাই৷এক মুসলিম আরেক মুসলিমের অর্ধাঙ্গ৷
এবার ভাবো, কি ভাবছো? আর দেরি নয়,এবার অস্র তোল হাতে,নেমে পড় মাঠে,জালিমদের জহাব দিতেই হবে যে,এখোনো দারিয়ে কেন?

Wednesday, May 24, 2017

আলেমরা যদি মাথার পাগড়ী কোমরে বাঁধে তাহলে কিন্তু খবর আছে।

আলেমরা যদি মাথার পাগড়ী কোমরে বাঁধে তাহলে কিন্তু খবর আছে।

___কাজী ফিরোজ রশিদ___

গতকাল একাত্তর টিভিতে জোট মহাজোট রাজনীতি নিয়ে টকশোতে  কাজি ফিরোজ রশিদ বলেন, আপনারা নিজেকে কী ভাবেন?  শহীদ মিনারে দশজনে মোমবাতি জ্বালিয়ে মিডিয়াতে নিউজ করে ভাবেন দেশটা আপনাদের দখলে। টকশোতে ভাল কথা বলতে পারেন। ভাববেন না দেশের সব মানুষ আপনাদের কথাকে সমর্থন করছে। সাধারন মানুষ যে আপনাদের কথা খায় না সেটা কি বুঝেন?

এদেশে যত জঙ্গি ধরা পড়েছে তাদের কয়জন মাদরাসার ছাত্র?  মাদরাসার ছাত্ররা জঙ্গি হয় না। তাদের দিকে আপনার আঙ্গুল তুলা লাগবে না। আঙ্গুল তুলুন নিজের দিকে। আজ কাদের সন্ত্রান জঙ্গি হচ্ছে। যারা জঙ্গি ধরা পড়ছে তারা তো ইংলিশ মিডিয়াম স্কুলের আধুনিক ছেলেমেয়ে।  আপনাদের সন্তান।  "মাদ্রাসায় যাঁরা লেখাপড়া করে তাঁরা ইয়াবা খায় না।তাঁদের রক্তে ১০০% ফিওরেটির  গ্যারান্টি পাবেন।তাঁরা একটা আদর্শ নিয়ে লেখাপড়া করে। তাদের রক্ত পিওর। একটি মাদরাসার ছেলে মাদকাসক্তি তা দেখাতে পারবেন না। কিন্তু ইংলিশ মিডিয়ামের ছেলেদের রক্ত পরীক্ষা করলে পাওয়া যাবা নেশার সংমিশ্রন। মাদকের ছোবল। ধুষিত রক্ত। এইডসের থাবা। কিন্তু মাদরাসার ছেলেরা সেসব মুক্ত। তারা একটি সৎ জীবনের চর্চা করে।

মাদরাসার এই বিশাল জনশক্তিকে বাদ দিয়ে দেশের সত্যকারের উন্নায়ন সম্ভব নয়। তাদেরকে উন্নয়নে সহযোগী বানাতে হবে। যারা তাদের কল্যান চায় না। তারা এদেশের ভাল চায় না। আপনি সাংবাদিক হয়ে রাজনীতি করতে পারেন, ব্যবসা করতে পারবেন। দুনিয়াদারি করতে পারবেন আর হুজুররা কিছুই করতে পারবে না।  আর হুজুররা কিছুই করতে পারবেন না। এটা কোন নীতি? কেমন অবিচার। সমাজের রাজনৈতিক অর্থনীতি সব জায়গায় তাদের অবদান আছে ।  ইতিহাস কোঁজে দেখুন। এসব চাপাবাজি আমার সামনে চলবে না। আমি তো সব জানি। সবার অবস্থা বুঝি। আমার সামনে বাস্তবতা স্বীকির করেই কথা বলতে হবে। সব সময় চাপবাজি করে চলা যাবে না।

মাদরাসাার ছাত্ররা এদেশের নাগরিক। এদেশের ভোটার। তারা রাজনীতি করবে এদেশে আপনি বাঁধা দেবার কে? একটি ছেলে ১৮বছর হলেই ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারে।  ২৫বছর হলে সে নির্বাচনে দাড়াতে পারবে। রাজনীতি করতে পারবে এটা তাদের নাগরিক অধিকার। এনিয়ে আপনি কথা বলার কে?  আপনারা খালি চান, তারা মাথায় পাগড়ি বেধে চলুক। তারাকী কী শুধু মাথায় পাগড়ী পরবে?ওই পাগড়ী যদি মাজায় বাঁধে,তাহলে কিন্তু খবর আছে। এখন তাদের সে সময় এসেছে। তারা ঘুরে দাঁড়াতে বাধ্য হচ্ছেন।
.
আপনারা টাকা আর বিশ হাজার প্যাকেট খিচুড়ী দিয়ে মাত্র পাঁচ হাজার লোক দ্বারা শাহবাগে মেলা জমাইলেন।
কিন্তু মাওলানা আহমদ শফীকে কেউ দেয়নি।মাত্র ডাক দিয়েছেন,আর দশ লক্ষ মানুষ জমা হয়ে গেছে।দশ টাকাও খরচ করেনি।এটা হলো ঈমানী জোর। এটা তাদের শক্তি। এই শক্তিকে অস্বীকার করে এদেশে টিকে থাকা যাবে না। আপনি একটি বড় দলকে দেন না বিশ কোটি টাকা। বলুন ৫০লক্ষ লোককে ঢাকায় জমায়েত করতে। তারা পারবে না। সেটা মানুষের ভালবাসায় বঙ্গবন্ধু পেরেছিলেন। তার ডাকে রেসকোর্স ময়দানে লক্ষ লক্ষ মানুষ জড়ো হয়েছে। আর এটা পেরেছেন আল্লামা শফি সাহেব।

Monday, March 27, 2017

হাফেজ্জী হুজুরের ইজ্জত নিয়ে ছিনিমিনি খেললে এদেশের মুসলমানরা সহ্য করবে না: মাওলানা মামুনুল হক

হাফেজ্জী হুজুরের ইজ্জত নিয়ে ছিনিমিনি খেললে এদেশের মুসলমানরা সহ্য করবে না: মাওলানা মামুনুল হক

‘স্বাধীনতার মর্ম ও খেলাফতের চেতনা’ শীর্ষক আলোচনা সভায় মাওলানা মামুনুল হক

বাংলদেশ খেলাফত যুব মুজলিসের সভাপতি মাওলানা মামুনুল হক বলেছেন হাফেজ্জী হুজুরের ইজ্জত নিয়ে ছিনিমিনি খেলা হলে এদেশের কোটি কোটি তৌহিদী জনতা তা সহ্য করবেনা। তিনি বলেন, বঙ্গবন্ধুকে আওয়ামীলীগের নেতা কর্মীরা যতটা সম্মান করেন, জিয়াউর রহমাকে বি এন পির নেতা কর্মীরা যতটা শ্রদ্ধা করেন, এদেশের লক্ষ কোটি তৌহিদী জনতার অন্তরে হাফেজ্জী হুজুরের(রহ.) সম্মান এবং মর্যাদা তার চেয়ে লক্ষ-কোটি গুন বেশী।

তিনি গতকাল (২৬ মার্চ) সিলেটের হোটেল হিল টাউন কনফারেন্স হলে ‘স্বাধীনতার মর্ম ও খেলাফতের চেতনা’ শীর্ষক আলোচনা সভায় এসব কথা বলেন।

তিনি যুব মজলসের কর্মিদের লক্ষ্য করে আরো বলেন, হাফেজ্জী হুজুরের চরিত্রের উপর কালেমা লেপন করার যে অপচেষ্টা চালানো হচ্ছে তা প্রতিহত করার জন্য প্রয়োজনে টেকনাফ থেকে তেতুলিয়া পর্যন্ত বিদ্রহের আন্দোলন করতে হবে।

মাওলানা মামুনুল হক বলেন, এদেশের। ইতিহাস, ঐতিহ্য, তাওহীদ এবং একত্বাবদের ইতিহাসকে সমুন্নত রাখার জন্য প্রয়োজনে আবার নতুন মুক্তিযুদ্ধ করে সুপ্রিমকোর্ট প্রাঙ্গণ থেকে গ্রিক দেবি থেমিসের মুর্তি অপসারণ করা হবে।

***মার্চ ২৭, ২০১৭ ইনসাফ টোয়েন্টিফোর ডটকম |

Saturday, March 18, 2017

বাংলাদেশ এমন একটি দেশ যেখানে কুরবানি‌র জন্য নির্দিষ্ট জায়গা ছাড়া কুরবানি করতে নিষেধ

বাংলাদেশ এমন একটি দেশ যেখানে কুরবানি‌র জন্য নির্দিষ্ট জায়গা ছাড়া কুরবানি করতে নিষেধ

বাংলাদেশ এমন একটি দেশ যেখানে কুরবানি‌র জন্য নির্দিষ্ট জায়গা ছাড়া কুরবানি করতে নিষেধ, কিন্তু হিন্দুদের হোলি খেলা মহাসড়কে বা যেখানে খুশি সেখানেই আইন সম্মত!!!! কেনো হিন্দুরা পূজার মন্ডপ ছেড়ে মহাসড়কে মুসলমান মেয়েদের উপর হোলি নামক নোংরা‌মি নামে রং মাখামাখির উছিলায় গায়ে হাত দেয়??? রিক্সা দিয়ে যাওয়ার পথে দুইজন হিজাব পড়া মুসলিম বোনকে শত শত যুবক বিনা অনুমতিতে মুখে রং মাখে।মেয়েগুলো রং দিতে না করার পর‌ও ছেলেগুলো থামেনি।একপর্যায়ে এক ছেলে রিক্সা‌র এক মেয়ের বুকের মধ্যে হাত দেয়!!! এটি কি বাড়াবাড়ি নয়??? মুসলিম মেয়েরা কি গণিমতের মাল??? মুসলমান মেয়েদের‌কে গায়ে হাত দেওয়ার সাহস কিভাবে হয়?? তারা তাদের ধর্ম পালন করবে তো মন্দিরের তাদের মা-বোনদের সাথে করুক যা খুশি।পূজার মন্ডপ ছেড়ে মহাসড়কে কেন আসে??
৯০% মুসলমান এর দেশে যদি নির্দিষ্ট জায়গা ছাড়া গরু কুরবানি করতে নিষিদ্ধ হয়, তবে কেনো মুসলমান মেয়েদের যৌন হয়রানির শিকার হ‌ওয়ার পর হিন্দুদের হোলির জন্য কেনো নির্দিষ্ট জায়গায় আইন করা হবে না?? জাতি জানতে চায়। মুসলমান‌রা যদি কুরবানি‌র গরুর রক্ত নিয়ে কোনো হিন্দুদের সাথে এমন করতো তাহলে ঠিকই চেতনাধারীদের চেতনা আজকে দাড়িয়ে যেত!!!! সারা বাংলাদেশ বিক্ষোভে ফেটে পড়ত। তাহলে আজ কেনো মুসলমান মেয়েদের যৌন নির্যাতনের পর সবাই চুপ???
ভবিষ্যতে হিন্দুরা যেন পূজা মন্ডপ এর বাইরে রং নিয়ে নোংরা‌মি না করতে আসে, সেই আইন করার জন্য সরকার‌কে আহ্বান করছি। আমরা এই ঘটনাটি‌র বিচার চাই।এবং তা করতেই হবে।আপনি কী বলেন??? {collected}

Thursday, March 9, 2017

মূর্তি বিরোধী আন্দোলন দমাতেই হেফাজত নেতাদের নামে গ্রেপ্তারী পরওয়ানা: চরমোনাই পীর

মূর্তি বিরোধী আন্দোলন দমাতেই হেফাজত নেতাদের নামে গ্রেপ্তারী পরওয়ানা: চরমোনাই পীর

হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের ২৫ নেতার নামে গ্রেফতারী পরওয়ানা জারির তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে অবিলম্বে এই গ্রেপ্তারী পরওয়ানা প্রত্যাহারের দাবি জানিয়েছেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ-এর আমীর মুফতি সৈয়দ মুহাম্মদ রেজাউল করীম পীর সাহেব চরমোনাই।

আজ এক বিবৃতিতে পীর সাহেব চরমোনাই বলেন, ওলামায়ে কেরাম যখন ইসলামবিরোধী ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে জনগণকে সাথে নিয়ে মূর্তি বিরোধী আন্দোলন সংগ্রাম করছেন ঠিক তখই সরকার পুরোনো মামলা রাজনৈতিক স্বার্থে ব্যবহার করে দেশের শীর্ষ আলেমদেরকে হয়রানী করার ভ্রান্ত পদক্ষেপ নিয়েছে। একই সাথে ইসলামবিরোধী তাগুতি ও নাস্তিক্যবাদী শক্তিগুলো আবার নতুন করে ষড়যন্ত্র করছে। তারা ইতোমধ্যেই রাষ্ট্রধর্ম ইসলামের রিট করেছে। কিন্তু তাদের মনে রাখতে হবে তারা যতই ষড়যন্ত্র করুক না কেন তাদেরকে সহজে ছেড়ে দেয়া হবে না। নাস্তিক্যবাদী শক্তিগুলো পাঠ্য পুস্তক নিয়েও নতুনভাবে ষড়যন্ত্র করছে।

চরমোনাই পীর বলেন, সরকারকে হেফাজতে ইসলামসহ শীর্ষ আলেমদের সব রকম হয়রানীমূলক মিথ্যা মামলা প্রত্যাহার করতে হবে। তিনি বলেন, মিথ্যা মামলা ও হয়রানীর মাধ্যমে মূর্তি বিরোধী আন্দোলনসহ সরকারের অন্যায় অবিচারের বিরুদ্ধে আন্দোলন থামানো যাবে না।

Monday, March 6, 2017

হে রাম আর বামদের দালাল নাস্তিক মুর্তাদরা শোন?

হে রাম আর বামদের দালাল নাস্তিক মুর্তাদরা শোন?

বিমান বন্দরের লালন শাহ্ এর মূর্তির কথা মনে আছে?
প্রশাসনের ১৪৪ ধারা ভঙ্গ করে তৌহিদী জনতা সেটাকে ভেঙ্গেছিল ৷

৯২% মুসলমানের দেশের সর্বোচ্চ
আদালতের সামনে গ্রিক দেবী থেমিসের মূর্তিও ভেঙ্গে ফেলা হবে ইনশা আল্লাহ

Fb: Mufti Abul Khair bikrompory

Sunday, March 5, 2017

কোনো গ্রিক দেবী ন্যায়ের প্রতীক হতে পারে না। ন্যায়ের প্রতীক হচ্ছে পবিত্র আল কোরআন।

কোনো গ্রিক দেবী ন্যায়ের প্রতীক হতে পারে না। ন্যায়ের প্রতীক হচ্ছে পবিত্র আল কোরআন।

হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের মহাসচিব আল্লামা জুনায়েদ বাবুনগরী বলেছেন, সুপ্রিম কোর্টের সামনে থেকে ‘গ্রিক দেবীর মূর্তি’ না সরালে আবারও রাজধানীর মতিঝিলের শাপলা চত্বরে অবস্থান নেবে তৌহিদী জনতা। বুধবার ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগর পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ের মাঠে নবীনগর দাওয়াতুল হক পরিষদের উদ্যোগে আয়োজিত সিরাতুন্নবী (সা.) মহাসম্মেলনে বক্তব্যে এ ঘোষণা দেন বাবুনগরী। আল্লামা জুনায়েদ বলেন, আমি আশা করব, অবিলম্বে মাননীয় সরকার, ৯০ ভাগ মুসলমানের দেশে এই গ্রিক দেবীর মূর্তি সুপ্রিম কোর্টের সম্মুখ থেকে সরাবে ইনশাল্লাহ। আর যদি এই গ্রিক দেবীর মূর্তি সুপ্রিম কোর্টের সম্মুখ থেকে সরানো না হয়, ১৬ কোটি তৌহিদী জনতাকে নিয়ে আরেকবার শাপলা চত্বরের সূচনা হবে ইনশাল্লাহ। বাবুনগরী বলেন, কোনো গ্রিক দেবী ন্যায়ের প্রতীক হতে পারে না। ন্যায়ের প্রতীক হচ্ছে পবিত্র আল কোরআন। আশা করি সরকার জনগণের ভাষা বুঝতে পেরেছে।

Thursday, March 2, 2017

যারা মূর্তি রক্ষা করতে চায় তাদের হাশর মূর্তির সাথে হবে: আল্লামা ওলিপুরী

যারা মূর্তি রক্ষা করতে চায় তাদের হাশর মূর্তির সাথে হবে: আল্লামা ওলিপুরী

আল্লামা নূরুল ইসলাম ওলিপুরী বলেন- ‘ইসলামের সকল বিধি-বিধান সর্বকালের জন্য। ইসলামের কোনো বিধানকে ন্যূনতম অবজ্ঞা করার দ্বারা ঈমান বিনষ্ট হয়ে যায়। প্রগতির নামে যারা ইসলামের পর্দা বিধানকে অবজ্ঞা করে তাদের ব্যাপারে মুমিনদেরকে অবশ্যই সতর্ক থাকতে হবে।’
তিনি বলেন- ‘ইসলাম সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ ধর্ম। এ ধর্মের দ্বারা অন্যান্য ধর্মগুলো রহিত হয়ে গেছে। ইসলামে অন্য ধর্মের সাদৃশ্য গ্রহনের ব্যাপারে কঠোর নিষেধাজ্ঞা রয়েছে। রাসূলের সা. যমানায় কোনো কোনো নওমুসলিম এটা রক্ষা করে ইসলামী বিধি-বিধান পালন করতে চাইলে আল্লাহ কুরআনের আয়াত নাযিল করে জানিয়ে দিলেন- “হে মুমিনগন, তোমরা পরিপূর্ণভাবে ইসলামে প্রবেশ করো।”
তিনি আরোও বলেন- ‘ইসলাম মূর্তির মূলোৎপাটন করেছে। মূর্তি নির্মাণ- মূর্তির প্রতি ভালোবাসার বহিঃপ্রকাশ বৈ কিছু নয়।
রাসূল সা. বলেছেন- “ভালোবাসা যার সাথে, হাশর তার সাথে।” সুতরাং যারা রাসূলকে সা. ভালোবাসে, তারা মূর্তি নির্মাণ কিংবা মূর্তির প্রতি দূর্বল হতে পারে না। রাসূলের সা. সাথে হাশর হতে চাইলে মূর্তি অপসারণ করতে হবে।’
আত্মশুদ্ধি অর্জনের প্রতি গুরুত্বারোপ করে তিনি বলেন- ‘শারিরিক, মানসিক রোগের জন্য চিকিৎসকের শরনাপন্ন হতে হয়। আধ্যাত্মিক চিকিৎসারও প্রয়োজন রয়েছে। এটি হক্কানি উলামায়ে কেরামের সান্নিধ্য গ্রহন ছাড়া সম্ভব নয়।’
সিলেটের ঐতিহ্যবাহী দ্বীনি বিদ্যাপীঠ জামেয়া দারুসসুন্নাহ গলমুকাপন এর ৬৬ তম বার্ষিক মাহফিলে তিনি উপরোক্ত কথাগুলো বলেন।
জামেয়ার শায়খুল হাদীস হাফিজ মাওলানা মাসউদ আহমদের সভাপতিত্বে ও শিক্ষাসচিব মাওলানা রুহুল আমীন এর পরিচালনায় অনুষ্ঠিত মাহফিলে অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন আল্লামা তাফাজ্জুল হক হবিগঞ্জি,   আল্লামা নূরুল ইসলাম খান সুনামগঞ্জি, শায়খুল হাদীস মাওলানা ফজলুর রহমান খান বানিয়াচঙ্গি, হাফিজ মাওলানা জুবায়ের আহমদ আনসারী, মাওলানা মমতাজ উদ্দীন বড়দেশি প্রমুখ।
জামেয়ার মুহতামিম শায়খ মাওলানা আব্দুশ শহীদ এর মোনাজাতের মাধ্যমে মাহফিল সমাপ্ত হয়।
সুপ্রিমকোর্ট প্রাঙ্গণে দাঁড়িয়ে আছেন গ্রিক পুরাণের দেবী থেমিস।’বিশেষজ্ঞরা চান কুরআনের প্রতিকৃতি’

সুপ্রিমকোর্ট প্রাঙ্গণে দাঁড়িয়ে আছেন গ্রিক পুরাণের দেবী থেমিস।’বিশেষজ্ঞরা চান কুরআনের প্রতিকৃতি’

সুপ্রিমকোর্ট প্রাঙ্গণে দাঁড়িয়ে আছেন গ্রিক পুরাণের দেবী থেমিস। এক হাতে দাঁড়িপাল্লা অন্য হাতে খোলা তলোয়ার। চোখ বাঁধা তাই তিনি পক্ষপাত মুক্ত। এ দৃশ্যটি পশ্চিমা কোনো দেশের জন্য হয়তো শোভন। কিন্তু বাংলাদেশের দেশপ্রেমিক মুসলমান বিষয়টি কোনোভাবেই মেনে নিতে পারছেন না। মূর্তি এবং গ্রিক দেবীর মূর্তি দুটিতেই রয়েছে তাদের জোর আপত্তি। ইতিমধ্যে সরব প্রতিবাদ জানিয়েছে দেশপ্রেমিক সাধারণ মানুষ, জ্ঞানী বুদ্ধিজীবী ও ইসলামি রাজনৈতিক দলগুলো।

ইসলামি বিশ্বাস ও মূল্যবোধের সঙ্গে মূর্তির সংস্কৃতির মৌলিক বিরোধ রয়েছে। মূর্তি মানুষকে একত্ববাদের বিশ্বাস থেকে দূরে ঠেলে দেয়। পৃথিবীতে খোদার প্রতিরূপের ধারণা তৈরি করে। ইসলামি দলগুলো মূর্তি স্থাপনের বিরোধিতা করছে কেনো? এমন প্রশ্নের উত্তরে খেলাফত মজলিস বাংলাদেশের মহাসচিব মাওলানা মাহফুজুল হক আওয়ার ইসলামকে বলেন, ‘রাসুলুল্লাহ সা. জীবনের প্রথম দিন থেকে মূর্তির বিরোধিতা করেছেন। কারণ মূর্তি মানুষকে আল্লাহ বিমুখ করে এবং তাদের মনে আল্লাহর প্রতিরূপের ধারণা তৈরি করে। যেমন, আল্লাহ নিজেকে ন্যায়বিচারকারী বলেছেন। এখন যদি আমরা দেবী থেমিসের মূর্তি স্থাপন করি তার অর্থ হবে, হয়তো সে আল্লাহর বিকল্প হিসেবে ন্যায়বিচারের প্রতীক অথবা সে পৃথিবীতে ন্যায়বিচারের ক্ষেত্রে আল্লাহর প্রতিরূপ। দুটি বিশ্বাসই ঈমানবিধ্বংসী। ঈমান ও ইসলামের স্বার্থেই ইসলামি দলগুলো মূর্তি স্থাপনের বিরোধিতা করছে।

তিনি বিস্ময় প্রকাশ করে বলেন, ‘আমেরিকার সুপ্রিম কোর্টের প্রধান ফটকে হযরত মুহাম্মদ সা. সর্বশ্রেষ্ঠ আইন প্রনেতা’ লেখা রয়েছে। জাপানের প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের মূল ফটকে পবিত্র কুরআনের আয়াত (বৃষ্টিপাত সংক্রান্ত) উল্লেখ রয়েছে। তাহলে ৯৫ ভাগ মুসলমানের দেশ বাংলাদেশের সুপ্রিম কোর্টের সামনে কেন মূর্তি থাকবে! এটা কোনোভাবেই মেনে নেয়া যায় না।’

দেবী মূর্তি স্থাপিত হওয়ায় এ দেশের সাধারণ মুসলমান তাদের ঈমান ও ইসলামের সুরক্ষা চিন্তায় বিচলিত। তারা মনে করে, দেশের সর্বোচ্চ আদালতের সামনে দেবী মূর্তি স্থাপন করে কোনো মহল উদ্দেশ্য প্রণোদিতভাবে ইসলাম ও মুসলমানের প্রতি অশনি সংকেত প্রদান করতে চাচ্ছে। দেশের শীর্ষ স্থানীয় উলামায়ে এর প্রতিবাদ জানিয়ে অপসারণ দাবি করেছছেন। খাদেমুল ইসলাম বাংলাদেশের আমির ও গওহরডাঙ্গা মাদরাসার মহাপরিচালক  মুফতি রুহুল আমীন মূর্তি স্থাপনের প্রতিবাদ জানিয়ে বলেন, ‘দেবীর ভাস্কর্য মূর্তি স্থাপনের মতো অপতৎপরতা ধর্মপ্রাণ মানুষকে বিচলিত করে তুলেছে এবং স্থাপন রাষ্ট্রধর্ম ইসলামের অবমাননা। এটা মুসলমানদের ঈমানের ওপর চরম আঘাত। মুসলিম প্রধান একটি দেশের সুপ্রীম কোর্ট প্রাঙ্গণে গ্রীক নারী দেবী থেমিসের নগ্ন-অশ্লীল মূর্তি স্থাপন চরম ধৃষ্টতা এবং একটি অকল্পনীয় ও অগ্রহণযোগ্য কাজ।’

শুধু মুসলমান নয়; দেশের সর্বোচ্চ আদালতের প্রাঙ্গণে ভিন্ন দেশী দেবীর মূর্তি স্থাপনে ক্ষুব্ধ হয়েছেন দেশপ্রেমি অমুসলিমরাও। ডা. পিনাকি ভট্টাচার্য তার ফেসবুক ওয়ালে লিখেছেন, ‘এটা বাংলাদেশের সর্বোচ্চ আদালত প্রাঙ্গণে স্থাপিত। ভাস্কর সম্ভবত বোঝাতে চাইছে আমাদের বিচারকরা শাড়ি পরা গ্রিক দেবীর অনুসারী, দেবীর স্বর্গীয় ও আইন আর আদেশ কার্যকর করাই আমাদের বিচারকদের কাজ। শিল্পকলা বা ভাস্কর্যের নামে বিচারক ও বাংলাদেশের বিচার ব্যবস্থাকে হেয় ও অপমান করবার এই দৃশ্য এখন থেকে নিত্যদিন বাংলাদেশের মানুষ দেখবে; আর যারা এই ভাস্কর্য দেখবে শাড়ি পরা গ্রিক দেবীর প্রতি তাদের ভক্তি আরো নিবিড় হবে, এটাই হয়তো তাঁদের আশা।’

তিনি আরও লেখেন, ‘পশ্চিমা ন্যায়, আইন ও বিচারের সেই চিন্তা আর ঐতিহ্যকে কেবল আমাদের মাপে কেটেছেটে নেয়াটাই আমাদের কাজ। এই অনুমান ছাড়া এই ভাস্কর্যের আর কোন বার্তা নেই। আসলে এই ধারণা শুধু কলোনিয়াল ভাবাদর্শ বললে কম করে বলা হবে। এটা শুধু কলোনিয়াল নয়, এটা আপন ইতিহাস আর ঐতিহ্যের প্রতি চরম অপমান।’

সাধারণ মুসলমানের প্রশ্ন হলো, কেনো গ্রিক দেবী থেমিসকে শাড়ি পরিয়ে তার বঙ্গীয়করণ করতে হবে? কুরআন-হাদিস ও ইসলামের ইতিহাস-ঐতিহ্যে কী ন্যায়বিচারের কোনো প্রতীক নেই? এমন প্রশ্নের উত্তরে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগের অধ্যাপক ড. আহমদ আবুল কালাম বলেন, প্রতীক ব্যবহারের প্রচলন ইসলামের সোনালি যুগে ছিলো না। প্রতীক ব্যবহার ইসলাম অপরিহায মনে করে না। তবে কেউ যদি প্রতীক ব্যবহার করতে চায়, তবে কুরআনে ইনসাফের প্রতীক হিসেবে দুটি বিষয় পাওয়া যায়।

এক. স্বয়ং কুরআন। কেননা আল্লাহ তায়ালা কুরআনের মাধ্যমে ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা করতে বলেছেন।

দুই. দাঁড়িপাল্লা। কেননা আল্লাহ তায়ালা তার মাধ্যমে কেয়ামতের দিন ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা করবেন বলে কুরআনে জানিয়েছেন। পৃথিবীর অধিকাংশ মুসলিম দেশ এবং উল্লেখযোগ্য সংখ্যক দেশের আদালত ও বিচার বিভাগের প্রতীকে দাঁড়িপাল্লা রয়েছে। মুসলিম দেশগুলোর অন্যতম হলো, সৌদি আরব, কুয়েত, কাতার, ইরাক ও সুদান। সুতরাং যদি ন্যায় ইনসাফের কোনো প্রতীক ব্যবহার করতে হয়, তবে কুরআনের প্রতিকৃতি স্থাপন করা যেতে পারে।’

অন্য এক প্রশ্নের উত্তর ড. আহমদ আবুল কালাম বলেন, ‘পৃথিবীর ইতিহাসে সবচেয়ে ভিত্তিহীন ও উদ্ভট গল্প হলো গ্রিক পুরাণ। বাস্তবতার সঙ্গে তার নূন্যতম কোনো সম্পর্ক নেই। দেশের সর্বোচ্চ আদালতের সামনে এমন ভিত্তিহীন উদ্ভট; একই সঙ্গে ইসলামি বিশ্বাস, চেতনা ও আদর্শ বিরোধী দেবী মূর্তি স্থাপন কোনোভাবেই যৌক্তিক হতে পারে না।’

বিষয়টি ভালোভাবে নেননি শাসকদল আওয়ামী লীগের অঙ্গ সংগঠন উলামালীগের নেতৃবৃন্দও। তারা মনে করছে, সরকারে ঘাপটি মেরে থাকা একটি বিশেষ মহলের কারসাজি। ওই মহলটি সরকারকে বেকায়দায় ফেলতে মূর্তি স্থাপনের মতো ন্যক্কারজনক সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এটা সরকারের বিরুদ্ধে গভীর ষড়যন্ত্র। বিষয়টি এখনই আমলে না নিলে, সরকার জনসমর্থন হারাবে।

যে বা যারাই হোক আর যে উদ্দেশ্যেই এমনটি করে থাকুক না কেনো দেশের সচেতন নাগরিকগণ মনে করেন, সরকার দেশের সাধারণ মানুষের আবেগ-অনুভূতি, বিশ্বাস-চেতনা মূল্য দিবে এবং দেশের সর্বোচ্চ আদালতের সামনে থেকে ভিনদেশী মূর্তি অপসারণের উদ্যোগ গ্রহণ করবে।

Saturday, February 25, 2017

গন্ডায় গন্ডায় তৈরী করা হচ্ছে হিন্দু ছেলের সাথে মুসলিম মেয়ের প্রেমকাহিনী সম্বলিতচলচিত্র!

গন্ডায় গন্ডায় তৈরী করা হচ্ছে হিন্দু ছেলের সাথে মুসলিম মেয়ের প্রেমকাহিনী সম্বলিতচলচিত্র!

বিধ্বংসী ফিল্ম এখন শুধু ভারতই তৈরী করছেনা বরং আমাদের টাকায়
আমাদের দেশেই তৈরী করাচ্ছে ভারত?। "পবিত্র প্রেম" নামে এমনই একটি ফিল্ম তৈরী হচ্ছে বাংলাদেশে, যেখানে
দেখানো হবে একজন পর্দাশীলা নামাজী
মেয়ে কিভাবে একটি হিন্দু ছেলেকে ভালবেসে হিন্দু হয়ে যাবে, শুধু তাই নয় এ
ফিল্মে যে মুসলিমরা মেয়েটির হিন্দু ছেলেকে বিয়ে করার বিরোধিতা করবে,
তাদের দেখানো হবে বর্বর মূর্খ অজ্ঞ এবং খল চরিত্রেyu।
.
অপর দিকে মুসলিম মেয়েটির
হিন্দু ছেলেকে বিয়ে করে হিন্দু হয়ে যাওয়া কে তুলে ধরা হবে মহৎ আর উদারতা হিসাবে! (মা'আজাল্লাহ)
.
এ ভাবেই আপনার আমার মুসলিম ভাই-বোনদের চরিত্র ধ্বংস করে হিন্দু বানানোর
ষড়যন্ত্র চলছে।
.
"পবিত্র প্রেম" নামক ফিল্মের বিরুদ্ধে জনমত গড়ে তুলুন।
.
(২)
.
চিত্রনায়িকা মাহির পরনে সাদা ধবধবে পোশাক। মুখটা হিজাবে মোড়ানো।
ওজু করে, পাকপবিত্র হয়ে জায়নামাজে বসে আপন মনে
কুরআন শরীফ পড়ছেন তিনি।
.
ঢাকাই ছবি এই ‘অগ্নিকন্যা’ এমন কয়েকটি ছবি পোস্ট করেছেন নিজের ফেসবুকে।
ক্যাপশনে লিখেছেন ‘শুটিং’।
.
তার সঙ্গে মুঠোফোনে আলাপ করে জানা গেল, এটি একটি সিনেমার শুটিংয়ের কিছু ছবি। ছবির নাম ‘পবিত্র ভালোবাসা’।
পরিচালনা করছেন
‘খাইরুন সুন্দরী’ খ্যাত
নির্মাতা এ কে সোহেল।
.
ছবিটি প্রসঙ্গে মাহি জাগো নিউজকে বলেন,
একজন ধর্মপ্রাণ মুসলিম মেয়ের চরিত্রে অভিনয় করেছি।
যে পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ পড়েন, কুরআন পাঠ করেন। একটা
সনাতন(হিন্দু ) ধর্মের ছেলের সঙ্গে একসময় প্রেমে
জড়িয়ে পড়ি।
এই প্রেমই একটা সময় দুজনের মধ্যে কাল হয়ে দাঁড়ায়!’
.
তিনি আরো বলেন, এই ধরনের চরিত্রে এবারই
প্রথমবার অভিনয় করছি। অন্যরকম ভালোলাগা কাজ করছে।
.
পবিত্র ভালোবাসা’ ছবিতে মাহির বিপরীতে অভিনয় করছেন রুপম।
.
গেল বছর ছবিটির নির্মাণ শুরু হয়। চলতি বছর
‘পবিত্র ভালোবাসা’ মুক্তি পাবে বলে জানা গেছে।
.
মুক্তি পাবার পূর্বেই এই ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে জনমত গড়ে তোলা সবার ঈমানী দায়িত্ব।
.
বেশি বেশি শেয়ার / কপি করে অন্যকে ও জানার সুযোগ করে দিলে আশা করা যায়, জনসচেতনতা গড়ে উঠবে।।

Friday, February 24, 2017

ফিরে দেখা ৬ ফেব্রুয়ারী ও 'ফাতাওয়া রক্ষার' ঐতিহাসিক আন্দোলন

ফিরে দেখা ৬ ফেব্রুয়ারী ও 'ফাতাওয়া রক্ষার' ঐতিহাসিক আন্দোলন

২০০১ সালের ১ জানুয়ারী কথিত গ্রাম্য সালিশের অজুহাত দেখিয়ে হাইকোর্ট থেকে সবধরনের ফতোয়া অবৈধ ও দণ্ডণীয় অপরাধ সাব্যস্ত করে রায় দেয় বিচারপতি গোলাম রব্বানী ও নাজমুন আরা সুলতানা। তারা ১৪০০ বছর ধরে চলে আসা মুসলিমদের জীবনে অতীব প্রয়োজনীয় ফতোয়াকে নিষিদ্ধ করে।বাংলার সিংহপুরুষ মুফতী আমিনী (রহ.) গর্জে উঠলেন, ডাক দিলেন অসহযোগ আন্দলোনের। গ্রেফতার হলেন তিনি, জেল- জুলুমও তাকে দমাতে পারেনি।৬ ফেব্রুয়ারী আমাদের বি, বাড়ীয়াতে অকাতরে শহীদ হলেন ছয়জন হাফেয ও আলেম।
.
হযরতের পরামর্শে ধর্মপ্রাণ মুসলমানদের পক্ষ থেকে লালবাগ জামিয়ার মুহাদ্দিস মুফতী তৈয়্যেব সাহেব হাইকোর্টের এই রায়ের বিরুদ্ধে সুপ্রিমকোর্টে আপিল দায়ের করেন। তার আপিলের প্রেক্ষিতে হাইকোর্টের রায় অনির্দিষ্টকালের জন্য স্হগিত করে সুপ্রিমকোর্ট। সাড়ে ১০ বছর হাইকোর্টের ফতোয়াবিরোধী এই রায় স্হগিত থাকার পর ২০১১ সালের মার্চে আবারো এই মামলা শুনানির জন্য বর্তমান সরকার তোড়জোর শুরু করে।আবারো রাজপথে নামে মুফতী আমিনীর সৈনিকরা।হাটহাজারী ও যশোরে শাহাদাতবরণ করে আরো দু'জন।মুফতী আমিনীর বলিষ্ঠ নেতৃত্ব, ৮ জনের জীবন এবং তাওহীদী জনতার সংগ্রামের বিনিময়ে সুপ্রিমকোর্টের ফুলবেঞ্চে এই মামলার দীর্ঘ ২ মাস ১২ দিন শুনানি শেষে ১২ মে ফতোয়া দেয়া বৈধ বলে ঐতিহাসিক রায় প্রদান করে সুপ্রিমকোর্ট। এনারাই হলেন কওমী তথা দেওবন্দী; যারা ইসলামের বিজয় ছিনিয়ে এনে তবেই ক্ষান্ত হন।

الحمدلله رب العالمين
والصلاه والسلام على اشرف المرسلين سيدنا محمد وعلى اله وصحبه اجمعين
لا إله إلا الله
لا إله إلا الله
لا إله إلا الله
حَسْبِـيَ اللّهُ لا إلهَ إلاّ هُوَ عَلَـيهِ تَوَكَّـلتُ وَهُوَ رَبُّ العَرْشِ العَظـيم