Showing posts with label ভন্ডপীরের ভন্ডামী. Show all posts
Showing posts with label ভন্ডপীরের ভন্ডামী. Show all posts

Tuesday, July 31, 2018

চন্দ্রপুরী পীর পরিচিতি ও আকিদা-বিশ্বাস

চন্দ্রপুরী পীর পরিচিতি ও আকিদা-বিশ্বাস

চন্দ্রপুরী পীরের নাম সায়্যিদ আবুল ফযল সুলতান আহমদ ৷ তিনি ফরিদপুর জেলার চন্দ্রপাড়া গ্রামের অধিবাসী ৷ তিনি শাহসূফী ইউনূস আলী এনায়েতপুরীর শিষ্য ৷ দেওয়ানবাগী পীর মাহবুবে খোদার পীর ও শ্বশুর | তিনি ১৯৮৪ ইংরেজী সালে মৃত্যুবরণ করেন ৷

চন্দ্রপুরীর আকিদা-বিশ্বাস নং- ১ জিবাইল এবং আল্লাহ এক ও অভিন্ন ৷ চন্দ্রপাড়ার পত্রিকা মাসিক আত্মার বাণী ৫ম বর্ষ ১ম সংখ্যা ২২ পৃষ্ঠায় লিখেছে, এখন বুঝা প্রয়োজন জিব্রাইল কে? এই সম্বন্ধে বহুজনের বহু মত ! সুলতানিয়া মুজাদ্দেদিয়া তরিকার ইমাম চন্দ্রপুরী ফরমানঃ জিব্রাইল বলিতে অন্য কেহ নন স্বয়ং হাকিকতে আল্লাহই ৷
তার বিপক্ষে দলিলঃ আল্লাহ ও ফেরেশতা সম্বন্ধে আহলে হকের আকিদা হল, আল্লাহ খালিক অর্থাৎ সৃষ্টিকর্তা | জিবাইল একজন ফেরেশতা, আর ফেরেশতা হল মাখলুক, অর্থাৎ আল্লাহর সৃষ্টজীব স্বর্গীয় বার্তাবাহক তার প্রমাণ ও ঘোষণা |

» সমস্থ প্রশংসা আকাশ মন্ডলী ও পৃথিবীর সৃষ্টিকর্ত আব্লাহরই উনি ফিরিশতাগণকে করেছেন বার্তাবাহক ৷ তারা দুই দুই, তিন তিন, চার চার পাখা বিশিষ্ট | সূরা ফাতির, আয়ূত,১)

অর্থ স্মরণ কর! যখন তোমার প্রতিপালক ফিরিশতাদেরকে বললেন, আমি পৃথিবীতে প্রতিনিধি সৃষ্টি করতেছি ৷ তারা বলল, আপনি কি সেখানে এমন কাউকে সৃষ্টি করবেন যে, অশান্তি ঘটাবে ও রক্তপাত করবেঃ আমরাইতো আপনার প্রশংসা স্তুতিগান এবং পবিত্রতা বর্ণনা করি ৷ তিনি বললেন, 'আমি (আল্লাহ) যা জানি তোমরা (ফেরেশতারা) তা জান না | (সৃধ্য বাকাৰা, আযাত ৩০) ( সুতরাং পাক কুরজানে যাকে বার্তাবাহক বলা হয়েছে তিনি কখনও আল্লাহ হতে পারে না৷ আল্লাহ এবং ফেরেশতার মধ্যে পার্থক্য ও ভিন্নতা রয়েছে ৷ * অতএব, চন্দ্রপুরীর এই আকিদা ঈমানবিনাশী কুফুরী | এ আকিদার দরুন তারা ইসলাম ধর্ম হতে বের হয়ে গেছে ৷

চন্দ্রপুরীর আকিদা-বিশ্বাস নং- ২ ফিরিশতারা আল্লাহর নাফরমানী করে ৷ মাসিক আত্মার বাণী ৫ম বর্ষ ৬ষ্ঠ সংখ্যার ২৫ নং পৃষ্ঠায় লিখেছে ১৪/১১/৮২ইং ইশার সময় জনৈক মুরিদ জিজ্ঞাসা করিল "বাবাজান ইবলিসের গলায় « হার হইল কেন? এর জবাবে চন্দ্রপাড়ার পীর মৌ সুলতান আহমাদ বলিলেন ইবলিসের অধীনে অসংখ্য ফেরেশতা কাজ করতেছে ৷" চন্দ্রপুরী বলেন, "ইবলিশ তার অধীনে যে ফেরেশতা আছে তাদের বলতেছে, এই ফেরেশতা তুই এই কর ৷ বিভিন্ন নাম আছে তো, তুমি এইটা বানাও, তুমি ঐটা বানাও ৷ এরে চোর বানাও ৷ ওরে চোষ্টা বানাও ৷ ওরে সাধু বানাও ৷ সে হুকুম করতেছে তারা (ফেরেশতারা) বানাইতেছে ৷  বুঝাতে চায় যে, আল্লাহর ফেরেশতারা নাফরমানী করে ৷ (নাউজুবিল্লাহ)
তার বিপক্ষে দলিলঃ চন্দ্রপুরীর এ মতবাদ সম্পূর্ণ কুরআন সুন্নাহ বিরোধী কুফরী মতবাদ ৷ আকিদা হল ফিরিশতারা মহান আল্লাহর সৃষ্টজীব স্বর্গীয় বার্তাবাহক ৷ এরা সদা সর্বদা মহান আল্লাহর ইবাদতে নিমগ্ন থাকেন৷ এরা কখনো আল্লাহর নাফরমানী করে না; এ প্রসঙ্গে আল্লাহ তাজালা বলেন- , যা আদেশ করেন ফিরিশতারা তা অমানা করে না এবং যা করতে নির্দেশ দেয়া হয় তারা তাই করে | (সৰ ভাষইম )  -প্লের  আমরাইতে৷ (ফিরিশতার') আপনার প্রশংসা স্বরতিগান এবং এতা বর্ণনা করি |  বাকার ) সুতরাং কুরআনের বর্ণন' দ্বারা প্রমাণিত হল নাফরম'নি করে না ! অথচ পীর সাহেব কুরআনের বিরোধীতায় লিপ্ত ! যে ব্যক্তি কুরআনের বিরোধিতায় লিপ্ত সে কি মুসলমান থাকতে পারে? পীর হওয়া তো দূরের কথা ৷
চন্দ্রপুরীর আকিদা-বিশ্বাস নং- ৩
বড় বুর্গ হলে আর ইবাদত লাগে না৷ চন্দ্রপাড়ার বই 'হক্তুল ইয়াকিনের' ২৯ নং পৃষ্ঠায় লিখেছে 'কোন লোক যখন মকামে গিয়ে পৌছে তখন তার কোন ইবাদত থাকে না ৷ এখানে নফসীর মকাম এর অর্থ হল, সবার উর্ধে ৷ অতএব, অর্থ হলো বড় বুধুর্গ হলে ইবাদত লাগে না !
তার বিপক্ষে দলিলঃ চন্দ্রপুরীর এই আকিদা সম্পূর্ণ বাতিল ও কুফরী ৷ যা স্পষ্ট কুরআন-সুন্নাহ পরিপন্থী | কেননা, কুরআনে বলা হয়েছে-  অর্থ মৃত্যু পর্যন্ত তোমার প্রতিপালকের ইবাদত কর ৷ (সূর্য হিজর, আয়াতঃ ৯৯) এখানে "ইয়াকিন" শব্দের অর্থ নিয়ে অনেক বাতিলপন্থীরা বিভ্রান্ত ছড়ায়, তারা ইয়াকিন অর্থ মারেফাত বা বিশ্বাস ইত্যাদি বলে | তাদের মতে কারো ইয়াকিন বা বিশ্বাস অর্জন হয়ে গেলে তার ইবাদত করতে হয় না ৷ তাদের এই তরজমা কুফুরী ও পথভ্রষ্টতা বৈ কিছু নয় ৷ কেননা, তাফসীরে ইবনে কাসিরে ইয়াকিন শব্দের অর্থ মউত বলা হয়েছে ৷ বিস্তারিত দেখুন তাফসীরে ইবনে কাসীর ২য় খন্ড ৫৬০ পৃষ্ঠায় ও তাফসীরে রূহল মাআনী, ৮ম খন্ড, ৮৭ পৃষ্ঠা ৷ আকাইদ ও ফিক্যাহ শান্ত্রের বিধান মতে, বান্দা যতক্ষণ সুস্থ মস্তিস্ক, বালেগ (প্রাপ্তবয়স্ক) থাকে ততক্ষণ যত বড় ইবাদতকারী হউক না কেন তার উপর হতে আল্পাহর আদেশ নিষেধ রহিত হয় না ৷ রহিত হওয়ার আকিদা গোমরাহী | (শরহে আকাইদ পৃ ১৫৩) সুতরাং চন্দ্ৰপুরীর এ মতবাদের মধ্যে শরীয়তের একটি সুস্পষ্ট ও অকাট্য আকিদার অস্বীকৃতি পাওয়া যায়, যা সুস্পষ্ট কুফর ৷ এমন মতবাদে বিশ্বাসী ব্যক্তিকে মুসলমানই বলা যায় না, পীর হওয়ার তো প্রশ্নই উঠে না ৷

Monday, April 10, 2017

বেদআতি পির মুরীদর কথোপকথন,

বেদআতি পির মুরীদর কথোপকথন,

বেদআতি পির মুরীদর কথোপকথন,
বেদআতিঃ-
দুরূদ পড়তে পড়তে সবাই দাঁড়ান! রাসূল এসে
গেছেন। উনার সম্মানে দাঁড়ান!
মুরীদঃ-
"হুজুর! দুনিয়ায় অনেক জায়গাতেই একই
সময়ে লোকজন দুরূদ পড়তেছে, এখন রাসূল
আমাদের এখানে আসবেন না অন্যত্র
যাবেন?
বিদআতিঃ-
বাবা! তুমি এইটা বুঝবানা!
মুরীদঃ-
হুজুর! যারা রাসূলের রওজায় সালাম দিতে
গিয়েছে, তারা কাকে সালাম দিবে, যদি
রাসূল এখানে
চলে আসেন?
বিদআতিঃ বাবা! তুমি এইটা বুঝবানা!
মূরীদঃ-
হুজুর! রাসূলকে আমরা এত আগে ছেড়ে
দিচ্ছি কেন? উনি এতদূর থেকে আসলেন, দুরূদ
কি
আরো কয়েক ঘন্টা যাবৎ পড়া যেত না?
বিদআতিঃ-
বাবা! তুমি এইটা বুঝবানা!
মুরীদঃ-
হুজুর! নামাজেও দুরূদ পড়ি, তখন তো বসে
থাকি,কিন্তু তখন কি রাসূল আসেন না? আর
তখন আমরা
কেন দাড়াইনা?
বিদআতিঃ-
বাবা! তুমি এইটা বুঝবানা!
মুরীদঃ-
হুজুর! শেষে মুনাজাতটা কেন আপনিই
করলেন? রাসূল আসছেন উনাকে দিয়ে
মুনাজাতটা না
করিয়ে আপনিই মুনাজাতটা করে ফেললেন,
কিন্তু
কেন?
বিদআতিঃ-
বাবা!তুমি এইটা বুঝবানা!
অতপর,
তাবারুকটা “মুরীদ” পীরকে আগে না দিয়ে
নিজের
থালায় নিয়ে নিল।
এবার..
বিদআতিঃ- পীরের কারামত!! 
বেটা বেয়াদব! পীরকে না দিয়ে আগে
খেতে নেই কোন কিছু তো জানিস না?
মুরীদঃ এইটা আপনি বুঝবেন না!! 
হুজুর! রাসূল (সা) এর উপস্থিতিতে আপনি
মুনাজাত করলে সেটি বেয়াদবি না!! এখন
চাপাবাজি করছেন!! হুজুর! নবী এলেন আপনি কি দেখেছেন? দেখে থাকলে তো আপনি সাহাবী আর যদি না দেখন তাহলে তো আপনি মিথ্যুক!! কেন বল্লেন নবী এসেছেন??। 

Wednesday, April 5, 2017

দেওয়ানবাগী কাদিয়ানী অন্তঃমিল নয় ফডোকপি অবস্থা !!!

দেওয়ানবাগী কাদিয়ানী অন্তঃমিল নয় ফডোকপি অবস্থা !!!

ভন্ড দেওয়ানবাগী নিজেকে রাসূল এমনকি খোদাও দাবী করে (নাউযুবিল্লাহ)
এটা নিয়ে অনেক লেখার দরকার নেই। প্রমাণিত সত্য যে এই ভন্ড এমন আরো অনেক জঘন্য কথাবার্তা বলে বলদ মার্কা মুরীদ পাইয়া গেছে।

আর এক ভন্ড মির্জা গোলাম আহমেদ কাদিয়ানী। এইডাও নিজেকে নবী, মাসীহ, ইমাম মাহদী দাবী করে। (নাউযুবিল্লাহ)

অথচ এই ভন্ডর মুরীদরা নিজেদের হক পথের দাবী করে।
এমন জ্বলন্ত ভন্ডগুলো কিভাবে হক্বপথের দাবী করে,  আর মাথা ছাড়া মুরীদগুলো কিভাবে এমন পশুমার্কা ভন্ডগুলোর কথাও বিশ্বাস করে তাও হক্বের পথ হিসেবে।

মানুষকে আল্লাহ বার বার আকল দিয়ে চিন্তা ভাবনা করার তাগিদ দিয়েছেন। আমরা মানুষ  নেয়ামত আকলকে এই সকল ভন্ডদের কাছে বর্গা দিয়ে দিয়েছি।

ভাংগারী দোকান থেকে সদাই করলে ভাংগারী মার্কা সদাই্-ই পাওয়া যায়। আল্লাহ আমাদেরকে সকল প্রকারের ভন্ড থেকে রক্ষা করুন ... আমিন।

”তোমাদের জন্যে পৃথিবীতে যেসব রং-বেরঙের বস্তু ছড়িয়ে দিয়েছেন, সেগুলোতে নিদর্শন রয়েছে তাদের জন্যে যারা চিন্তা-ভাবনা করে।” (সূরা নাহল, আয়াত ১৩)

Friday, February 24, 2017

ভণ্ডপীর দেওয়ানবাগী সম্পর্কে লোমহর্ষক ১৯টি তথ্য !

ভণ্ডপীর দেওয়ানবাগী সম্পর্কে লোমহর্ষক ১৯টি তথ্য !

ভন্ডপীর দেওয়ানবাগীর স্বরুপ উন্মোচনের স্বার্থে তার বলা কিছু কথা, তার অপকর্ম এবং তার সম্পর্কে ইসলামিক ফাউন্ডেশনের ফতোয়া নিচে তুলে ধরা হলো :
১. “‘দেওয়ানবাগী স্বপ্নে দেখেন ঢাকা এবং ফরিদপুরের মধ্যবর্তী স্থানে এক বিশাল বাগানে ময়লার স্তূপের উপর বিবস্ত্র অবস্থায় নবীজীর প্রাণহীন দেহ পড়ে আছে (নাওযুবিল্লাহ)। মাথা দণি দিকে, পা উত্তর দিকে প্রসারিত। বাম পা হাঁটুতে ভাঁজ হয়ে খাড়া আছে। আমি উদ্ধারের জন্য পেরেশান হয়ে গেলাম। তাঁর বাম পায়ের হাঁটুতে আমার ডান হাত দিয়ে স্পর্শ করার সাথে সাথে দেহে প্রাণ ফিরে এল। এবং তিনি আমাকে বললেন, ”হে ধর্মের পুনর্জীবনদানকারী, ইতিপূর্বে আমার ধর্ম পাঁচবার পুনর্জীবন লাভ করেছে।”
( সূত্র: রাসূল কি সত্যিই গরিব ছিলেন-দেওয়ানবাগ থেকে প্রকাশিত )
২. “একদিন ফজরের পর মোরাকাবারত অবস্থায় আমার তন্দ্রা এসে যায়। আমি তখন নিজেকে লুঙ্গি-গেঞ্জি পরিহিত অবস্থায় রওজা শরীফের নিকট দেখতে পাই। দেখি রওজা শরীফের উপর শুকনা পাতা এবং আগাছা জমে প্রায় এক ফুট পুরুহয়ে আছে। আমি আরো ল্য করলাম, রওজা শরীফে শায়িত মহামানবের মাথা মোবারক পূর্ব দিকে এবং মুখমণ্ডল দণি দিকে ফিরানো। এ অবস্থা দেখে আমি আফসোস করতে লাগলাম। এমন সময় পাতার নীচ থেকে উঠে এসে এ মহামানব বসলেন। তার বুক পর্যন্ত পাতার উপর বের হয়ে পড়ে। তিনি আমার দিকে তাকিয়ে বললেন, আপনি দয়া করে আমার রওজা পরিষ্কার করে দেবেন না ? আমি বললাম, জী, দেব। তিনি বললেন, তাহলে দিন না। এভাবে বারবার তিনবার বলায় আমি এক একটা করেপাতা পরিষ্কার করে দেই। এরপর আমার তন্দ্রা ভেঙে যায়।”
( সূত্র: রাসূল কি সত্যিই গরিব ছিলেন-দেওয়ানবাগ থেকে প্রকাশিত )
৩. “দেওয়ানবাগী এবং তার মুরীদদের মাহফিলে স্বয়ং আল্লাহ্, সমস্ত নবী, রাসূল (সা), ফেরেস্তা, দেওয়ানবাগী ও তার মুর্শিদচন্দ্রপাড়ার মৃত আবুল ফজলসহ সমস্ত ওলি আওলিয়া, এক বিশাল ময়দানে সমবেত হয়ে সর্বসম্মতিক্রমে দেওয়ানবাগীকে মোহাম্মাদী ইসলামের প্রচারক নির্বাচিত করা হয়।
অত:পর আল্লাহ সবাইকে নিয়ে একমিছিল বের করে। মোহাম্মাদী ইসলামের চারটি পতাকা চারজনের_ যথাক্রমে আল্লাহ, রাসূল (সা), দেওয়ানবাগী এবং তার পীরের হাতে ছিল। আল্লাহ, দেওয়ানবাগী ও তার পীর প্রথম সারিতে ছিলেন। বাকিরা সবাই পিছনের সারিতে। আল্লাহ নিজেই স্লোগান দিয়েছিলেন_ ”মোহাম্মাদী ইসলামের আলো_ ঘরে ঘরে জ্বালো।”
(সূত্র: সাপ্তাহিক দেওয়ানবাগী পত্রিকা- ১২/০৩/৯৯ )
৪. দেওয়ানবাগীর এক পা-চাটা চাকর বলে (নাম মাওলানা আহমাদুল্লাহ যুক্তিবাদী,)
“আমি স্বপ্নে দেখলাম হযরত ইব্রাহীম (আ) নির্মিত মক্কারকাবা ঘর এবং স্বয়ং রাসূলুল্লাহ (সা) বাবে রহমতে হাজির হয়েছেন। আমাকে উদ্দেশ্য করে নবী করীম (সা) বলছেন_”তুমি যে ধারণা করছ যে, শাহ্ দেওয়ানবাগী হজ্জ করেননি আসলে এটা ভুল। আমি স্বয়ং আল্লাহর নবী মোহাম্মাদ (সা) তার সাথে আছিএবং সর্বণ থাকি। আর কাবা ঘর ও তার সামনে উপস্থিত আছে। আমার মোহাম্মাদী ইসলাম শাহ্দেওয়ানবাগী প্রচার করতেছেন।
আমি যুক্তি খণ্ডনে যাবো না ।শুধু আপনাদের উপর বিষয়গুলো ছেড়ে দিলাম । কতো বড় ভণ্ড হলে এরকম বলতে পারে । একটা কথাও কোরআন হাদীস কিংবা ইজমা কিয়াসের ভিত্তিতে নয় । সব মনগড়া ।
৫) ভণ্ড পীরের কিছু লোমহর্ষক তথ্য :
“তথাকথিত ছুফী সম্রাট দেওয়ানবাগী পীর জাল দলিলের মাধ্যমে জোর পূর্বক কয়েক কোটি টাকার জমি দখল করে নিয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন জমির প্রকৃত মালিক আব্দুল গফুর। গত কয়েকমাস আগে ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটি মিলনায়তনে আয়োজিত এক সাংবাদিক সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে তিনি এই অভিযোগ করেন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন তার ছেলে মহিদুল ইসলাম, শহিদুল ইসলাম, শফিকুল ইসলাম প্রমুখ।
লিখিত বক্তব্যে তিনি বলেন, ১৯৮৫ সালে বাংলাদেশ ব্যাংকের পিছনে ১৪২/১ দক্ষিণ কমলাপুরে ৮০ শতাংশ ভূমি ক্রয় করে। জমিটি ক্রয়ের পর থেকেই তথাকথিত পীর দেওয়ানবাগী তার সন্ত্রাসী বাহিনী দিয়ে দখলের পাঁয়তারা করে আসছিল। ভন্ডপীর দেওয়ানবাগীর সন্ত্রাসী বাহিনী গত ২০০২ সালে রাতের অন্ধকারে বাড়ির ভাড়াটিয়াদের জোর পূর্বক বেরকরে জমিটি দখল করে নেয়। ভূমি অফিসের কিছু অসাধু অফিসারে সাথে অবৈধ লেনদেন করে তিনি কাগজপত্র তৈরি করেন। জমি দখলের বিরুদ্ধে জজ কোর্টে মামলা করলে কোর্ট গত ২০০৩ সালে স্থগিতাদেশ প্রদান করে। উল্লেখ্য যে দেয়ানবাগীও তার সন্ত্রাসীচক্র উক্ত বাড়িতে বর্তমানে উটের খামার করে। এখন নিয়মিত শতাধিক সন্ত্রাসী সেখানে অবস্থান করে। তার সন্ত্রাসী বাহিনী মামলা উঠিয়ে নেয়ার জন্য নিয়মিত মোবাইলে হুমকি দিয়ে আসছে। এ ব্যাপারে মতিঝিল থানায় একাধিক জিডি করা হয়েছে।
তিনি আরো অভিযোগ করে বলেন, উক্ত জমির উপর আদালতের স্থগিতাদেশ থাকার পরেও গত ১৪ সেপ্টেম্বর তার স্ত্রীকে সমাধি করা হয়। তার পালিত সন্ত্রাসীদের ভয়ে কেউ মুখ খুলতে সাহস পায় না। তিনি মতিঝিল ও আরামবাগ এলাকায় একাধিক বাড়ি দখল করে নিয়েছেন। তাই জমি ফেরত পেতে জমির প্রকৃত মালিক আব্দুল গফুর প্রশাসনের সহায়তা কামনা করেন।” ( দৈনিক সংগ্রাম )
৭ , “আমার অসংখ্য মুরিদান স্বপ্ন ও কাশফের মাধ্যমে আল্লাহর দীদার লাভ করেছে। আমার স্ত্রী হামিদা বেগম ও আমার কন্যা তাহমিনা এ খোদা স্বপ্নের মাধ্যমে আল্লাহকে দাড়ী গোফ বিহীন যুবকের ন্যায় দেখতে পায়।” (নাউযুবিল্লাহ) –সুত্রঃআল্লাহ কোন পথেঃ২৩
৮ , সাংবাদিক সম্মেলনে সে বলে “শুধু আমি নই, আমার স্ত্রী কন্যা সহ লক্ষ্য লক্ষ্য মুরিদানও আল্লাহকে দেখেছেন” –সুত্রঃ সাপ্তাহিক দেওয়ানবাগ।
৯ , “দেওয়ানবাগে আল্লাহ ও সমস্ত নবী রাসূল, ফেরেস্তারা মিছিল করে এবং আল্লাহ নিজে শ্লোগান দেন।” –সুত্রঃ সাপ্তাহিক দেওয়ানবাগ, মার্চ ১৯৯৯ ইং।
১০ , “আমি এক ভিন্নধর্মের লোককে ওজীফা ও আমল বাতলে দিলাম। ক’দিন পর ঐ বিধর্মী স্বপ্নযোগে মদিনায় গেল। নবিজীর হাতে হাত মিলালো। নিজের সর্বাঙ্গে জিকির অনুভব করতে লাগলো। তারপর থেকে ওই বিধর্মী প্রত্যেক কাজেই অন্তরে আল্লাহর নির্দেশ পেয়ে থাকে।” (নাউযুবিল্লাহ) –সুত্রঃ মানতের নির্দেশিকাঃ২৩, সূফী ফাউন্ডেশন, ১৪৭ আরামবাগ, ঢাকা।
১১, “কোন লোক যখন নফসীর মাকামে গিয়ে পৌঁছে, তখন তাঁর আর কোন ইবাদাত লাগেনা।” –আল্লাহ কোন পথে,পৃঃ ৯০
১২ ,“জিব্রাইল বলতে আর কেও নন, স্বয়ং আল্লাহ-ই জিব্রাইল।”–সুত্রঃ মাসিক আত্মার বাণী, ৫ম বর্ষ, ১ম সঙ্খ্যাঃ২১
১৩ , “সূর্যোদয় পর্যন্ত সাহরী খাওয়ার সময়। সুভে সাদেক অর্থ প্রভাতকাল। হুজুরেরা ঘুমানোর জন্য তারাতারি আযান দিয়ে দেয়। আপনি কিন্তু খাওয়া বন্ধ করবেন না। আযান দিয়েছে নামাজের জন্য। খাবার বন্ধের জন্য আযান দেয়া হয়না।” (নাউযুবিল্লাহ) –সুত্রঃ মাসিকআত্মার বাণী, সংখ্যাঃ নভেম্বরঃ ৯৯, পৃঃ ৯

“ ১৪ , মানুষের জন্ম থেকে মৃত্যু পর্যন্ত হায়াতে জিন্দেগী কে পুলসিরাত বলা হয়।” –সুত্রঃ আল্লাহ কোন পথে, তৃতীয় সংস্করনঃ ৬০
১৫ ,“ আল্লাহ থেকে বিচ্ছিন্ন হওয়ার ফলে আত্মা এক বিচ্ছেদ যাতনা ভোগ করতে থাকে। প্রভূর পরিচয় নিজের মাঝে না পাওয়া অবস্থায় মৃত্যু হলে সে বেঈমান হয়ে কবরে যাবে। তখন তাঁর আত্মা এমন এক অবস্থায় আটকে পড়ে যে, পুনরায় আল্লাহর সাথে মিলনের পথ খুঁজে পায়না। আর তা আত্তার জন্য কঠিন যন্ত্রনাদায়ক। আত্মার এরূপ চিরস্থায়ী যন্ত্রনাদায়ক অবস্থাকেই জাহান্নাম বা দোযোখ বলা হয়।”(নাউযুবিল্লাহ) –আল্লাহ কোন পথেঃ ৪৪
১৬ ,দেওয়ানবাগী নিজেকে ইমাম মাহদী দাবী করেন। অতঃপর দরুদে মাহদী রচনা করে্ন ।
দরুদে মাহদীঃ (নাউযুবিল্লাহ) “আল্লাহুম্মা ছাল্লী আ’লা সাইয়্যিদিনা মুহাম্মাদিউ ওয়ালা আ’লা ইমাম মাহদী রাহমাতাল্লিল আলামীন ওয়ালিহী ওয়াছাল্লীম। ”
১৭ , ময়লার স্তূপে অর্ধমৃত ও বিবস্ত্র অবস্থায় রাসুল (সাঃ) কে দেখেছি। (নাউযুবিল্লাহ) মীন যালীক
১৮ , দেওয়ানবাগী ১৯৮৯ সালে নাকি একটি ব্যতিক্রমধর্মী স্বপ্ন দেখে ফেলেন। এ স্বপ্ন সম্পর্কে তিনি বলেন,
“ আমি দেখি ঢাকা ও ফরিদপুরের মধ্যবর্তী স্থানজুড়ে এক বিশাল বাগান ফুলে-ফলে সুশোভিত। ওই বাগানে আমি একা একা হেটে বেড়াচ্ছি। হঠাত বাগানের এক স্থানে একটি ময়লার স্তূপ আমার চোখে পড়ে। আমি দেখতে পাই ওই ময়লার স্তূপে রাসুল (সাঃ) এর প্রানহীন দেহ মোবারক পড়ে আছে। তাঁর মাথা মোবারক দক্ষিন দিকে আর পা মোবারক উত্তর দিকে প্রসারিত। বাম পা মোবারক হাটুতে ভাজ হয়ে খারা অবস্থায় রয়েছে। আমি তাকে উদ্ধার করার জন্য পেরেশান হয়ে গেলাম। আমি এগিয়ে গিয়ে তাঁর বাম পায়ের হাটুতে আমার ডান হাত দ্বারা স্পর্শ করলাম। সাথে সাথেই তাঁর দেহ মোবারকে প্রাণ ফিরে এল। তিনি চোখ মেলে আমার দিকে তাকালেন। মূহুর্তের মধ্যেই রাসূল (সাঃ) সুন্দর পোশাকে সুসজ্জিত হয়ে গেলেন। তিনি উঠে বসে হাসি মুখে আমার দিকে তাকিয়ে বললেন, হে ধর্ম পূনর্জীবন দানকারী! ইতমধ্যেই আমার ধর্ম আরও পাঁচবার পূনর্জীবন লাভ করেছে। একথা বলে রাসূল (সাঃ) উঠে দাঁড়িয়ে হেটে হেটে আমার সাথে চলে এলেন। এরপর আমার ঘুম ভেঙে গেল। ” (নাউযুবিল্লাহ)–সুত্রঃ দেওয়ানবাগীর স্বরচিত গ্রন্থ
১৯ , “রাসূল স. সত্যিই কি গরীব ছিলেন?” ১১-১২ প্রকাশকালঃ জুন ১৯৯৯।
ভন্ড দেওয়ানবাগী সম্পর্কে ইসলামিক ফাউন্ডেশনের ফতোয়াঃ
ক. দেওয়ানবাগের পীর নিতান্তই গোমরাহ ও পথভ্রষ্ট।
খ. ধর্মীয় দীক্ষা গ্রহন করাতো দূরের কথা, এর সাহায্য সহযোগিতা করা, সান্নিধ্যে উঠা-বসা বরং তাঁর সাথে কোন রকম সংশ্রব রাখা হারাম।
গ. আর তাঁর অপপ্রচার প্রতিহত করা প্রত্যেক মুসলমানের কর্তব্য।
(১৭৬৭ ইসঃফাঃ সং ও দাওয়াহ/৩/৮৭/ ৫১২২ তাং ৫/৯/৯১ ইং। )
এত কুকর্মের পরেও বিনা বাধায় তাঁর কাজ সে করে চলেছে। সরকারের পক্ষ থেকে কোন রকম বাধার সম্মুখীন না হওয়ায় দিন দিন তাঁর অপশক্তি ক্রমবর্ধমান ভাবে বৃদ্ধি পাচ্ছে। একটু খোঁজ নিলে এ রকম আরও হাজার হাজার গাজাখুরী মতবাদ শুনতে পারবেন, যা সেয় প্রতিদিন বিনা দ্বিধায় বলে চলেছেন।

সকল মুসলমানের ঈমানী দায়িত্ব এ সকল ফেৎনা সম্পর্কে তাওহীদ বাদী ঈমানদার মুসলমানকে সজাগ ও সতর্ক করা। তাই ফেইসবুক টুইটারে শেয়ার করে এই ভন্ড সম্পর্কে আপনার আশপাশের মানুষদের সতর্ক হতে সহায়তা করুন।

Monday, November 14, 2016

 ভন্ডপীরের ভন্ডামী এবং বাংলাদেশের কিশোরী ও নারী

ভন্ডপীরের ভন্ডামী এবং বাংলাদেশের কিশোরী ও নারী

নাঈমা জাহান (ছদ্মনাম) একজন কিশোরী। বাবা চাকুরিজীবি এবং মা গৃহিনী। বাপ-দাদা পূর্ব পুরুষের নিয়ম চলে আসছে পীরকে সম্মান করা। পীরের বাড়ি টাঙ্গাইল জেলায়। মাঝে-মধ্যে পীর সাহেব তাদের বাড়িতে আসে। বাড়িতে আসলে মা ও সে ভক্তের কদর না করেই পারে না। রান্না-বান্না সেরে পীর বাবার সেবা শ্রশুষা করতে ব্যস্ত থাকে। পীরের হাত-পা টিপে দেওয়া, বাতাস করা ও মজাদার খাবার প্রদান করা যেন পূর্ণের কাজ। বাবা চাকুরি করে সংসারের তেমন খবর নিতে পারে না। তাছাড়া অন্ধবিশ্বাস অন্তরে ঢুকে পড়েছে। পীর বাবার কদর করলে বহুত ফায়দা হবে। পীর বাবাও মাঝে মধ্যে নাঈমার শরীরে হাত বুলায়। নাঈমা লোক লজ্জার ভয় ও মা কর্তৃক পাওয়া পীরকে কিভাবে অসম্মান করবে ভেবে কূল পাচ্ছিল না। তবুও মাঝে মধ্যে বিরক্ত প্রকাশ করতো। একদিন তার মাকে বলে যে, আমি তোমার পীর বাবার সেবা করতে পারবো না। মা বলল, এ কথা মুখ দিয়ে আর কোন দিন বের করো না। পীরকে সম্মান করলে এ জীবনে উপকৃত হতে পারবে অন্যদিকে আখিরাতেও নাজাত পাবে। একদিন সে তার বাবার সামনে ঘটনাটি খুলে বলে। বাবা পীরকে বাড়ি থেকে স্ব-সম্মানে বের করে দেয়। এরপর থেকে কোন দিন সে পরিবারে কোন পীর আসতে পারে নি। কিন্তু কোন শাস্তি দেওয়া হয় নি পীরকে লোক লজ্জার ভয়ে। গত ২৬ জুলাই শেরপুর জেলার ঝিনাইগাতীতে থানা পুলিশ ময়মনসিংহ জেলার কোতোয়ালি থানার গোপদিয়া গ্রামের সাইফুল
ইসলাম (৩৫) নামের এক ভন্ডপীরকে
গ্রেফতার করে। এ সংবাদ বিভিন্ন
জাতীয় দৈনিকে প্রকাশিত হয়।
ভন্ডপীর সংশি¬ষ্ট এলাকায় রাকিবুল
হাসান ওরয়ে রোকনের বাসায়
আত্মীয়তার সুবাদে বেশ কিছু দিন
যাবত অবস্থান করছিলো। সেখানে
এক
মহিলা দালালের মাধ্যমে বাসার
পার্শ্ববর্তী গোল্ডেন হাইস্কুলের
মেসের ছাত্রীদের পীরের তরিকা
নিতে উদ্বুদ্ধ করে। ওই ভন্ডপীর
ছাত্রীদের বাইয়াত গ্রহণ করে
কারো
কাছে না বলার জন্য সতর্ক করে দেয়।
পীরের কোন কথা বললে ক্ষতি হবে।

সব কথা বলার পর ভন্ড পীর তার হাত
পা
টিপে দেওয়ার জন্য ছাত্রীদের বলে।
এমনকি অসামাজিক কর্মকান্ডের
প্রস্তাব দেয়। ছাত্রীরা এ প্রস্তাব
প্রত্যাখান করে স্কুল শিক্ষকদের
জানায়। পরে শিক্ষকরা বিষয়টি
সংশি¬ষ্ট উপজেলা নির্বাহী
কর্মকর্তা
ও থানা পুলিশকে জানালে পুলিশ
ভন্ড
পীরকে গ্রেফতার করে কোর্টে
পাঠায়।
এ ধরনের ঘটনা দেশে ঘটেই চলেছে।
যা
মিডিয়ায় প্রকাশিত হয় না। অন্য
দিকে
গ্রামের মানুষ নিজেদের মান
ইজ্জতের
ভয়ে ঘটনাটি প্রকাশ করে না।
আধুনিক
জ্ঞান বিজ্ঞানের যুগেও গ্রাম
গঞ্জের মানুষ কুসংস্কার থেকে বের
হতে পারে নি। পীরের নাম শুনলে
দল
বেঁধে যায় পীরের নিকট চিকিৎসা

আগাম ভবিষৎবাণীর জন্য। এতে
ভন্ডপীর
বাবা সুন্দরী নারী দেখলে নানা
ভাবে যৌন হয়রানি করে থাকে।
অনেক নারী ভয়ে তা বলতে পারে
না। অথচ ওই ভন্ডপীরদের অধিকাংশ
ধর্মীয় জ্ঞান সম্বন্ধে অজ্ঞ। নামায
পড়ে না। রোজা রাখে না। শুধু
গাঁজা
খায়। গাণ গায়। তাবিজ কবজ বিক্রি
করে অনেক টাকা হাতিয়ে নেই।
ওরস
শরীফ ও দরবার তৈরীর নামে অনেক
টাকা কথিত ভক্তদের নিকট থেকে
বিভিন্ন কায়দায় নিয়ে থাকে।
বেশির ভাগই ঠকে নারীরা। তৃণমূল
পর্যায়ের কতই না নারী কথিত
পীরদের
হাতে প্রতিদিন বিভিন্ন কায়দায়
নির্যাতিত হচ্ছে।
আমরা কাজী ইমদাদুল হক রচিত
‘আবদুল¬াহ’ উপন্যাসে সে যুগের
ভন্ডপীরদের বাস্তব চিত্র দেখতে
পায়।
এ যুগেও সে সময়ের চিত্র ফুটে ওঠছে।
ভন্ডপীরেরা অনেক সময় বিভিন্ন
নামে
সমিতি ও সংস্থা গঠন করে ভক্তদের
নিকট থেকে অনেক টাকা হাতিয়ে
নেয়। ২৪ মার্চ ২০০৮ ইং তারিখে
ঢাকা রিপোটার্স এসোশিয়সনে এক
সাংবাদিক সম্মেলনে ৩০ জন
প্রতারণার শিকার নারী
লালবাগের
তথাকথিত পীর রেশমা ও তার
সহযোগীদের গ্রেফতারের দাবি
জানান এনজিওর নামে অর্থ
আত্মসাতের অভিযোগে। (দৈনিক
ইত্তেফাক, ২৫ মার্চ ২০০৮ ইং)।
সাধারণ মানুষকে এ ভন্ডপীরের হাত
থেকে রেহাই পাওয়ার জন্য
সচেতনতা
বৃদ্ধি করতে হবে। প্রয়োজনে বিভিন্ন
বেসরকারি সংস্থা গণ নাটক ও
ভিডিও
চিত্রের মাধ্যমে ভন্ডপীরের কুফল
সম্বন্ধে সাধারণ মানুষকে সচেতন
করতে
পারে। মসজিদের ইমামগণও জুমআর
নামাযের খুতবার সময় এ বিষয়ে বক্তব্য
রাখতে পারে ন। আসুন আমরা সবাই এ
বিষয়ে এক যোগে কাজ করি।