Showing posts with label তথ্যপ্রযুক্তি ও সোশালিস্ট. Show all posts
Showing posts with label তথ্যপ্রযুক্তি ও সোশালিস্ট. Show all posts

Saturday, May 30, 2020

ফেকআইডি ও অপপ্রচারঃ প্রতারণা ও মিথ্যাচার

ফেকআইডি ও অপপ্রচারঃ প্রতারণা ও মিথ্যাচার


ফেকআইডি ও অপপ্রচারঃ প্রতারণা ও মিথ্যাচার
তথ্য-প্রযুক্তির এ যুগে ফেসবুক সামাজিক যোগাযোগের অন্যতম মাধ্যম। ফেসবুকের ইতিবাচক দিক যেমন রয়েছে তেমনি রয়েছে নেতিবাচক দিকও। বিশেষ করে তরুণ প্রজন্মের কাছে ফেসবুক এখন নতুন এক নেশায় পরিণত হয়েছে।যা হতাশাব্যঞ্জক ও বিপদজনক! তারচেয়ে আরো দুঃখজনক ব্যাপার হচ্ছে কিছু অসৎ ও অসাধু ব্যক্তি ফেসবুককে মন্দকাজের হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করছে। তারা ফেকআইডি খুলে প্রতিনিয়ত মানুষকে ধোকাঁ দিচ্ছে। বিভ্রান্ত করছে। মানহানি করছে। পরস্পর বিবেদ লাগিয়ে দিচ্ছে। গীবত, অপবাদ, চরিত্রহনণ, হুমকি ধমকি প্রদানসহ নানা অপকর্মে ফেকআইডিগুলো ব্যবহার করছে। যা  অত্যন্ত নিন্দনীয়। রাসূল (সাঃ)বলেন, من غش فليس منا  যে ধোঁকা দেয় সে আমার অর্ন্তভূক্ত নয়। 
যেসব কারণে সমাজে ভ্রাতৃত্ববোধ লোপ পায়, সমাজ বিপর্যয়ের দিকে ধাবিত হয়, সামাজিক মূল্যবোধ বিনষ্ট হয়, পারস্পরিক সম্পর্ক ও সম্প্রীতি নষ্ট হয়, তার মধ্যে অন্যতম হলো গীবত, যা মানুষকে নিকৃষ্টতম প্রাণীতে পরিণত করে। তাইতো আল্লাহ ও রাসূল (সাঃ) মানুষকে এই নিকৃষ্ট স্বভাব থেকে বিরত থাকার তাগিদ দিয়েছেন। এ প্রসঙ্গে পবিত্র কুরআনে বর্ণিত হয়েছে, يَا أَيُّهَا الَّذِينَ آمَنُوا اجْتَنِبُوا كَثِيرًا مِّنَ الظَّنِّ إِنَّ بَعْضَ الظَّنِّ إِثْمٌ ۖ وَلَا تَجَسَّسُوا وَلَا يَغْتَب بَّعْضُكُم بَعْضًا ۚ أَيُحِبُّ أَحَدُكُمْ أَن يَأْكُلَ لَحْمَ أَخِيهِ مَيْتًا فَكَرِهْتُمُوهُ ۚ وَاتَّقُوا اللَّهَ ۚ إِنَّ اللَّهَ تَوَّابٌ رَّحِيمٌ হে মুমিনগণ তোমরা অধিক ধারণা হতে বিরত থাকো। কতক ধারণা পাপের অর্ন্তভূক্ত। তোমরা অন্যের দোষ খোঁজাখুঁজি করো না, একে অন্যের অনুপস্থিতিতে দোষ-ত্রুটি বর্ণনা করো না। তোমাদের মধ্যে কি কেউ তার মৃত ভাইয়ের গোশত খেতে পছন্দ করবে? তোমরাতো সেটাকে ঘৃণাই করে থাকো। আল্লাহকে ভয় করো, আল্লাহ তাওবা কবুলকারী, অতি দয়ালু”- হুজুরাতঃ১২। রাসূল (সাঃ) বলেন, গীবত যিনা ব্যভিচারের চেয়েও বেশি জঘন্য ও ঘৃণ্য অপকর্ম” অন্য হাদীসে রাসূল (সাঃ) বলেন, গীবত শ্রবণকারী গীবতকারীদের পাপের ভাগীদার। আলোচ্য আয়াত ও হাদীস দ্বারা প্রতিয়মাণ হয় যে, গীবত এমন এক জঘন্য অপকর্ম যা মানুষের ঈমান ও আমলকে ধ্বংস করে দেয়। বরবাদ করে দেয় তাদের ইহকাল ও পরকালকে। কিন্তু পরিতাপের বিষয় এই যে, না জেনে না বুঝে আমরা সর্বদা এ জঘন্য অপকর্মে ভেসে চলেছি। বিশিষ্ট ও সাধারণ কেউই আমরা এ মারাত্মক রোগ থেকে মুক্ত নই। সমাজের সর্বস্তরের সকলে এ মহামারী রোগে এমনভাবে আক্রান্ত হয়ে পড়েছেন যে, এটাকে এখন আর কেউ পাপকর্ম বলেই গণ্য করেন না। আমাদের অন্তর থেকে সে অনুভূতিটুকুও লোপ পেয়ে গেছে। বিবেকের ঘটেছে অপমৃত্যু। আর এজন্য আমাদের নেই কোন অনুতাপ, অনুশোচনা, নেই কোন তাড়না।
ইবনুল কায়্যিম (রাহঃ) বলেন, যে ব্যক্তি তার নিজেকে ভালোভাবে চিনতে পেরেছে, সে অন্যের দোষ-ত্রুটি বাদ দিয়ে নিজের সংশোধনে লেগে গেছে। খারাপ স্বভাবের মধ্যে খুবই ফালতু একটা স্বভাব হলো, মানুষের সমালোচনা করে বেড়ানো। প্রথমত, এর দ্বারা গীবত হয় এবং এর বিনিময়ে সমালোচনার শিকার হওয়া ব্যক্তি হাশরের মাঠে সমালোচনাকারীর নেকি নিয়ে নিবে। দ্বিতীয়ত, এর দ্বারা সমাজে মারাত্মক বিশৃঙ্খলা দেখা দেয়। সৌহার্দপূর্ণ পরিবেশ ও ভ্রাতৃত্ব নষ্ট হয়। 
হাদিসে এসেছে, من ستر مسلماً ستره الله في الدنيا والآخرة যে ব্যক্তি কোনো মুসলিমের দোষ-ত্রুটি ঢেকে রাখবে, আল্লাহ্ সুবহানাহু ওয়া তা'আলা কিয়ামতের দিন তার দোষ-ত্রুটি ঢেকে রাখবেন। আল্লাহপাক আমাদেরকে পরনিন্দা, গীবত, অহংকার, হিংসা-বিদ্বেষসহ সকল খারাপ অভ্যাসগুলো পরিত্যাগ করার তাওফিক দান করুন। আমিন

‌লেখকঃ মাওলানা এরফান শাহ্   
গ্রন্থকার ও কলা‌মিস্ট
হাটহাজারী, চট্টগ্রাম।

Thursday, July 13, 2017

আপনার Facebook Fan Page এ লাইক বাড়াতে চান??? প্রতিদিন Unlimited+ লাইক নিয়ে নিন আপনার পেইজ এ। ১০০% গ্যারান্টি

আপনার Facebook Fan Page এ লাইক বাড়াতে চান??? প্রতিদিন Unlimited+ লাইক নিয়ে নিন আপনার পেইজ এ। ১০০% গ্যারান্টি

আসসালামু আলাইকুম!!!
আলহামদুলিল্লাহ আল্লাহ পাকের লক্ষ কোটি শুকরি যে তিনি আমাদিগকে তার অজশ্র নিয়ামত দ্বারা আব্রিত করে রেখেছেন,আশা করি সবাই ভাল আছেন।
অনেকেই তাদের ফেইসবুক ফ্যান পেইজ এর লাইক বাড়াতে চান কিন্তু পারেন না। এই সমস্যার সমাধান নিয়ে নিন এখুনি। আর প্রতিদিন Unlimited+ লাইক নিয়ে নিন আপনার পেজ এ।
কথা না বাড়িয়ে শুরু করি
১. প্রথমে   এই লিঙ্ক এ গিয়ে sign up করুন।


২. এরপর উপরে দেখবেন  Add and Manage page নামের একটা অপশন বার আছে

 ওখানে গিয়ে দেখবেন আরে অনেক অপশন আছে। সেখান থেকে Facebook like এ গিয়ে
আপনার Facebook fan page Url যোগ করতে হবে।

৩. আপনার  পেজ এ লাইক বাড়াতে হলে আপনার একাউন্টে ক্রেডিট থাকা লাগবে। এই ক্রেডিট জমাতে হলে আপনাকে অন্য পেজ এ লাইক করতে হবে।

৪. অন্য পেইজে লাইক করতে হলে আপনাকে উপরের Social Media Exchange থেকে Facebook like এ যেতে হবে।
৫. ওই পেজ এ যাওয়ার পরে দেখবেন ওখানে অনেক ফ্যান পেজ আছে। যাতে আপনি লাইক করার মাধ্যামে ক্রেডিট জমা করবেন এবং তাহলে সাথে সাথে আপনার পেজ এ ও লাইক বাড়বে।

Tuesday, May 30, 2017

যে ৫ উপায়ে আপনিও ইউটিউবে জনপ্রিয় হতে পারেন

যে ৫ উপায়ে আপনিও ইউটিউবে জনপ্রিয় হতে পারেন

ইন্টারনেট ও সোশ্যাল মিডিয়ার যুগে আপনি নিজেকে কিভাবে উপস্থাপন করছেন সেটি বেশ গুরুত্বপূর্ণ বিষয়।

বিশ্বের বিভিন্ন দেশে এমন অনেক ব্যক্তি আছেন যারা ইন্টারনেট-ভিত্তিক মাধ্যমগুলোতে বেশ জনপ্রিয়। এক্ষেত্রে ইউটিউবের কথাই ধরা যাক।

অনেকে আছেন যাদের ভিডিও ইউটিউব হাজার-হাজার কিংবা লাখ-লাখ মানুষ দেখছে। তারা দর্শকদের কাছে ইউটিউব স্টার হিসেবে পরিচিতি।

কিভাবে তারা ইউটিউব স্টার হয়ে উঠলেন? কেন তাদের ভিডিওগুলো হাজার-হাজার মানুষ ইন্টারনেটে দেখছে? আপনিও কি চাইলে ইউটিউব স্টার হতে পারেন?

এসব প্রশ্নের উত্তর আজকাল অনেকেই খোঁজেন।

আমেরিকার ইউটিউব স্টার জাস্টিন এসকালোনা মনে করেন, চাইলে ধীরে-ধীরে আপনিও হয়ে উঠতে পারেন ইউটিউব স্টার।

শিকাগোতে বসবাসরত এ তরুণ বেশ কয়েকটি উপায় বাতলে দিয়েছেন যার মাধ্যমে আপনি ইউটিউবে জনপ্রিয় হতে পারেন।

প্রথমত: ইউটিউবে ভিডিও তৈরির জন্য তিনি পুরো আমেরিকা ঘুরে বেড়িয়েছেন। প্রথম দেড় বছর তিনি যত জায়গায় গিয়েছেন সব জায়গায় তিনি ভিডিও করেছেন এবং সেগুলো ইউটিউবে আপলোড করেছেন।

দ্বিতীয়ত: যখন আপনি কোন ভিডিও তৈরি করতে যাবেন তার আগে আপনাকে ভাবতে হবে – কেন আপনি এটা করতে চাচ্ছেন?

আপনার যদি মনে হয় শুধু মজা করার জন্য আপনি এটা করেছন- তাহলে সেটা না করাই ভালো। আগে ঠিক করতে হবে এ বিষয়টিতে মানুষের আগ্রহ থাকবে কী-না।

তৃতীয়ত: আপনি যে ভিডিওটি করার সিদ্ধান্ত নেবেন সেটি অন্যদের চেয়ে কতটা আলাদা? এ বিষয়টি ভাবতে হবে। কারণ ইউটিউবে হাজার-হাজার ভিডিও আছে।

আপনি যদি ব্যতিক্রমী কিছু করতে না পারেন, তাহলে দর্শকরা সেদিকে আকৃষ্ট হবে না।

চতুর্থ: শুধু ভিডিও করলেই হবে না। ভিডিওটি মানসম্মত হচ্ছে কী-না সেদিকেও নজর রাখতে হবে।

ভালো করে ভিডিও সম্পাদনা করতে হবে। তারপর সেটি আপলোড করতে হবে। কোন রকম একটি ভিডিও করে দিলেই সেটি মানুষজন দেখবে না।

পঞ্চম : ইউটিউবে ভিডিও শুরু করতে ভয় পাবেন না । আপনি হয়তো মনে করতে পারেন যে আপনার দামী ভিডিও ক্যামেরা নেই, ভালো যন্ত্রপাতি নেই।

শুধু ভালো যন্ত্রপাতি থাকলেই ভিডিও জনপ্রিয় হয় না। আপনার কাছে থাকা মোবাইল ফোনের ক্যামেরা হতে পারে আপনার সম্বল।

ভিডিও করার জন্য ভালো আইডিয়া আপনার আছে কী-না সেটি সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। যে বিষয়টি আপনি ভিডিও করছেন, সেটি যদি মজাদার কিংবা গুরুত্বপূর্ণ কিছু হয় তাহলে সেটি দর্শকদের আকর্ষণ করবে।

ভিডিওগুলো এমনভাবে তৈরি করতে হবে যাতে দর্শকরা সেগুলোর সাথে নিজেদের সংযোগ স্থাপন করতে পারে। দর্শকরা যাতে মনে করে আপনি তাদেরই একজন।

দর্শকদের দৈনন্দিন জীবনকে নিজের জীবনের সাথে একাত্ম করতে হবে। কোন ভুয়া বা মিথ্যা ভিডিও তৈরি করে জনপ্রিয়তা পাবার চেষ্টা না করাই ভালো। আপনার প্রতিদিনের জীবনের গুরুত্বপূর্ণ এবং মজাদার বিষয়গুলো তুলে ধরুন।

এভাবেই আপনি হতে পারেন ইউটিউব স্টার। তাহলে আজই শুরু করুন।

সূত্র: বিবিসি বাংলা

Saturday, May 27, 2017

সন্তানকে মোবাইল নাকি পিস্তল উপহার দিচ্ছি !!!

সন্তানকে মোবাইল নাকি পিস্তল উপহার দিচ্ছি !!!

ঘটনা: ১ আমার ছোট ভাই ২য় বর্ষ প্যাথলজী মেডিসিন ডিপ্লোমা করছে। যুগের সাথে তাল মিলাতে একটা স্মার্টফোন দরকার। আমি দিতে রাজী ছিলাম না এমনকি তাকে মোবাইল দিতেই রাজী নই। আমি দেইনি, তাই বলেকি ডিজিটাল প্রজন্ম থেমে থাকবে। না থেমে থাকেনি ঠিকই মা-বাবাকে ম্যানেজ করে পরপর দুইটা স্মার্টফোন বাগিয়ে নিয়েছে। তাতে কি উপকার হয়েছে তাই বলছি। আমার কাছে আল্লাহর রহমতে ইসলামী বইয়ের কালেকশন ভালই আছে, প্রিন্ট ভার্সন। আমি হয়তো মরার আগেও এগুলো পড়ে শেষ করতে পারবোনা। তবে কেনা থেমে নেই, আমৃত্যু কিনে সংগ্রহ করে যাবো কেউ না কেউ তো পড়বে ইনশাআল্লাহ। আমার এই কালেকশন থেকে আজ পর্যন্ত ৫টি বইও তাকে পড়ানো সম্ভব হয়নি। দায়ী কে, আমি এই মোবাইল নামক পিস্তলটিকেই বলব। মোবাইল কোম্পানীগুলো ফেবু ফ্রি করে দিয়ে জাতির ভবিষ্যৎকে বাঁশ দিচ্ছে বলে আমি মনে করি। সারাদিন এই আজাইরা জিনিসটা নিয়েই ব্যস্ত থাকে। পাঠ্যবইও কম পড়ে। তার সাথে যারা ফেবুতে ব্যস্ত তারাও তার মতই এই আজাইরা কামেই ব্যস্ত থাকে।
তো ভবিষৎতে মাকাল মার্কা সার্টিফিকেটধারী হবে যদি এই অবস্থায় শিক্ষাজীবন পার করে।

ঘটনা:২ হোমিও ডাঃ আব্দুর রহমান ভাইয়ের সাথে সম্পর্কটা বন্ধুর মতো হওয়াতে নানা বিষয়ে দেখা হলেই সময়গুলো জমে উঠে। উনার ছেলেকে কোথায় ভর্তি করাবে, পারিবারিক নানান সমস্যা নিয়ে দুজনই শেয়ার করি একটি সমাধান পাওয়ার বা মনের দুঃখ শেয়ার করার প্রয়োজনে।তো গত সপ্তাহে বলল উনার ছেলের মোবাইলে আসক্তির গল্প। রাতভর মোবাইলে ব্যস্ত, খালি আঙ্গুল দিয়ে স্ক্রিনে টুকাটুকি করে। উনি জানতে চাইল এর দ্বারা কি কি করা যায়, বললাম যতটুকু জানি। মোবাইলটা উপহার পেয়েছে প্রবাসী চাচার কাছে থেকে। মোটকথা ছেলে এখন পড়ালেখায় মনোযোগ নেই মোবাইল নিয়ে দিন-রাত ব্যস্ত।

ঘটনা:৩
ফেবুতে কার কত বয়স না জেনেই বন্ধু হই। এভাবেই পরিচয় হয় কিছু অল্প বয়সী ভাই-বোনের সাথে। তারা অনেকে এসএসসি দিবে বা এইচএসসি-তে ১ম বর্ষে পড়ে। কিছুদিন খোজ খবর রাখলাম কতক্ষণ ফেবুতে থাকে। তারপর যখন জিজ্ঞেস করলাম সারাদিন তো ফেবুতে দেখি পড়ালেখা কখন করা হয়। এরকম প্রশ্ন হয়তো তারা আশা করেনি। উত্তর যা পেলাম তাতে মনে হয়েছে পড়ালেখা এখন মন চাইলে পড়ে না মন চাইলে পড়েনা তবে ফেবুতে একটিভ থাকা হয়।

সন্তানদের মোবাইল নিয়ে মা-বাবার অনেক অভিযোগ শুনেছি। তবে আমি মনে করি আমাদের পরবর্তী প্রজন্মকে রক্ষার জন্য তাদের হাতে মোবাইল নামক পিস্তল না দেয়াই ভাল। অন্তত বয়স ২০ না হলে তার সঠিক ব্যবহার তারা করতে পারবেনা বলে মনে করছি।

নোট: পুলিশের হাতে পিস্তল থাকা আর মুরগী মিলনের কাছে পিস্তল থাকা সমান কথা নয়। বয়স্করাও এর অপব্যবহার করে থাকি।

Monday, March 13, 2017

দেখেনিন কিভাবে এই ব্লগের "হাক্বের আওয়াজ" সমস্ত আপডেট অটোমেটিক Facebook পোস্ট হয়ে যাবে।

দেখেনিন কিভাবে এই ব্লগের "হাক্বের আওয়াজ" সমস্ত আপডেট অটোমেটিক Facebook পোস্ট হয়ে যাবে।

প্রথমে Gmail এবং Facebook Login করুন?

তারপর এই লিংকে প্রবেশ করুন?
এবং টিক চিন্হ এখানে ক্লিক করুন?
তারপর Sign up এখানে Gmail address ও মনমত একটি পাসওয়ার্ড দিন? 
তারপর Sign Up এ ক্লিক করুন?

তারপর OK স্থানে  ক্লিক করুন?


তারপর টিক চিন্হ এখানে অর্থাৎ  Allow বাটনে ক্লিক করুন?
তারপর টিক চিন্হ এখানে অর্থাৎ Continue বাটনে ক্লিক করুন?


তারপর টিক চিন্হ এখানে অর্থাৎ  OK বাটনে ক্লিক করুন?
তারপর টিক চিন্হ এখানে অর্থাৎ ingredient বাটনে ক্লিক করুন?


তারপর টিক চিন্হ এখানে অর্থাৎ  postUrl ক্লিক করুন?

তারপর টিক চিন্হ এখানে অর্থাৎ  Save বাটনে ক্লিক করুন?



Saturday, February 25, 2017

আগামী ১০০ বছর পর অধিকাংশ Facebook ID গুলো মৃত পরে থাকবে

আগামী ১০০ বছর পর অধিকাংশ Facebook ID গুলো মৃত পরে থাকবে

শুধু থাকবে তাদের কর্ম। (like+comment+upload)
১) যারা মানুষকে Love story শিখিয়েছে,তার শাস্তি তারা জাহান্নামে পাবে।
২) যারা অশ্লীল ও বেহায়াপনা মেয়েদের
ছবি upload করেছে ,তাদের বিরুদ্ধে সাক্ষী তাদের Liker ও commenter দিবে
৩) আর যারা ফেসবুককে আল্লাহর বাণী ও ইসলাম প্রচারের মাধ্যম বানিয়েছে তাদের পুরষ্কার আল্লাহ দিবেন (ইনশাআল্লাহ্)
ফেসবুকে কোনো অশ্লীল ছবি আপলোড
দেওয়া থাকলে মৃত্যুর পরও তার পাপের
বোঝা বাড়তে থাকবে। তার কবরে অনন্ত কাল ধরে পাপ পৌছাতে থাকবে। ফেসবুক ভার্চুয়াল দুনিয়া হলেও এই ছবি গুলো মানুষ দেখতে পাবে ও তাই এর হিসাব ও দিতে হবে।
হিসাব দিতে হবে আনাচেকানাচে করা
ছোটো খাটো খারাপ ভালো সব comment+ like এর। কারন তোমার সব কাজই লিখা হচ্ছে তোমার আমলনামায়

"So Be Carefull"
আল্লাহ আমাদের সবাইকে বুঝার তওফিক দান করুণ।