Showing posts with label ভ্রান্ত মতবাত. Show all posts
Showing posts with label ভ্রান্ত মতবাত. Show all posts

Saturday, December 28, 2019

এক‌ নজরে মিজানুর রহমান আজহারির কয়েকটি গোমরাহী মাতবাদ

এক‌ নজরে মিজানুর রহমান আজহারির কয়েকটি গোমরাহী মাতবাদ

  • এক‌ নজরে মিজানুর রহমান আজহারির কয়েকটি গোমরাহী মাতবাদ

১) তারাবির নামাজ ৪ রাকাত পরলেও হয়ে যাবে।(নাউজুবিল্লাহ)।
এই জঘন্য ফতোয়া এই জ্ঞান পাপীর আগে আর কোন আলেম কখনো দিয়েছেন বলে আমার জানা নাই।

২) সুন্নতে মুয়াক্কাদা নামাজ না পড়লেও কোন গুনাহ হবেনা।(নাউজুবিল্লাহ)
অথচ এমন ফতোয়া কোন ফাসেক ব্যক্তি ব্যতীত কোন নিম্নমানের আলেমও কখনো দিতে পারেনা।

৩) মহিলারা রাস্তা-ঘাটে, হাট-বাজারে যেখানেই যাবে চেহারা ও হাত খোলা রাখবে কোন সমস্যা নেই।
তার মতে চেহারার পর্দা করা কোনো জরুরী বিষয় নয়।(নাউজুবিল্লাহ)

৪) স্যাটেলাইটের মাধ্যমে মহিলাদেরকে বয়ান শোনানো জায়েজ।(নাউজুবিল্লাহ)
তাহলে আপনি নিজেই মহিলাদের প্যান্ডেলে গিয়ে বয়ান করলেই তো পারেন। পর্দার দরকার কি?

৫) রসূল (সাঃ) মক্কী জীবনে টেষ্ট ইনিংস খেলেছেন, আর মাদানী জীবনে ছক্কা মেরেছেন।
বল বাউন্ডারির বাইরে পাঠিয়েছেন।(নাউজুবিল্লাহ)
আচ্ছা ভাই আজহারী! আপনি কি রসূলের জীবনকে ক্রিকেট খেলার মাঠ মনে করেছেন নাকি?

৬) রসূল (সঃ) এর বডি ছিল বডি বিউল্ডারদের মত সিক্স প্যাক। (নাউজুবিল্লাহ)

৭) খাদিজাতুল কুবরা হলেন তিনবার
তালাক খাওয়া বৃদ্ধা মহিলা। তিনি ছিলেন পৌঢ়া।
 ইনটেক বা ভার্জিন ছিলেন না। (আসতাগফিরুল্লাহ)।
কোনো হাদিসের কিতাবে খাদিজাতুল কুবরা (রাঃ) এর তালাকের কথা পাওয়া যায় নি, হাদিসে শুধুমাত্র বিধবা কথাটি পাওয়া যায়।
আল্লাহ্ মাফ করুন। অথচ রাসুল সাঃ খাদিজাতুল কুবরা (রাঃ) কে তাহেরা বলে ডাকতেন। যার অর্থ হল পুত:পবিত্রা নারী। তাঁর জীবদ্দশায় আল্লাহ তায়ালা তাকে সালাম পাঠিয়েছেন।

৮) আল্লাহ ও রসূল (সঃ) এর শানে আবে হালা শব্দ ব্যবহার।

৯) আলী (রাঃ) শানে বেয়াদবীঃ  মদ খেয়ে মাতাল হয়ে নামাজে দাঁড়িয়ে মাতলামি করে মাওলা আলী। (নাউজুবিল্লাহ)

এসব বিবেকহীন কথা বলার পরেও যারা আজহারিকে নির্দোষ প্রমাণ করতে উঠে পড়ে লেগেছে, আলেম ওলামাদেরকে গালাগালি করতেছে, তারা গন্ড মূর্খ ছাড়া আর কিছুই নয়।

Thursday, October 4, 2018

এক নজরে ডাঃ জাকির নায়েকের কুরআন সুন্নাহ বিরোধী বক্তব্য নিচে রেফারেন্সসহ তুলে ধরা হলো

এক নজরে ডাঃ জাকির নায়েকের কুরআন সুন্নাহ বিরোধী বক্তব্য নিচে রেফারেন্সসহ তুলে ধরা হলো

ডাঃ জাকির নায়েক তুলনামুলক ধর্ম বিশ্লেষণের মাধ্যমে যে দ্বীন প্রচারের কাজ করছেন এটা খুবই প্রশংসনীয় উদ্যোগ। আমরা এটাকে স্বাগত জানাই। তিনি এর মাধ্যমে অনেক বড় দ্বীনী খেদমত করছেন, সেই সাথে সুন্নতের বৈজ্ঞানিক বিশ্লেষণ নিয়ে তার লেকচারগুলিও বেশ উপকারী ও বড় দ্বীনী খেদমত । তিনি যেই বিষয়ে অভিজ্ঞ সেই বিষয় অনুযায়ী তার বিশ্লেষণ চমৎকার।

কিন্তু মাসআলা মাসায়েলের ক্ষেত্রে তার ব্যাখ্যা ও সমাধান অধিকাংশ ক্ষেত্রেই সহীহ নয়। কারণ তিনি
তো আর মুফতী নন। বা ইসলামী ফিক্বহ ও তার মূলনীতি সম্পর্কে একাডেমিক বা কোন বিশেষজ্ঞের কাছ থেকে শিক্ষাপ্রাপ্ত নন, তাই তার এই ক্ষেত্রে ব্যাখ্যাগুলি শরয়ী মূলনীতি অনুযায়ী সঠিকতার মানদন্ডে উত্তীর্ণ হতে পারছে না। ফলে আমাদেরকে বাধ্য হয়েই তার বিভ্রান্তিকর বক্তব্য সম্পর্কে জনসাধারণকে সচেতন করতে হচ্ছে। নিচে তার কিছু বিভ্রান্তিকর বক্তব্য রেফারেন্স সহ তুলে ধরা হলো।

👉 জাকির নায়েক বলেন হুর পুরুষ এবং মহিলা উভয় প্রকারের হবে (নাউযুবিল্লাহ)। রেফারেন্সঃ
(লেকচার সমগ্র,পীস পাব:১ম ভ:পৃ: নং -৩৫৯)
ইংলিশ ভিডিও লিংক youtu.be/wqrgOY4nufQ
বাংলা লিংক https://youtu.be/kmKkRsJc260

হুর দ্বারা নারীসঙ্গিনী উদ্দেশ্য, পুরুষ হুর বলতে কিছু নেই তার প্রমাণ এই লিংকে দেখুন-https://m.facebook.com/story.php?story_fbid=193500638044471&id=100021536070902

👉 পৃথিবীর আকৃতি নিয়ে জাকির নায়েকের কুরআনের আয়াতের ভুল ব্যাখ্যা। রেফারেন্সঃ {খুতুবাতে জাকির নায়েক, কুরআন আওর জাদিদ সায়েন্স- ৭৩-৭৪} ভিডিও লিংকঃ youtu.be/8MonirZHCZQ

পৃথিবীর আকৃতি নিয়ে জাকির নায়েকের ভুল ব্যাখ্যার জবাব এই লিংকে দেখুন- https://m.facebook.com/story.php?story_fbid=143554299705772&id=100021536070902

👉জাকির নায়েক বলেন জুমআর খুতবা
মাতৃভাষায় দেয়া জরুরী (নাউযুবিল্লাহ ) ।
রেফারেন্সঃ (লেকচার সমগ্র ২ পৃষ্ঠা১২১প্রকাশনায় জাকির নায়েক পাবলিকেশন্স বাংলাবাজার ঢাকা )
ভিডিও লিংকঃ youtu.be/XMQeBaSpVAI

মাতৃভাষায় খুতবা দেয়া জরুরী নয় বরং জঘন্য বেদআত তার প্রমাণ এই লিংকে দেখুন-https://m.facebook.com/story.php?story_fbid=146994739361728&id=100021536070902

👉 জাকির নায়েক বলেন পবিত্র কুরআন স্পর্শ
করার জন্য অযুর প্রয়োজন নেই (নাউযুবিল্লাহ)।
রেফারেন্সঃ (লেকচার সমগ্র,ভলিউম ২,পৃষ্ঠা ৬২৬)
ভিডিও লিংকঃ youtu.be/_PbHDt-eags

অযু ছাড়া পবিত্র কুরআন স্পর্শ করা মারাত্মক গোনাহ কারণ এটা কুরআন ও সহীহ হাদীস বিরোধী তার প্রমাণ এই লিংকে দেখুন-https://m.facebook.com/story.php?story_fbid=144886262905909&id=100021536070902

👉 জাকির নায়েক বলেন শুধু মুসলিম পরিচয় দিতে হবে এর সাথে অন্য পরিচয় দেয়া যাবে না।রেফারেন্স ভিডিও লিংকঃ youtu.be/IGcF8qyWqSk
https://youtu.be/1eN1YcKsWYk

মুসলিম পরিচয়ের সাথে অন্য পরিচয়ও দেয়া যাবে কারণ এটা কুরআন হাদীস ও যুক্তি দ্বারা প্রমাণিত
তার দলিল এই লিংকে দেখুন-
https://m.facebook.com/story.php?story_fbid=224372441623957&id=100021536070902

👉 জাকির নায়েক বলেন নারী পুরুষের নামাযের
মধ্যে কোন পার্থক্য নেই (নাউযুবিল্লাহ)। রেফারেন্সঃ (লেকচার সমগ্র ২ খণ্ড ১১৮ পৃষ্ঠা প্রকাশনায় ডাঃ জাকির নায়েক পাবলিকেশন্স বাংলাবাজার ঢাকা)
ভিডিও লিংকঃ https://m.youtube.com/watch?v=KofLPnMpNV0

নারী ও পুরুষের নামায আদায় পদ্ধতির মাঝে
কিছুটা পার্থক্য রয়েছে যা সহীহ হাদীস দ্বারা
প্রমাণিত তার দলিল এই লিংকে দেখুন-https://m.facebook.com/story.php?story_fbid=151952285532640&id=100021536070902

👉 জাকির নায়েক বলেন এক সাথে তিন তালাক
দিলে এক তালাক হবে। রেফারেন্সঃ {খুতুবাতে জাকির নায়েক, বহাওয়ালায়ে হাকীকতে জাকির নায়েক-৩৩১} ভিডিও লিংকঃ youtu.be/SYv2Ra9ptUM

এক সাথে তিন তালাক দিলে ‎তিন তালাকই পতিত হয় এক তালাক নয় যা অগণিত হাদিস এবং সাহাবায়ে কিরামের আমল দ্বারা সুস্পষ্টভাবে প্রমাণিত তার দলিল এই লিংকে দেখুন-https://m.facebook.com/story.php?story_fbid=143014466426422&id=100021536070902

👉 জাকির নায়েক বলেন ‘বিষ্ণু’ ও ‘ব্রহ্ম’ বলে আল্লাহকে ডাকা বৈধ (নাউযুবিল্লাহ)। রেফারেন্স
( ডাক্তার জাকির নায়েক প্রণীত “ইসলাম আওর আলমী আখওয়াত”-৩৩) ভিডিও লিংকঃ youtu.be/dbIVkusNdg8

বিষ্ণু ব্রহ্ম বলে আল্লাহকে ডাকা কুরআন হাদীস বিরোধী তার প্রমাণ এই লিংকে দেখুন-https://m.facebook.com/story.php?story_fbid=194260134635188&id=100021536070902

👉 জাকির নায়েক বলেন মহিলাদের মসজিদে
গিয়ে নামায পড়া উচিত ঘরে নামায পড়া ঠিক নয়। (নাউযুবিল্লাহ)। রেফারেন্সঃ (লেকচার সমগ্র, পৃষ্ঠা ১৯৭ সালসাবীল পাবলিকেশন্স বাংলাবাজার ঢাকা) ভিডিও লিংকঃ youtu.be/RE4SxPigcB4

মহিলাদের মসজিদে এসে নামায পড়ার চেয়ে ঘরে নামায পড়া উত্তম ও নিরাপদ তার প্রমাণ এই লিংকে দেখুন-https://m.facebook.com/story.php?story_fbid=157909664936902&id=100021536070902

👉 মাতৃগর্ভে নবজাতকের লিঙ্গ নিয়ে জাকির নায়েকের বিভ্রান্তিকর বক্তব্য। রেফারেন্সঃ(ইসলাম পর চালিস ইতিরাজাত-১৩০, ডাঃ জাকির নায়েক, আরীব পাবলিশার্স, দিল্লী)

মাতৃগর্ভে নবজাতকের লিঙ্গ বিষয়ে জাকির নায়েকের বিভ্রান্তিকর বক্তব্যর জবাব এই লিংকে  দেখুন-https://m.facebook.com/story.php?story_fbid=142350439826158&id=100021536070902

👉 বর্তমানের গণতন্ত্র নির্বাচন পদ্ধতিকে জাকির নায়েক ইসলামী নির্বাচন পদ্ধতি বললেন(নাউযুবিল্লাহ)। রেফারেন্সঃ (ডাঃ জাকির নায়েক প্রণীত “ইসলাম
মে খাওয়াতিন কি হুকুক”-৫০)
ভিডিও লিংকঃ youtu.be/KmBTLp-Qy

গণতন্ত্র নির্বাচন পদ্ধতিকে জাকির নায়েকের ইসলামী নির্বাচন পদ্ধতি বানানোর দলিল যে ভুল তার প্রমাণ এই লিংকে দেখুন-https://m.facebook.com/story.php?story_fbid=142686789792523&id=100021536070902

👉 জাকির নায়েক বলেন আট রাকাত তারাবীও
পড়া যাবে (নাউযুবিল্লাহ)। ভিডিও লিংকঃ
https://youtu.be/frJ13EzMDLA

আট রাকাত তারাবীর কোন দলিল সহীহ হাদীস
নেই তার প্রমাণ এই লিংকে দেখুন-https://m.facebook.com/story.php?story_fbid=191004708294064&id=100021536070902

👉 জাকির নায়েক বলেন মহিলারা হায়েজ
অবস্থায় কুরআন পড়তে পারবে (নাউযুবিল্লাহ) ।
ভিডিও লিংকঃ youtu.be/Nj2GQK8hl3I

হায়েজ অবস্থায় মহিলাদের কুরআন পড়া হারাম তার প্রমাণ এই লিংকে দেখুন-https://m.facebook.com/story.php?story_fbid=192473268147208&id=100021536070902

👉জাকির নায়েক পশ্চিমা বিশ্বের নারী পুরুষের
সমান অধিকার সাপোর্ট করতে গিয়ে কুরআনের আয়াতের অপব্যাখ্যা করলেন । রেফারেন্সঃ
(খুতুবাতে জাকির নায়েক-২৯৫, ফরীদ বুক ডিপো)
ভিডিও লিংকঃ youtu.be/FgiZTh8rZO4

জাকির নায়েকের পশ্চিমা বিশ্বের ‘সমানাধিকার’ নীতির সমর্থনে কুরআনের আয়াতের ভুল ‎ব্যাখ্যার  জবাব এই লিংকে দেখুন-https://m.facebook.com/story.php?story_fbid=169316620462873&id=100021536070902

👉জাকির নায়েক বলেন ইসলামে চারজন
মহিলা নবী এসেছেন (নাউযুবিল্লাহ)। রেফারেন্সঃ (লেকচার সমগ্র  পৃষ্ঠা 640 পরিবেশক
সালসাবীল পাবলিকেশন্স বাংলাবাজার ঢাকা )
ভিডিও লিংকঃ youtu.be/ZzSZvYjvT44

ইসলামে কোন মহিলা নবী আসেনি তার প্রমাণ
এই লিংকে দেখুন-https://m.facebook.com/story.php?story_fbid=170906763637192&id=100021536070902

👉 জাকির নায়েক বলেন শিয়াদের সাথে সুন্নিদের ধর্মীয় পার্থক্য নেই বরং রাজনৈতিক পার্থক্য (নাউযুবিল্লাহ)। রেফারেন্সঃ (ডাঃ জাকির নায়েক লেকচার সমগ্র, 313 পৃষ্ঠা পরিবেশকঃ সালসাবীল পাবলিকেশন্স, বাংলাবাজার ঢাকা)

শিয়াদের সাথে সুন্নিদের বহু ধর্মীয় পার্থক্য রয়েছে তার প্রমাণ এই লিংকে দেখুন-https://m.facebook.com/story.php?story_fbid=165871210807414&id=100021536070902

👉 হযরত ঈসা(আঃ)এর মাতা হযরত মারয়াম(আঃ) সম্পর্কে জাকির নায়েকের অপব্যাখ্যা। রেফারেন্সঃ {ডাঃ জাকির নায়েক প্রণীত “ইসলাম পর চালিস ইতিরাজাত”} ভিডিও লিংকঃ youtu.be/UxIaYMQtsDw

হযরত ঈসা(আঃ) এর মাতা হযরত মারয়াম(আঃ) সম্পর্কে জাকির নায়েকের অপব্যাখ্যার জবাব এই লিংকে দেখুন-https://m.facebook.com/story.php?story_fbid=142863663108169&id=100021536070902

আল্লাহ জাকির নায়েক ও তার অনুসারীদেরকে এই সমস্ত কুরআন সুন্নাহ বিরোধী কাজ থেকে ফিরে আসার তাওফীক দান করুন আমীন ইয়া রব্বাল আলামীন ।

Friday, July 28, 2017

মওদুদিবাদ-জামাতে ইসলাম এক ও অভিন্ন

মওদুদিবাদ-জামাতে ইসলাম এক ও অভিন্ন

জামাতে ইসলামি ধর্মদ্রোহী মুরতাদ মওদুদির নবী বিদ্বেষী কুফরি অাকিদাকে মুসলিম সমাজে বাস্তবায়ন করতেই প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। এবং সে লহ্ম্য ও উদ্দেশ্য নিয়েই কাজ করে যাচ্ছে। কিন্তু জামাতে ইসলামির ছাত্র সংঘঠন "বাংলাদেশ ছাত্র-শিবির" কর্মী ভাইদের কাছে যখন অামরা ধর্মদ্রোহী মুরতাদ মওদুদির নবী বিদ্বেষী কুফরি অাকিদাগুলো প্রমাণসহ
তুলে ধরি তখন তাদের অনেকেই বলেন,
"জামাতে ইসলামি মওদুদি সাহেবের অাকিদায় বিশ্বাসী নই"। অাসলে এসব কথা যে জামাত নেতাদের শিখানো মুখুস্ত বুলি, ষোলঅানা মিথ্যা, অার ধোঁকাবাজি ছাড়া অার কিছু নয় তার প্রমাণ দেখুন...........
বিগত ৩০শে সেপ্টেম্বর ১৯৯১ ইং, ঢাকার মগবাজারস্থ "অালফালাহ্" মিলনায়তনে জামাতে ইসলামির ৫০ বছর পূর্তি উপলহ্মে সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়। উক্ত সেমিনারে জামাত নেতাদের প্রদত্ত বক্তব্যের সামাান্য কিছু নমুনা।
★জমাতে ইসলামি ও মাওলানা মওদুদি এক ও অভিন্ন
--অধ্যাপক গোলাম অাজম, দৈনিক ইনকিলাব ১লা অক্টোবর ১৯৯১ ইং
★জমাতে ইসলামি ও মাওলানা মওদুদি একটা হতে অারেকটা ভিন্ন করে দেখার উপায় নাই।
--অধ্যাপক গোলাম অাজম, সোনার বাংলা ৪টা অক্টোবর ১৯৯১
★মওদুদির চিন্তাধারার স্বর্ণ ফসল জামাত
--অাব্বাস অালী খান, সোনার বাংলা ৪টা অক্টোবর ১৯৯১
★জামাতে ইসলামী নামের প্রতিষ্ঠানটি অাসলে মাওলানা মওদুদির চিন্তাধারা বাস্তবায়িত করার কার্যকর পদহ্মেপ বৈকি
--জনাব অাব্দুল অাজীজ, মওদুদি রিসার্চ একাডেমি, সোনার বাংলা,  ৪টা  অক্টোবর ১৯৯১ ইং
তবে সর্বোপরি একটা মনে রাখতে হবে,
সাপ মরে তবু থামে লেজ নড়চাড়া
কিছু প্রাণীর লেজ যাবে না সোজা করা!!

Sunday, July 9, 2017

জঙ্গীবাদের গোড়া কোথায়? শতভাগ প্রমানসহ!

জঙ্গীবাদের গোড়া কোথায়? শতভাগ প্রমানসহ!

জেএমবি >> আনসারুল্লাহ বাংলা টিম >> কথিত আহলে হাদীস সালাফি >> জাকির নায়েক >> হিযবুত তওহীদ
আমরা কম বেশি সবাই জানি ৬৩টি জেলায় বোমা ফোটানোর পিছনে জেএমবি এবং তাদের দাওয়াতি সংগঠন আহলে হাদীস জড়িত ছিল। বাংলা ভাই ,শায়েখ আব্দুর রহমান এবং আসাদুল্লাহ আল গালিব যিনি আহলে হাদীসের বর্তমান আমীর, একইসাথে জসীমুদ্দিন রহমানী এরা সবাই আজীবন আহলে হাদীসের অবিচ্ছদ্য অংশ। এদের মতাদর্শ নিয়ে ২০০৬ এ ১৭ আগষ্ট একটি গবেষনামূলক প্রতিবেদন বের হয়েছিল যেখানে প্রমান করা হয়েছে এই চারজন জঙ্গির আদর্শ বিশ্বাস এক ও অভিন্ন। বলে রাখা ভাল যে, জেএমবি এবং আনসারুল্লাহ বাংলা টিম এই দুটি মূলত মাঠ পর্যায়ে কাজ অর্থাৎ একেকটি অপারেশন সম্পাদনা করার কাজ করে যার ছকটি আসে আহলে হাদীস থেকে। মূলত আহলে হাদীস মতাদর্শটিকে টিকিয়ে রাখার জন্যে অর্থাৎ সরকার এবং গোয়েন্দাদের চোখ থেকে নিজেদের আড়াল রাখার জন্যে আহলে হাদীস সংগঠন নিজে মাঠ পর্যায়ে কোন অপারেশন অর্থাৎ জঙ্গিবাদি কার্যক্রম করেনা। ফলে অপারেশন করার জন্যে আগে জেএমবি আর বর্তমানে আনসারুল্লাহ বাংলা টিম নামে আহলে হাদীসের অঙ্গ সংগঠন হিসেবে কাজ করছে ফলে যখন কোন ইস্যুতে জঙ্গিবাদি কাজে সম্পৃক্ততার জন্য আনসারুল্লা বাংলা টিম ধরা খায় তখন মনে করা হয় যে এটা আলাদা একটি সংগঠন। অথচ এটার আসল গোড়া আহলে হাদীস যেখান থেকে আনসারুল্লাহ এবং জেএমবি অর্ডার পেয়ে থাকে। এক কথায় আহলে হাদীস নীরবে দাওয়াতি কাজ করে নিজেদের দল ভারি করছে আর কিছু অঙ্গ সংগঠন খুলে জঙ্গিবাদি কার্যক্রমও চালু রেখেছে। ফলে সরকার জঙ্গিবাদিতা বন্ধ করার জন্যে আপ্রাণ চেষ্টা করেও পারছে না । এর সবচেয়ে বড় কারন হল জঙ্গিবাদের গোড়াটি এখনো অক্ষত ও দুর্বার গতিতে এগিয়ে চলছে। সারা দেশে তারা বিভিন্ন এলাকায় নিজেদের মতাদর্শ প্রচারের জন্যে আহলে হাদিস নামে মসজিদ খুলেছে, লাগাতে চাইছে এখন টিভি। হঠাৎ করে কেউ আহলে হাদীসের সাথে মিশলে দেখতে পাবে যে সর্ব প্রথম তারা কোরআন আর সহীহ হাদীসের দাওয়াত দেয়। অথচ ভিতরের জগতটি অনেক বেশি অন্ধকার। ফলে জেএমবি এবং আনসারুল্লাহ বাংলা টিম নিষিদ্ধ করলেও আহলে হাদীস টিকে থাকা এবং সক্রিয় থাকার দরুন জঙ্গিবাদি কার্যক্রম চলছেই।
জামায়াতে ইসলামীর সাথে জঙ্গি আহলে হাদীস সালাফিদের সম্পর্ক
12 March 2017 the bd24news এ প্রকাশ হয় আহলে হাদীস সালাফি ব্যানারে ঐক্যবদ্ধ হচ্ছে হিযবুত তওহীদ জামায়াত । বলা বাহুল্য জঙ্গী আহলে হাদীস সালাফিদের আকীদা আর জামায়াত শিবিরের আকীদা এক । দেখুন জঙ্গি আহলে হাদীস সালাফিদের শায়েখ আব্দুর রাজ্জাক বিন ইউসুফের মুখে জঙ্গী সালাফি নেতা জসীমুদ্দিন রহমানির প্রশংসা https://www.youtube.com/watch?v=jAUdMhY8MSQ&t=82s
এবার আসি ডা. জাকির নায়েকের সাথে জঙ্গিবাদিতার সম্পর্ক নিয়ে ।
ডা জাকির নায়েক হল এই আহলে হাদীস সালাফিদের গুরু। ডা.জাকির নায়েক তার এক লেকচারে আহলে হাদীসের খুব সমালোচনা করেছে অথচ এই সমালোচনা মূলত একটি পর্দা এবং ধোকা। কারন আহলে হাদীসের আকীদা এবং ডা.জাকির নায়েক এর আকীদা A to z পর্যন্ত মিল।এবং তার প্রতিষ্ঠান আহলে হাদীস অনুসারি ছাড়া কাউকেই চাকরি দেওয়া হয়না। শুনুন জঙ্গী আহলে হাদীসের সেক্রেটারি মুজাফফর বিন মুহসিন এর মুখে https://www.youtube.com/watch?v=X9uRnficy_8
মূলত ডাক্তার জাকির নায়েক সরাসরি কোন জঙ্গি অপারেশনের তৎপরতার সাথে যুক্ত নয়। একইসাথে তিনি মুখে জঙ্গিবাদিতার সমালোচনাও করে থাকেন। বড় সমস্যাটি হল জাকির নায়েকের আকীদা এবং সেই অনুযায়ি লেকচার এর ধরন ও প্রকৃতি। জাকির নায়েক তার ঠিক একই মতাদর্শে বিশ্বাসী যেমনটা আহলে হাদীস পোষন করে। হাদীস এর সরাসরি অর্থ নেয়ার আকীদায় তারা অভিন্ন। ফলে এক দিকে যেমন জাকির নায়েক মুখে জঙ্গিবাদিতার বিপক্ষে বলছে অন্যদিকে মাযহাব এবং পীর সম্পর্কিত লেকচারগুলোতে হাদীসের অর্থকে সরাসরি গ্রহন করার আকীদাকে উস্কে দিচ্ছে। আর তাই আজ মসজিদের ইমাম, মোয়াজ্জিন হত্যা আহলে হাদীসের প্রধান টার্গেট হয়ে দাড়িয়েছে। এমনকি জঙ্গী দল আহলে হাদীসের শায়েখ আব্দুর রাজ্জাক বলে গোটা দেশটাই নাকি শির্কে ডুবে আছে এক কথায় কৌশলে জঙ্গী বাদিতা উস্কানি দিচ্ছে। দেখুন ভিডিও https://www.youtube.com/watch?v=dtYfdJQXT6w&feature=youtu.be
মূলত হাদীসের অর্থকে সরাসরি উদ্দেশ্য বানানোর কারনে আজ জাকির নায়েক নীরবে সারা পৃথিবীতে জঙ্গিবাদিতা ছড়িয়ে দিয়েছে। কারন কোরআন হাদীসে থাকা জিহাদের আহকামগুলো যখন পড়ে তখন তারা জাহেরি অর্থকে অর্থাৎ সরাসরি অর্থকে গ্রহন করে। ফলে জঙ্গিবাদিতায় লিপ্ত হয়ে পড়ে। ইতিমধ্যে ডা. জাকির নায়েক এর লেকচার শোনাকে সারা পৃথিবীর ইসলামি গবেষনা কেন্দ্র থেকে নাজায়েয ফতোয়া দেয়া হয়েছে । কিন্তু চটকদার সুন্দর উপস্থাপনার ছলনাময়ী প্রেমে পড়ে সাধারন মানুষ আজ অজান্তেই জঙ্গিবাদিতায় লিপ্ত হয়ে যাচ্ছে।
অনলাইন Facebook/whatsapp/
অনলাইন Facebook /whatsapp এ জঙ্গী আহলে হাদীসের পক্ষে জাকির নায়েকের পক্ষে ব্যাপক প্রচারনা করছে জঙ্গীরা। দেড় কোটির উপড়ে থাকা সদস্য বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় ফেসবুক গ্রুপ Evergreen Bangladesh এই জঙ্গী আহলে হাদীসের দখলে। এছাড়া ''পীর ধর বস্তায় ভর' পীর মুরীদি বর্জন করি কুরআন সুন্নাহ জীবন গড়ি'' ইত্যাদি নামে গ্রুপ খুলে প্রতিনিয়ত জঙ্গী দল আহলে হাদীসের মতাদর্শ প্রচার করে যাচ্ছে। আর সাধারন মানুষ অজান্তেই জঙ্গী মতাদর্শ গ্রহন করে জীঙ্গীবাদিতায় জড়িয়ে যাচ্ছে।
সরকারের সকল জঙ্গী বিরোধি পদক্ষেপ বিফলেঃ
সরকার যতই জঙ্গী বিরোধি পদক্ষেপ নিয়ে থাকুক সবই বিফলে। কারন জঙ্গী যারা তৈরি করে তারা সব সময়ই সুরক্ষিত ও ধরা ছোয়ার বাইরে। কারন আহলে হাদীস কখনোই সরাসরি জঙ্গী অপারেশন পরিচালনা করে না। তারা শুধু জঙ্গী তৈরি করে থাকে। আর সরকারের পদক্ষেপও সব জঙ্গী অপরেশনের সাথে যুক্তদের বিপক্ষে। ফলে জঙ্গী তৈরিকারি সুরক্ষিত সবসময়। যেমন হাইকোর্ট মাজার জামে মসজিদের খতিব ও চ্যানেল আইয়ের কাফেলা অনুষ্ঠানের উপস্থাপক শাইখ নুরুল ইসলাম ফারুকী হত্যা মামলায় জঙ্গী আহলে হাদীস দলের সেক্রেটারি মোজাফফর বিন মুহসিনকে আটক করা হয় কিন্তুু প্রমানের অভাবে তাকে আদালত ছেড়ে দিতে বাধ্য হয়। কারন মোজাফফর বিন মুহসিন অপারেশনের সথে যুক্ত নয়। মোজাফফর বিন মুহসিনসহ প্রত্যেক জঙ্গী আহলে হাদীসের নেতারা বলে পীর কাফির মুশরিকদের তরীকা। পীর মানেই শয়তান। তখন এই লেকচার শুনে সাধারন পাবলিকরা জঙ্গী হয়ে উঠে। সওয়াবের আশায় শয়তান মারতে চায়। এমনকি জঙ্গী দল আহলে হাদীসের শায়েখ আব্দুর রাজ্জাক বলে গোটা দেশটাই নাকি শির্কে ডুবে আছে এক কথায় কৌশলে জঙ্গীবাদিতা উস্কে দিচ্ছে। দেখুন ভিডিও https://www.youtube.com/watch?v=dtYfdJQXT6w&feature=youtu.be
সরকারের সাথে মিশে যাবার কূট কৌশলে ব্যস্ত জঙ্গী আহলে হাদীস সালাফিরাঃ নিজেদের গোড়া টেকাতে এবং জামায়াত শিবিরের মত ধুলিৎসাত যেন না হয় তাই নিজেদের অস্তিত্ব টেকাতে এখন সরকারের সাথে মিশে যাবার কূট কৌশলে ব্যস্ত জঙ্গী আহলে হাদীস সালাফিরা। এ লক্ষ্যে গতবছর ঢাকার মেয়র সাঈদ খোকনকে আহলে হাদীসেরা দাওয়াত করে এবং মেয়র লালবাগে তাদের ইজতেমায় যোগদান করে। এমনকি আহলে হাদীসের আরেক শায়েখ শহীদুল্লাহ খান মাদানির সাথে তার একাধিক বৈঠকও হয়েছে। একইসাথে জঙ্গী বিরোধি বই আর লোক দেখানো সমাবেশ করে সমাজের চোখে ভাল সাজার চেষ্টা প্রতিনিয়তই করছে। অন্যদিকে জঙ্গীবাদিতার বিষ সমাজে ঢেলে দিচ্ছে কৌশলে।
তাই সরকারকে শুধু জঙ্গীদের পেছনে পদক্ষেপ নিলে হবে না। জঙ্গীবাদিতার গোড়া আহলে হাদীস সালাফিদের বিপক্ষে দ্রুত ব্যবস্থা নিতে হবে।
(প্রকাশক ফেসবুক : আব্দুল্লাহ্ ফরিদপুরী)

Monday, July 3, 2017

কে এই ডাঃ জাকির নায়েক কি তার পরিচয় ?

কে এই ডাঃ জাকির নায়েক কি তার পরিচয় ?

ডাঃ জাকির নায়েকের জন্ম ১৯৬৫ সালের ১৫ই অক্টোবর ভারতের মুম্বাই নগরীতে । খৃস্টান মিশনারীদের স্কুল সেন্ট পিটার্স হাই স্কুল থেকে মেট্রিক পাশ করেন । অতঃপর হিন্দুদের কৃষ্ণচন্দ্র রাম কলেজ বোম্বাই থেকে এফ.এস.সি পাশ করেন । তারপরে বোম্বের ন্যাশনাল মেডিক্যাল কলেজ থেকে এম.বি.বি.এস ডিগ্রি অর্জন করেন।
.
হিন্দুদের সাথে তার ঘনিষ্টতা এতই বৃদ্ধি পায় যে, তিনি বাদশাহ আকবরের দ্বীনে ইলাহীর মত এক ধর্মের প্রবক্তা হয়ে তার দরস্ দেয়া শুরু করেন।
.
জীবনের শুরু থেকেই খৃস্টান আর হিন্দুদের সংসর্গে থাকার কারনে ডাক্তার জাকির সাহেবের চিন্তাধারা ও মন মানসিকতায় তার ছাপ সুস্পস্ট।
.
আর তার লেবাস-পোষাক, সুরত-আকৃতি একথার স্পস্ট প্রমাণ বহন করে।
কুরআনী শিক্ষা থেকে তিনি বহু দূরে। ফলে তাফসীর বির রায় (মনগড়া তাফসীর) করা তার অভ্যাসে পরিণত হয়েছে। যদি বলা হয় তাফসীরে তিনি তাহরীফ (বিকৃতী) করেন তাহলে যথার্থ হবে।
.
ইলমে হাদীসের পরিভাষা , মূলনীতি ইত্যাদি সম্পর্কে তার কোন ধারনা নেই। সব নাজায়েযকে জায়েয করতে ভালবাসেন। লা-মাযহাবিয়্যাতের প্রচার করা তার উদ্দেশ্য। ইয়াযীদের ভক্ত। তার নামের পাশে রহমতুল্লাহি আলাইহি জুড়তে ভালবাসেন। গুণাহগার মুসলমানদের সুপারিশ যা হাদিস দ্বারা প্রমাণিত তিনি তা অস্বীকার করেন।
বিশিস্ট ইসলাম প্রচারক ডঃ আহমদ দীদাতের সাথে ১৯৯৪ সালে বোম্বাই শহরে তার সাক্ষাত হলে তার আদর্শে তিনি অনুপ্রাণিত হন এবং ডাক্তারী পেশা ছেড়ে দিয়ে দাওয়াতী কার্যক্রম শুরু করেন।
.
ডাক্তার সাহেব নিজেই স্বীকার করেছেন যে , তিনি আরবী জানেন না, শুধুমাত্র ইংলিশ লেটারেচারই তার উপজীব্য । তিনি কুরআনের হাফেজ নন । নিয়মতান্ত্রিকভাবে হাদীসের তালীম (শিক্ষা) গ্রহন করেননি ।
.
এম.বি.বি.এস ডাক্তার থেকে তিনি হয়ে গিয়েছেন বিশিস্ট ইসলামীক স্কলার ! এর চেয়ে বড় হাস্যকর বিষয় আর কি হতে পারে ?
ডাক্তার সাহেবের চিন্তাধারা এবং তার নিউ ইসলামের ধারণার সূত্র যদি রাসূলুল্লাহ (দরুদ) পর্যন্ত পৌছে থাকে তাহলে সেই সব আহলে ইলম এবং মাদ্রাসার নাম তিনি পেশ করুন যেখান থেকে তিনি এসব শিক্ষা গ্রহণ করেছেন।
পৃথিবীর যে কোন বিষয়ের শিক্ষা যদি উক্ত বিষয়ের বিশেষজ্ঞদের সংস্পর্শে থাকা ব্যতীত আয়ত্ব করা না যায় তাহলে দ্বীনে ইসলামের বুঝ দ্বীনের অভিজ্ঞ ব্যক্তিদের সংস্পর্শে থাকা ছাড়া কিভাবে অর্জিত হতে পারে ?
.
কয়েকটা বই পড়ে নিলেই আলেম হওয়া যায়না । নতুবা তথাকথিত ইসলামী চিন্তাবিদ হওয়া যায় কিন্তু নবীর নায়েব হওয়া যায় না।
ডঃ জাকির নায়েক তার এক লেকচারে বলেন, মনে করুন কারো হার্টে সমস্যা হয়েছে সে হৃদরোগে আক্রান্ত । এমতাবস্হায় সেকি কোন ইন্জিনিয়ারের সাথে পরামর্শ করবে নাকি হার্ট স্পেশালিস্ট এর স্বরণাপন্ন হবে ?
.
একথা স্পস্ট যে, এক্ষেত্রে সে কোন আনাড়ী আর মূর্খ ব্যক্তির কাছে না গিয়ে কোন স্পেশালিস্টের নিকটেই যাবে । যেন সে সঠিক চিকিৎসা গ্রহণ করতে পারে।
.
প্রিয় বন্দুরা, ডাঃ জাকির নায়েকের লেকচারের আলোকে আপনারাই এখন ফায়সালা করুন, কুরআন-হাদীসের ব্যাখ্যার জন্য এবং ধর্মীয় মাসআলা মাসায়িলের সমাধানের জন্য জনগণ কি একজন এম.বি.বি.এস ডাক্তারের স্বরাণাপন্ন হবে নাকি হক্কানী উলামা মাশায়েখের স্বরণাপন্ন হবে?
.
একজন ইংরেজী শিক্ষিত প্রফেসর ইংরেজীতে দুচারটি বই পুস্তক পড়ে যেমন শরীয়তের ব্যাখ্যা দিতে পারেনা তদ্রুপ একজন ডাক্তারের জন্যও কিভাবে এটা জায়েয হতে পারে যে, ইজতিহাদের যোগ্যতা না থাকা সত্বেও সরাসরি কুরআন-হাদীস থেকে সমস্যার সমাধান দেবে ?
আসুন আমরা আয়নায় তার চেহারা দেখার চেষ্টা করি।।।

Wednesday, May 31, 2017

ডা. জাকির নায়েকের ভক্তরা নিচের প্রশ্নগুলোর উত্তর দিন

ডা. জাকির নায়েকের ভক্তরা নিচের প্রশ্নগুলোর উত্তর দিন

১. যে ভারতে মুসলমানরা প্রকাশ্যে মসজিদে আজান দিতে পারেনা, গরু জবাই করতে পারেনা, গরুর গোশত খেতে পারেনা, সেখানে বহিরাগত কোনো মুসলমান ফ্ল্যাট বাসা ভাড়াও নিতে পারেনা! সেখানে কি করে জাকির নায়েক ইসলাম প্রচার ককরে?

২. যেখানে সৃষ্টির শুরু থেকে আজ পর্যন্ত কোনো মুফতি মুহাদ্দিস আলেম উলামা কেউ কোনোদিন ভিন্ন ধর্মের কিতাবে ইসলাম বিষয়ে কোনো সাদৃশ্য খুজে পায় নাই! সেখানে জাকির নায়েক কি করে অন্য ধর্মের কিতাব থেকে কথিত সাদৃশ্য তুলে ধরে?

৩. সঙ্গত কারনে তাহলে কি বিশ্বাস করতে হবে ভিন্ন ধর্মের সাথে ইসলামের সাদৃশ্য আছে বা মিল আছে? এমন তা বিশ্বাস করলে কি আদৌ ঈমান নামক বস্তুটি ধরে থাকবে?

৪. ভারতে বসে জাকির নায়েক হিন্দু ধর্মের সমালোচনা করছে হিন্দু পন্ডিতদের সামনে- হিন্দু পন্ডিতরা জাকির নায়েককে কিছু বলছে না কেন?
সাধারন মুসলমান যদি হিন্দু ধর্মের সমালোচনা করে তাহলে তাকে হত্যা করা হতো। জাকির নায়েক কি করে নিরাপদ থাকে?

৫. যেখানে সাধারন ভাবে প্রশাসনিক নিয়মে কোনো ধর্মের প্রাধান্যনতা দেখানো হয় এমন প্রোগ্রামে সরকারী বিশেষ কর্তাদের যাওয়া নিষেধ- সেখানে ভারতীয় বিভিন্ন সামরিক বেসামরিক সংস্থার পোষাকধারী কর্তাদেরকে অনায়েসে সেখানে বসে থাকতে দেখা যায় কেনো?

৬. গুজরাটে মুসলিম নিধন কিংবা কাশ্মিরে একের পর এক মুসলিম নিধন চললেও- জাকির নায়েক তাদের সাহায্য করেনা কেনো?

৭. বিভিন্ন সময় হজ্ব বা উমরার নামে কিংবা লেকচারের নামে জাকির নায়েক মধ্যপ্রাচ্যে গমন করলে সেখানে তার সাথে দেখা করতে বিভিন্ন দেশের সালাফি মতাদর্শের ইসলামী বিশেষজ্ঞরা আসে কেনো?

৮. মুশরিক ভারতের মত প্রতিক্রিয়াশীল দেশে জাকির
নায়েকের অবাধ বিচরন থাকলেও যুক্তরাজ্য, কানাডা, আমেরিকার মতো অবাধ স্বাধীনতার দেশে জাকির নায়েক নিষিদ্ধ কেনো?

Monday, May 29, 2017

সতর্ক বানীজাকির  নায়েকের ভ্রান্ত মতবাদ

সতর্ক বানীজাকির নায়েকের ভ্রান্ত মতবাদ

বিরোধীতার মনোভাব পরিহার করে
নিরপেক্ষতা দৃষ্টিতে পড়ার চেষ্টা করুন ।
সম্রাট আকবর ইসলাম ধর্মের সাথে হিন্দুদের ধর্মের সংমিশ্রণ ঘটিয়ে “দ্বীন-এ-ইলাহী” প্রতিষ্ঠার চেষ্টা করেছিল। । একই ভাবে জাকির নায়েক সকল ধর্মকে একই প্লাটফর্মে এনে নতুন এক ফিৎনার সৃষ্টির অপচেষ্টা চালাচ্ছে। তার কিছু বিভ্রান্তিমুলক বক্তব্য এবং তার জবাব তুলে ধরার চেষ্টা করব।
.
১. জাকির নায়েক এক লেকচারে বলেছে যে, আল্লাহ পাক, উনাকে যে কোন সুন্দর নামে ডাকা যাবে। যুক্তি হিসেবে সে হিন্দুদের বেদ থেকে কতগুলো শ্লোক তুলে ধরে বলেছে যে, আল্লাহ পাক, উনাকে হিন্দুদের দেবতার নাম ধরেও ডাকা যাবে। যেমনঃ ব্রহ্মা অর্থ সৃষ্টিকর্তা (খলীক্ব), বিষ্ণু অর্থ প্রতিপালক (রব) ইত্যাদি। (নাউযুবিল্লাহ মিন যালিক)
.
(Concept of God in Major religions- from the CD-“Presenting Islaam and Clarifying Misconceptions –Lecture series by Dr.Zaakir Naik, Developed by AHYA Multi-Media- 12 Enlightening Sessions)
.
তাহলে জাকির নায়েকের যুক্তি মতে আল্লাহ পাক, উনাকে মুহম্মদ, আহমদ, হাসান প্রভৃতি নামেও ডাকা যাবে কারণ নাম মুবারক গুলো সুন্দর (নাউযুবিল্লাহ)। আল্লাহ পাক কুরআন মজিদের সুরা আ’রাফ এর ১৮০ নম্বর আয়াত শরীফ এ ইরশাদ করেন,“আর আল্লাহ পাক, উনার রয়েছে উত্তম সব নাম মুবারক। কাজেই সেই সব নাম মুবারক এ উনাকে ডাকো।” সুতরাং আল্লাহ পাক, উনাকে ৯৯টি নাম মুবারক এ ডাকা যাবে।
.
২. জাকির নায়েক সুরা বাকারা এর আয়াত শরীফ ১০৬ ও ১০৮, সূরা আল ইমরান আয়াত শরীফ ২৯, সূরা নেহাল আয়াত শরীফ ৭৭ এবং সূরা ফাতির আয়াত শরীফ ১ ইত্যাদি উল্লেখ করে বলেছে যে, আল্লাহ পাক, উনার সবকিছুর উপর ক্ষমতা রয়েছে কিন্তু আল্লাহ পাক সব কিছু সৃষ্টি করতে অক্ষম। সে আরো বলেছে যে, আল্লাহ পাক সৃষ্টি করতে অক্ষম এমন ১০০০ জিনিসের তালিকা সে তৈরী করতে পারবে। যেমনঃ আল্লাহ পাক লম্বা বেটে মানুষ তৈরী করতে অক্ষম, আল্লাহ পাক তাকে উনার সৃষ্টি জগতের বাহিরে নিক্ষেপ করতে অক্ষম ইত্যাদি। (নাউযুবিল্লাহ মিন যালিক)
.
(Is Quraan Word of God, from the CD “Presenting Islaam and Clarifying Misconceptions –Lecture series by Dr.Zaakir Naik, Developed by AHYA Multi-Media- 12 Enlightening Sessions)
.
আল্লাহ পাক সুরা ইখলাছ এ ইরশাদ করেন,“আমি (আল্লাহ পাক) বেনিয়াজ।” তাহলে কি করে বলা যেতে পারে যে, আল্লাহ পাক সব কিছু সৃষ্টি করতে পারেন না? একটা সময় তো ছিল যখন সময়ই ছিল না, আল্লাহ পাক সময় সৃষ্টি করলেন। আল্লাহ পাক পিতা-মাতা ব্যতীত হযরত আদম আলাইহিস সালাম, উনাকে সৃষ্টি করলেন। আল্লাহ পাক পিতা ব্যতীত হযরত ঈসা আলাইহিস সালাম, উনাকে সৃষ্টি করলেন। এর কি জবাব জাকির নায়েক দেবে?
.
৩. জাকির নায়েক সুরা ত্ব-হা এর আয়াত শরীফ ২৫ এর অর্থ বিকৃত করে বলেছে “হে আল্লাহ পাক ! আমার মস্তিস্ককে (কেন্দ্র) প্রশস্ত করে দিন।” সে আরবী “ছদর” শব্দের অর্থ করেছে “মস্তিস্ক” কারণ হিসেবে উল্লেখ করেছে যে, বর্তমান বিজ্ঞান প্রমাণ করেছে কল্বব নয় বরং মস্তিস্কই সকল চিন্তা শক্তির উৎস। (নাউযুবিল্লাহ মিন যালিক)
.
( Is Quraan Word of God, from the CD-“Presenting Islaam and Clarifying Misconceptions –Lecture series by Dr.Zaakir Naik, Developed by AHYA Multi-Media- 12 Enlightening Sessions)
.
সূরা মুনাফিকুন আয়াত শরীফ ৩, সূরা বাক্বারা আয়াত শরীফ ৭, সুরা আন আম আয়াত শরীফ ২৫, সূরা আ’রাফ আয়াত শরীফ ১০০, সূরা ইউনুস আয়াত শরীফ ৭৪, সূরা রূম আয়াত শরীফ ৫৯ এ মহান আল্লাহ পাক অবিশ্বাসীদের কল্ববে মোহর প্রসঙ্গে বলেছেন এবং সূরা নাস এর আয়াত শরীফ ৫ মহান আল্লাহ পাক ইরশাদ করেন যে শয়তান মানুষের ছুদুর (কল্বব) এ অসওয়াসা দেয়। তাহলে এ দ্বারা প্রমাণিত হয় যে, মানুষের চিন্তাশক্তি মুলত কল্বব থেকেই। তাই সুরা ত্ব-হা এর ২৫ নম্বর আয়াত শরীফ এর অর্থ হবে, “হে আল্লাহ পাক ! আমার কল্ববকে প্রশস্ত করে দিন।”
.
৪. জাকির নায়কে কুরআন শরীফ এর আয়াত শরীফ এর সাথে কবির দাস (ভারতের তথাকথিত এক মুসলমান যে ইসলাম ধর্ম এবং হিন্দু ধর্মকে এক করার অপচেষ্টা চালিয়েছে) এর শ্লোকের তুলনা করেছে। (নাউযুবিল্লাহ মিন যালিক)
.
(concept of God in major religions- from the CD-“Presenting Islaam and Clarifying Misconceptions –Lecture series by Dr.Zaakir Naik, Developed by AHYA Multi-Media- 12 Enlightening Sessions)
.
মহান আল্লাহ পাক সূরা ইমরানের ১৯ নম্বর আয়াত শরীফ এ ইরশাদ করেন, “নিশ্চয়ই আল্লাহ পাক, উনার নিকট একমাত্র মনোনীত দ্বীন হচ্ছে ইসলাম।” আবার একই সূরার ৮৫ নম্বর আয়াত শরীফ এ আল্লাহ পাক ইরশাদ করেন, “যে দ্বীন ইসলাম ব্যতীত অন্য কোন ধর্ম বা মতবাদের নিয়ম-নীতি গ্রহণ করবে সেটা তার থেকে গ্রহণ করা হবে না এবং সে পরকালে ক্ষতিগ্রস্থদের অর্থাৎ জাহান্নামীদের অন্তর্ভূক্ত হবে।” তাহলে একজন মুসলমান কি করে কুরআন শরীফ এর সাথে বাতিল ধর্মের সাদৃশ্য খুজতে পারে?
৫. জাকির নায়েক তার লেকচারে যবন, ম্রেচ্ছ, অস্পৃশ্য হিন্দুদের “ভাই” বলে সম্বোধন করেছে এবং বলেছে, “……..আমরা হিন্দু ভাইদের ভালবাসি।” (নাউযুবিল্লাহ মিন যালিক)
.
(concept of God in Major religions-from the CD-“Presenting Islaam and Clarifying Misconceptions –Lecture series by Dr.Zaakir Naik, Developed by AHYA Multi-Media- 12 Enlightening Sessions)
.
তার এই বক্তব্য স্পষ্টতঃ কুরআন শরীফ বিরোধী। মহান আল্লাহ পাক সূরা মায়িদা এর ৮ নম্বর আয়াত শরীফ এ ইরশাদ করেন, “তোমরা তোমাদের সবচেয়ে বড় শত্রু হিসেবে পাবে ইহুদী অতঃপর মুশরিকদেরকে।” যেখানে আল্লাহ পাক মুশরিক তথা হিন্দুদেরকে মুসলমানদের শত্রু হিসেবে চিহ্নিত করে দিলেন সেখানে হিন্দু কি করে মুসলমানদের ভাই হতে পারে? কস্মিনকালেও হতে পারে না। আর শত্রুকে কেউ কখনোই ভালবাসতে পারে না।
.
৬. জাকির নায়েক এক প্রশ্নোত্তর পর্বে সালাত সম্পর্কিত প্রশ্নের জবাবে বাইবেল থেকে সালাতের ব্যাখ্যা দিয়েছে এবং সালাতের শারীরিক উপকারিতা তুলে ধরেছে। (নাউযুবিল্লাহ মিন যালিক)
.
(Concept of God in Major religions, question and answer session- from the CD-“Presenting Islaam and Clarifying Misconceptions –Lecture series by Dr.Zaakir Naik, Developed by AHYA Multi-Media- 12 Enlightening Sessions)
.
প্রথমতঃ একজন মুসলমান কখনো অন্য ধর্ম থেকে তার ধর্মীয় ব্যাখা দিতে পারে না। এ প্রসঙ্গে মহান আল্লাহ পাক সূরা ইমরান এর ৮৫ নম্বর আয়াত শরীফ এ ইরশাদ করেন, “যে দ্বীন ইসলাম ব্যতীত অন্য কোন ধর্ম বা মতবাদের নিয়ম-নীতি গ্রহণ করবে সেটা তার থেকে গ্রহণ করা হবে না এবং সে পরকালে ক্ষতিগ্রস্থদের অর্থাৎ জাহান্নামীদের অন্তর্ভূক্ত হবে।” দ্বিতীয়তঃ সালাতের ধর্মীয় গুরুত্ব না বুঝিয়ে শারীরিক উপকারিতা ব্যাখা করা মুলতঃ মানুষের ইবাদত নষ্টের হীন উদ্দেশ্য বৈ কিছু নয়। কারণ আল্লাহ পাক উনার সন্তুষ্টির নিয়ত ব্যতীত ইবাদত করলে তার কস্মিনকালেও গ্রহণযোগ্য হবেনা। কেউ যদি ব্যায়ামের জন্য সালাত আদায় করে কিংবা শরীর কমানোর জন্য রোযা রাখে তাহলে সেই ইবাদত গ্রহনযোগ্য হবেনা।
.
৭. জাকির নায়েক শিশুদের প্রসঙ্গে বলতে গিয়ে বলেছে যে, শিশুদের “সিরাতুম মুস্তাকিম” এর উপর দৃঢ় রাখতে হলে আধুনিক প্রযুক্তি ও ইসলামিক খেলাধুলা প্রয়োজন।(নাউযুবিল্লাহ মিন যালিক)
.
(Dawah or Destruction, question and answer session – from the
.
CD-“Presenting Islaam and Clarifying Misconceptions –Lecture series by Dr.Zaakir Naik, Developed by AHYA Multi-Media- 12 Enlightening Sessions)
.
জাকির নায়েক তার এই বক্তব্যে মাধ্যমে চরম জাহিলিয়তা প্রকাশ করেছে। কারণ তার বক্তব্যনুযায়ী যখন প্রযুক্তি উন্নত ছিলনা তখন মানুষ সিরাতুম মুস্তাকিম এর উপর দৃঢ় ছিলনা এবং হারাম কাজ দ্বারা সিরাজতুম মুস্তাকিম এর উপর দৃঢ় থাকা যায়। হুযুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সালাম “মুসতাদেরেকে হাকিম” এ ইরশাদ করেন, “সমস্ত খেলাধুলা হারাম।” তাহলে “ইসলামিক খেলাধুলা” কথাটি কোন পর্যায়ের জাহিলতি তা বলার অপেক্ষাই রাখেনা। বরং আল্লাহ পাক এবং উনার হাবীব হুযুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, উনাদের সন্তুষ্টির মাধ্যমে সিরাতুম মুস্তাকিম এর উপর দৃঢ় থাকা সম্ভব।
.
৮.জাকির নায়েক তার এক লেকচারে বলেছে যে, হুযুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এবং হযরত মুসা আলাইহিস সালাম, উনারা আল্লাহ পাক উনার মনোনীত রসূল ছিলেন এবং একই সাথে উনারা দুনিয়ার রাজা ছিলেন। (নাউযুবিল্লাহ মিন যালিক)
.
(Similarities between Islaam and Christianity- from the CD-“Presenting Islaam and Clarifying Misconceptions –Lecture series by Dr.Zaakir Naik, Developed by AHYA Multi-Media- 12 Enlightening Sessions)
.
জাকির নায়েকের এই বক্তব্য স্পষ্টতঃ ইসলাম বিরোধী এবং ইহানতপূর্ণ। আল্লাহ পাক সূরা নমল এর ৩৪ নম্বর আয়াত শরীফ এ রাজতন্ত্রের বিরুদ্ধে বলেছেন এবং সূরা ইমরানের ১৯ নম্বর আয়াত শরীফ এ ইরশাদ করেন, “নিশ্চয়ই আল্লাহ পাক, উনার নিকট একমাত্র মনোনীত দ্বীন হচ্ছে ইসলাম।”
.
৯. জাকির নায়েক চ্যালেঞ্জ করেছে যে, যদি কোন খৃষ্টান বাইবেল থেকে তাকে দেখাতে পারে যে, যিশু নিজেকে খোদা বলেছে তবে সে খৃষ্টান ধর্ম গ্রহণ করবে। (নাউযুবিল্লাহ মিন যালিক)
.
(Similarties between Islaam and Christianity- from the CD-“Presenting Islaam and Clarifying Misconceptions –Lecture series by Dr.Zaakir Naik, Developed by AHYA Multi-Media- 12 Enlightening Sessions)
.
তার বক্তব্যের দ্বারা প্রমাণিত হয় যে, সে কত বড় ধরণের মূর্খ। তার বক্তব্য মতে, এখন কোন ব্যক্তি যদি ফেরাউনের মত খোদা দাবী করে তবে সে ঐ ব্যক্তিকে খোদা হিসেবে মেনে নেবে এবং তার ধর্ম গ্রহণ করবে। মহান আল্লাহ পাক কুরআন শরীফ এ ইরশাদ করেন, “পূর্বে ওহী দ্বারা নাযিলকৃত দ্বীন এবং পূর্বে,বর্তমানে এবং পরে মানবরচিত সমস্ত মতবাদ রদ করে সত্য দ্বীন ও হিদায়েতসহ উনার হাবীব নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে পাঠিয়েছেন।” আবার হুযুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম মুসনদে আহমদ ও বায়হাক্বী শরীফ এ ইরশাদ করেন, “অবশ্যই আমি তোমাদের নিকট পরিপূর্ন, উজ্জ্বল ও পরিস্কার দ্বীন নিয়ে এসেছি। হযরত মুসা আলাইহিস সালাম উনিও যদি দুনিয়ায় থাকতেন, তাহলে উনাকেও আমার অনুসরণ করতে হতো।” যেখানে আল্লাহ পাক এবং উনার হাবীব ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনারা ওহী দ্বারা নাযিলকৃত ইঞ্জিল শরীফ রদ করে দিয়েছেন সেখানে ইঞ্জিল শরীফ এর বিকৃতরূপ বাইবেল কি হক্ব হতে পারে?
.
১০. জাকির নায়েক বুখারী শরীফ এর হাদীস শরীফ উদ্ধতি দিয়ে বলেছে যে, মুসলমানদের জন্য দাড়ি রাখা ফরয নয় সুন্নত। (নাউযুবিল্লাহ মিন যালিক)
.
(Muhammed in various world religious scriptures – from the CD-“Presenting Islaam and Clarifying Misconceptions –Lecture series by Dr.Zaakir Naik, Developed by AHYA Multi-Media- 12 Enlightening Sessions)
.
তার এই বক্তব্য দ্বারা সে প্রমাণ করেছে সে কত বড় গন্ড মুর্খ! কারণ কুরআন শরীফ এর নির্দেশমুলক বাক্য “তোমরা নামায কায়িম কর” দ্বারাই নামায ফরয সাব্যস্ত হয়েছে। অনুরূপভাবে হাদীছ শরীফ এ “তোমরা (পুরুষরা) দাড়ি লম্বা করো” এই নির্দেশমুলক বাক্য দ্বারাই দাড়ি রাখা ফরয সাব্যস্ত হয়েছে।
.
১১. জাকির নায়েক বলেছে যে, মুসলমানদের জন্য টাই পরা জায়িজ। কারণ বাইবেলের কোথাও টাইকে ক্রুশের প্রতীক হিসেবে উল্লেখ করা হয়নি। সে আরো বলেছে, টাই যদি ক্রুশের মত হয়ে থাকে তবে কুর্তা আরো বেশী ক্রুশের মত। সে আরো বলেছে যে, যে কোন পোশাক পরিধান করা যাবে যদি সেটি শরীয়া বিরোধী না হয়। (নাউযুবিল্লাহ মিন যালিক)
.
(Muhammed in various world religious scripture- from the CD -“Presenting Islaam and Clarifying Misconceptions –Lecture series by Dr.Zaakir Naik, Developed by AHYA Multi-Media- 12 Enlightening Sessions)
.
জাকির নায়েক কত বড় মাপের মূর্খ যে সে বাইবেলে ইসলামী আদেশ-নিষেধ খুজে বেড়ায়! মহান আল্লাহ পাক সূরা মায়িদার ৪৪ নম্বর আয়াত শরীফ এ ইরশাদ করেন, “আল্লাহ পাক তিনি যা নাযিল করেছেন সে অনুযায়ী যারা আদেশ-নির্দেশ করবেনা তারা কাফির।” মহান আল্লাহ পাক সূরা ইমরান এর ৮৫ নম্বর আয়াত শরীফ এ ইরশাদ করেন, “যে দ্বীন ইসলাম ব্যতীত অন্য কোন ধর্ম বা মতবাদের নিয়ম-নীতি গ্রহণ করবে সেটা তার থেকে গ্রহণ করা হবে না এবং সে পরকালে ক্ষতিগ্রস্থদের অর্থাৎ জাহান্নামীদের অন্তর্ভূক্ত হবে।” আবার হুযুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম মিশকাত শরীফ এ ইরশাদ করেন, “যে ব্যক্তি যে সম্প্রদায়ের সাথে মিল রাখে, সে তাদের অন্তর্ভুক্ত এবং তার হাশর-নশর তাদের সাথে হবে।”
.
১২. জাকির নায়েককে প্রশ্ন করা হয়েছিল যে, সে কেন বিধর্মীদের ধর্মগ্রন্থ থেকে উদ্ধতি দিয়ে ইসলামের অনেক বিষয়ের ব্যাখা করার চেষ্টা করে। জবাবে সে বলেছে, কারণ বিধর্মীরা কুরআন শরীফ বিশ্বাস করেনা। (নাউযুবিল্লাহ মিন যালিক)
.
(Muhammed in various world religious scriptures – -“Presenting Islaam and Clarifying Misconceptions –Lecture series by Dr.Zaakir Naik, Developed by AHYA Multi-Media- 12 Enlightening Sessions)
.
সে যে কত বড় জাহেল তা আরেক বার প্রমাণ করলো। যদি কোন বিধর্মীকে তার বাতিল ধর্মগ্রন্থ থেকে দলীল পেশ করে ইসলামী বিষয় ব্যাখ্যা করা হয় তবে অবশ্যই সেই বিধর্মী নিজের ধর্মকে হক্ব মনে করবে এবং সে তার বাতিল ধর্মের উপর দৃঢ় হবে। মহান আল্লাহ পাক সূরা মায়িদার ৪৪ নম্বর আয়াত শরীফ এ ইরশাদ করেন, “আল্লাহ পাক তিনি যা নাযিল করেছেন সে অনুযায়ী যারা আদেশ-নির্দেশ করবেনা তারা জাকির।” সুতরাং বলার অপেক্ষাই রাখেনা যে বা যারা বাতিল ধর্মগ্রন্থ দলীল হিসেবে ব্যবহার করে তা কোন তবকার লোক।
১৩. জাকির নায়েক বলেছে যে, সে অন্ধভাবে পরকাল, জান্নাত, জাহান্নাম, রূহ, জ্বিন, ফেরেস্তা বিশ্বাস করে না। সে যুক্তি এবং সম্ভবনা তত্ত্ব (theory of probably) দ্বারা বিশ্বাস করে। (নাউযুবিল্লাহ মিন যালিক)
.
(Quraan and Modern Science- conflict or conciliation- —“Presenting Islaam and Clarifying Misconceptions –Lecture series by Dr.Zaakir Naik, Developed by AHYA Multi-Media- 12 Enlightening Sessions)
.
তার এই বক্তব্য স্পষ্টতঃ সূরা বাক্বারা এর ২ এবং ৩ নম্বর আয়াত শরীফ বিরোধী। আল্লাহ পাক ইরশাদ করেন, “এ সেই কিতাব মুবারক যাতে কোন সন্দেহ নেই। মুত্তাকিদের জন্য যারা অদৃশ্যের উপর বিশ্বাস স্থাপন করেছে।”
.
১৪. জাকির নায়েক ইসলামে বহু বিবাহের কারণ হিসেবে নারীদের সাংখ্যাধিক্যকে তুলে ধরেছে।
.
করে। (নাউযুবিল্লাহ মিন যালিক)
.
(Quraan and Modern Science- conflict or conciliation- —“Presenting Islaam and Clarifying Misconceptions –Lecture series by Dr.Zaakir Naik, Developed by AHYA Multi-Media- 12 Enlightening Sessions)
.
তার এই ব্যাখ্যা স্পষ্টতঃ মনগড়া ও বানোয়াট। কারণ আল্লাহ পাক এবং উনার হাবীব হুযুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনারা বহু বিবাহের কারণ নারীর আধিক্য এ কথা বলেননি। বুখারী ও মুসলিম শরীফ ইরশাদ হয়েছে, “কেয়ামতের লক্ষণ হলো- জ্ঞানচর্চা উঠে যাবে, মূর্খতা বৃদ্ধি পাবে, ব্যভিচারের প্রসার হবে, মদ্যপান বেড়ে যাবে,পুরুষের সংখ্যা কমে যাবে এবং নারীর সংখ্যা বৃদ্ধি পাবে।” জাকির নায়েক যদি এই হাদীছ শরীফ দ্বারা ব্যাখ্যা দিয়ে থাকে তবে ইসলামের প্রাথমিক যুগের ব্যাপারে কি বলবে?
.
১৫. জাকির নায়েক আযানকে মুসলমানদের “আন্তর্জাতিক সংগীত” হিসেবে উল্লেখ করেছে।(নাউযুবিল্লাহ মিন যালিক)
.
(Salaah- The programming towards righteousness- —“Presenting Islaam and Clarifying Misconceptions –Lecture series by Dr.Zaakir Naik, Developed by AHYA Multi-Media- 12)
.
ইসলামে সংগীত সম্পূর্ণ হারাম। মহান আল্লাহ পাক সূরা লুকমান এর ৬ নম্বর আয়াত শরীফ এ ইরশাদ করেন, “মানুষের মধ্যে কিছু লোক রয়েছে যারা লাহওয়াল হাদীছ (গান-বাজনা) খরিদ করে থাকে। যেনো বিনা ইলমে মানুষদেরকে আল্লাহ পাক উনার পথ থেকে বিভ্রান্ত করে এবং হাসি-ঠাট্টা রূপে ব্যবহার করে, তাদের জন্য অপমানজনক শাস্তি রয়েছে।” হুযুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ইরশাদ করেন, “আমি বাদ্যযন্ত্র ও মুর্তি ধ্বংসের জন্য প্রেরিত হয়েছি।” তাহলে আযানকে হারাম সংগীতের সাথে তুলনা করা কত বড় কুফরী কাজ তা বলার অপেক্ষা রাখেনা।
.
১৬. জাকির নায়েক সূরা বাক্বারা এর ২৩ নম্বর আয়াত শরীফ উল্লেখ করে বলেছে যে, আল্লাহ পাক কুরআন শরীফ তৈরী করেছেন।(নাউযুবিল্লাহ মিন যালিক)
.
( Salaah- The programming towards righteousness- —“Presenting Islaam and Clarifying Misconceptions –Lecture series by Dr.Zaakir Naik,Developed by AHYA Multi-Media- 12 Enlightening Sessions)
.
তার এই বক্তব্য প্রমাণ করলো সে বাতিল মোতাজিলা ফিরকার অনুসারী। কারণ মোতাজিলা ফিরকার অনুসারীরা কুরআন শরীফ কে আল্লাহ পাক উনার মাখলুকাত তথা সৃষ্টিবস্তু মনে করে। মুলতঃ কুরআন শরীফ আল্লাহ পাক উনার কালাম। যদি আল্লাহ পাক কুরআন শরীফ সৃষ্টিই করতেন তবে একটা সময় (কুরআন শরীফ সৃষ্টি করার পূর্বে) আল্লাহ পাক ইলমহীন অবস্থায় ছিলেন (নাউযুবিল্লাহ)
.
১৭. জাকির নায়েক নাস্তিকদেরকে স্বাগত জানায় কারণ তারা কলেমা শরীফ এর প্রথম অংশ “লা ইলাহা” অর্থাৎ “কোন প্রভু নেই” স্বীকার করে। (নাউযুবিল্লাহ মিন যালিক)
.
(Quraan and Modern Science- conflict or conciliation- —“Presenting Islaam and Clarifying Misconceptions –Lecture series by Dr.Zaakir Naik, Developed by AHYA Multi-Media- 12 Enlightening Sessions)
.
প্রথমত কালেমা শরীফ এর প্রথম অংশ হলো “লা ইলাহা ইল্লালাহ” অর্থাৎ “আল্লাহ পাক ব্যতীত কোন ইলাহ নেই” কিন্তু জাকির নায়েক “ইল্লালাহ” বাদ দিয়ে বলেছে। দ্বিতীয়তঃ তার মত কুফরী আক্বীদা পোষণ করে কেউ যদি সারা জীবন কলেমা শরীফ পড়েও থাকে তবুও সে ৭২টি বাতিল ফিরকার সাথে জাহান্নামী হবে।
১৮. জাকির নায়েক তার চরম মূর্খতা জাহির করে বলেছে যে, কোন ধর্মীয়গ্রন্থটি প্রকৃত পক্ষে সৃষ্টিকর্তা উনার কালাম?, তার চুড়ান্ত পরীক্ষা বিজ্ঞান দ্বারা সম্ভব। (নাউযুবিল্লাহ মিন যালিক)
.
(Symposium- religion in the right perspective——“Presenting Islaam and Clarifying Misconceptions –Lecture series by Dr.Zaakir Naik, Developed by AHYA Multi-Media- 12 Enlightening Sessions)
.
জাকির নায়েকের এই বক্তব্য স্পষ্টত কুরআন শরীফ বিরোধী। মহান আল্লাহ পাক সূরা বাক্বার এর ২ নম্বর আয়াত শরীফ এ ইরশাদ করেন, “এ সেই কিতাব, যাতে কোন সন্দেহ নেই, এটি মুত্তাকীদের জন্য পথ প্রদর্শক।” যেখানে মহান আল্লাহ পাক কুরআন শরীফ এর ব্যাপারে সন্দেহ পোষণ করতে নিষেধ করলেন, সেখান জাকির নায়েক কি করে কুরআন শরীফ এর শুদ্ধতা বিজ্ঞান দ্বারা করতে চায়? বরং বিজ্ঞান নামক ইলমটি কুরআন শরীফ এর অংশ মাত্র।
.
১৯. জাকির নায়েক বলেছে যে, মুসলমান এবং হিন্দুদের মধ্যে মুল পার্থক্য হলো মুসলমান বিশ্বাস করে সবকিছু সৃষ্টিকর্তার অর্থাৎ everything is God’s অন্যদিকে হিন্দুরা বিশ্বাস করে সবকিছু সৃষ্টিকর্তা অর্থাৎ everything is God. (নাউযুবিল্লাহ মিন যালিক)
.
(Universal brotherhood- ——“Presenting Islaam and Clarifying Misconceptions –Lecture series by Dr.Zaakir Naik, Developed by AHYA Multi-Media- 12 Enlightening Sessions)
.
জাকির নায়েকের ভাষ্য মতে, মুসলমান ও হিন্দুদের মধ্যে পার্থক্য হলো এক সৃষ্টিকর্তায় বিশ্বাস অর্থাৎ তওহীদে বিশ্বাস। তার যুক্তিমতে হিন্দুদের জাত ব্রাহ্মণরাও মুসলমান কারণ তারাও এক সৃষ্টিকর্তায় বিশ্বাসী। প্রকৃত আহলে কিতাব (ইহুদী, খৃষ্টান)রা এক সৃষ্টিকর্তায় বিশ্বাসী ছিল, সুতরাং জাকির নায়েকের যুক্তি মতে তারা মুসলমান। কিন্তু মুসলমান হওয়ার মূল শর্ত হলো তওহীদের সাথে রিসালতে বিশ্বাসী হবে এবং আক্বীদা শুদ্ধ হবে।
.
২০. জাকির নায়েক সূরা বাক্বার এর ১৫৪ নম্বর আয়াত শরীফ উল্লেখ করে বলেছে যে, আয়াত শরীফ এ উল্লেখিত “…..বরং তারা জীবিত……” এর অর্থ হলো পরকালে তারা আবার জীবিত হবে (পুনরুত্থান) এবং তাদের পুরস্কিত করা হবে। (নাউযুবিল্লাহ মিন যালিক)
.
( Terrorism & Jihaad- an islaamic perspective- released by Peace Center)
.
সূরা বাক্বারা এর ১৫৪ নম্বর আয়াত শরীফ এ ইরশাদ হয়েছে, “আরা যারা আল্লাহ পাক উনার রাস্তায় শহীদ হয়, উনাদেরকে তোমরা মৃত বলো না। বরং উনারা জীবতি কিন্তু তোমরা তা বুঝো না।” এখানে স্পষ্ট বোঝা যাচ্ছে যে, উনারা দুনিয়াতে শহীদ হবার পরও জীবিত পরকালে তো অবশ্যই। হুযুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিরমিযী শরীফ ও মিশকাত শরীফ এ ইরশাদ করেন, “যে ব্যক্তি কুরআন এর মনগড়া বা স্বীয় রায় অনুযায়ী তাফসীর বা ব্যাখ্যা করবে সে যেন তার স্থান দোযখে নির্ধারণ করে নেয়।” সুতরাং জাকির নায়েক যে কোন স্তরের লোক তা বলার অপেক্ষাই রাখেনা।

Monday, May 22, 2017

জামাত নেতাদের ফাঁসিতে আলেমরা যে কারনে নিরব ৷

জামাত নেতাদের ফাঁসিতে আলেমরা যে কারনে নিরব ৷

১. সিলেটে হুছাইন আহমদ মাদানির মাহফিলে আক্রমন।
২. সিলেটে এক মাদ্রাসার ছাত্রের পায়ের রগ কেঠে দেওয়া।
৩.পীর সাহেব চরমোনাই রহঃ মৃত্যুতে মিষ্টি বিতরন।
৪.আল্লামা হাফিজ্জু হুজুরকে ভারতের দালাল বলে
গালি দেয়া।
৫.হাটহাজারি মাদরাসা দখলের চেষ্টা করা।
৬.কওমি মাদরাসার সনদের বিরুধীতা করা।
৭.পাঠ্যপুস্তকে মৌদূদীর কুফুরি আকিদা
অর্ন্তভুক্তের চেষ্টা করা।
৮.চট্রগ্রামে ওয়াজ মাহফিলের মাইক খুলে ফেলা
৯.হরতাল অবরোধের নামে নিরিহ মানুষ পুড়িয়ে মারা।
১০.মিঃ মৌদূদীর আকিদা পালন করা ৷
১১.ইসমতে আম্বিয়া আঃএর ব্যাপারে আহলে সুন্নাত ওয়াল জামাতের আকিদায় বিশ্বাসী না হওয়া।
১২.(আদালতে সাহাবা) বা সাহাবা রাঃ সত্যের মাপকাঠি তা স্বীকার না করায়।
১৩.সাহাবা এ কেরামের সমালোচনা করা ।
উপরোক্ত কাজের জন্য বর্তমান আলেম সমাজ জামাতকে বর্জন করেছেন।
বিঃদিঃ আরে আছে যা আমার এখন স্বরনে আসছেনা যাদের জানা আছে তারা কমেন্টে এড করে দিবেন দয়া করে।

Thursday, May 4, 2017

তথাকথিত আহলে হাদীস ও মির্জা কাদিয়ানী যে সব বিষয়ে অভিন্ন মত পোষণ করেন

তথাকথিত আহলে হাদীস ও মির্জা কাদিয়ানী যে সব বিষয়ে অভিন্ন মত পোষণ করেন

গোমরাহীর প্রথম কাজ হলো কারো অনুসরণ না করা। কারণ কারো অনুকরণ ও অনুসরণ করতে হলে নিজের মনমতে চলা দুঃসহ হয়ে পড়ে। সে কারণে প্রত্যেক বাতিলের কাছে তাকলীদ বা অন্যের অনুসরণটাই গাজ্বালা। চার ইমামের যে কোন ইমামের অনুসরণ করলে কেউ গোমরাহ পথের যাত্রী হতে পারে না। কিন্তু নিজে ইজতিহাদ করে নিজের মনমত ধর্ম পালনকারী শুধু গোমরাহ নয় ঈমান হারা হওয়ারই আশংকা।এ কারণে ইসলামের যে সকল ফিৎনা এসেছে তা দুপ্রকার।
১। প্রথম যারা সম্পূর্ণরূপে তাকলীদ বা অন্যের অনুকরণকে অস্বীকার করেছে। এর মধ্যে আহলে যাওয়াহের (যারা হাদীসের শুধু বাহ্যিক বা শাব্দিক অর্থের উপর চলতে অভ্যস্ত) সেরূপ বর্তমান যুগের গোমরাহী ফিৎনা যেমন গাইরে মুকাল্লিদ (তথাকথিত আহলে হাদীস), কাদিয়ানী ইত্যাদি রয়েছে।
২। যারা মখে তো তাকলীদের কথা খুব জোরে সুরে বলে কিন্তু কাজের বেলায় কিছুই নেই। এরূপ ফিৎনা যেমন ‍মুতাযিলা, বর্তমান যুগের বিদআতী, মমাতি, রাফেজী ইত্যাদি।
নতুন সৃষ্ট গোমরাহ দলগুলো নতুন তো কিছুই সৃষ্টি করতে পারে নি বরং পূর্বের ফিৎনাগুলোকে ইলামের লেভেল লাগিয়ে নতুন সূত্রে খুবই চিত্তাকর্ষক লেভেলে মুসলমানদের গোমরাহ বানানোর কাজে আত্মনিয়োজিত হয়েছে। এসকল গোমরাহ ফিৎনাবাজরা পূর্বের ঐসকল দলসমূহেরই তাকলীদ করছে যাদেরকে আহলে সুন্নাত ওয়াল জামাআত থেকে পূর্ব থেকে বহিস্কার করা হয়েছে এবং গোমরাহ বলে আখ্যায়িত করা হয়েছে।
প্রিয় পাঠক! আমি আজ আপনাদের সামনে এমন কিছু বিষয় উপস্থাপন করব যে সকল বিষয়ের মধ্যে বর্তমান ফিৎনা ও পূর্বের ফিৎসমূহের উভয়ের মধ্যে মিল। বরং প্রত্যেকে একে অন্য থেকে অবিভাজ্য বরং শুধু নামের মধ্যে পার্থক্য।
১। তথাকথিত আহলে হাদীসরা যেমন তাকলীদ বা ইমামের অনুসরণের বিরোধিতা করতে গিয়ে শিরিক ও কুফর পর্যন্ত বলে যাচ্ছেন এবং এর উপর কিতাবাদীও রচনা করছেন সেরূপ মির্জা কাদিয়ানীও তাকলীদের বিরোধিতা করতো এবং এর উপর কিতাবাদী লেখছে।
(আল-কালামুল মুফীদ ফী ইসবাতিত্তাকলীদ ১৮৭)
২। যেমন তথাকথিত আহলে হাদীসদের মতে মুসাফির হওয়ার জন্য ৩ মাইল অতিক্রম বা ৯মাইল অতিক্রম করলে মুসাফির হয়ে যায়। (নামাযে নববী ২৪৩)
সেরূপ মির্জা কাদিয়ানীও কসরের মুদ্দাত সম্পর্কে এক প্রশ্নের জবাবে বলেন, যাকে তোমরা পাঞ্জাবী ভাসায় ওয়ান্ডা বল সেখানে কসর হওয়া প্রয়োজন। বলা হল কসর পড়তে তো কিছু মাইলের তফাতের শর্ত রয়েছে। তিনি বলেন না, তোমরা যাকে ওয়ান্ডা বল সেখানে কসর পড়া যাবে। (সীরাতে মাহদী, মির্জা বশীর ৩/৫৩)
৩। তথাকথিক আহলে হাদীসগণ জাওরাব বা মৌজার কবারের উপর মসেহ করার মত দেন। (সালাতুর রাসূল ১০৬)
মির্জা কাদিয়ানীও জাওরাবের উপর মসেহ করার প্রতি একমত। বরং তিনি জওরাব জীর্ণ শীর্ণ হলেও মসেহ করার উপযোগী বলে মত দেন। (সীরাতে মাহদী ২/১২৭)
৪। তথাকথিত আহলে হাদীসগণ সীনার উপর হাত বাধার পক্ষে। (সালাতুর রাসূল ৮৮)
মির্যা কাদিয়ানীও এক স্থানে লেখেন আমি কম বয়সে আমাদের আশ পাশে হানফীদের থেকে দেখ নাভীর নিচে হাত বাঁধতাম। কিন্তু আমার মন চাইনা আমি নাভীর নিচে হাত বাধি। (সীরাতে মাহদী ১০৩)
৫। তথাকথিত আহলে হাদীসগণ এক হাতে মোসাফাহাকে আসল সুন্নাত বলে প্রচার করেনে। (তায়সীরুল বারী, ওয়াহীদুজ্জামান ৫/৬৯৮)
সেরূপ মির্জা কাদিয়ানীও এক হাতে মুসাফাহা করার পক্ষে ছিলেন। (সীরাতে মাহদী ৩/৬৩)
৬। তথাকথিত আহলে হাদীসগণ সফর বা নিজ এলাকায় মৌসুমের সামান্য পরিবর্তনে দুই ওয়াক্তের নামাযকে একত্র করার পক্ষে। (নামায নববী ডাক্তার শফীক ২৪৭)
সেরূপ মির্জা কাদিয়ানীও জমা বাইনাস সালাতাইন তথা দুই ওয়াক্তের নামায এক ওয়াক্তে পড়ার পক্ষে ছিলেন। (সীরাতে মাহদী ৩/২২০)
৭। তথাকথিত আহলে হাদীসগণ আমীন বিলজেহের (ফিৎনা বাধানোর জন্য) আমীন বড় আওয়াজে বলে থাকে। (সালাতুর রাসূল, সাদেক সিয়ালকুটী ১৯৫)
সেরূপ মির্জা কাদিয়ানীও আমীন বিলজেহেরের পক্ষে ছিল। (সীরাতে মাহদী ৩/৬৪)
৮। তথাকথিত আহলে হাদীসরা রফয়ে এয়াদাইন তথা হাত তুলার প্রতি জোর দেন। (সালাতুর রাসূল, সাদেক সিয়ালকুটী ১৯৫)
সেরূপ মির্জা কাদিয়ানীও রফয়ে ইয়াদাইনের পক্ষে ছিলেন। (সীরাতে মাহদী ২/৪৯)
৯। তথাকথিত আহলে হাদীসগণ কেরাআত খালফুল ইমাম তথা ইমামের পিছে কেরাম পড়ার পক্ষে। (নামাযে নববী ডাক্তার শফীক ১৮৫)
সেরূপ মির্জা কাদিয়ানীও কেরাআত খালফাল ইমামের পক্ষে ছিল। (সীরাতে মাহদী ৩/৬৪)
১০। তথাকথিত আহলে হাদীসগণ হযরত ঈসা (আ.)কে শুলিবিদ্ধ করার পক্ষে মত দেন। যেমন মাও: সলীম গাইরে ‍(মুকাল্লিদ) লেখেন আল্লাহ তাআলা প্রত্যেক নবীকে মেরাজ করিয়েছেন আর হযরত ঈসা আ.কে শুলির উপর চড়িয়েছেন। (মীযানুল মাতাকাল্লেমীন ১৩৬)
সেরূপ মির্জা কাদিয়ানীও হযরত ঈসা আ.কে শুলিতে ছড়ানোর মত পোষণ করেছেন। (কাশতীয়ে নূহ ৪৮)
মির্জা কাদিয়ানী আসলে একজন গাইরে মুকাল্লিদ :
১। স্বয়ং মির্জা কাদিয়ানীর বৌ এর স্বীকৃতি হলো মির্জা (তথাকথিত) আহলে হাদীস ছিলেন। (সীরাতে মাহদী ১/৫৭)
২। মির্জা কাদিয়ানীর শ্বশুরু ছিল গাইরে মুকাল্লিদ (সীরাতে মাহদী ১/৫৭)
৩। মির্জা কাদিয়ানী গাইরে মুকাল্লিদ হওয়ার কারণে মাওলানা নযীর হুসাইন দেহলভী তার বিয়ে পড়ান। (সীরাতে মাহদী ১/৫৮)
৪। মির্জা কাদিয়ানীর উস্তাদ ছিল মাওলবী ফজল আহমদ গোজরানাওয়ালী। তিনি ছিলেন গাইরে মুকাল্লিদ। আবার আরেক উস্তাদ ছিলেন সৈয়দ গোল। তিনি ছিলেন শীয়া। (সীরাতে মাহদী ১/২৫১)
৫। মির্জা কাদিয়ানী ও মুহাম্মদ হুসাইন বটালবী (গাইরে মুজাল্লিদ) সহচর ছিলেন। (সীরাতে মাহদী ১/২৫৮)
৬। মির্জা কাদিয়ানী গাইরে মুকাল্লিদ ছিলেন বিধায় হুসাইন বাটালবী তার বুরাহীনে কাতেয়াতে অভিমত লেখেন। (সীরাতে মাহদী ১/২৬৫)
৭। অধম (মির্জা কাদিয়ানী) এর কাছে আহলে হাদীস দল মৌলিকত্বের দিক থেকে খুবই গুরুত্বপূর্ণ ও সম্মানের পাত্র। (সীরাতে মাহদী ২/২৯)
এরূপ বহু প্রমাণ আছে যা থেকে বুঝা যায় স্বয়ং মির্জা কাদিয়ানী আহলে হাদীস ছিলেন এবং আহলে হাদীসদের বহু বিষয় মির্জা কাদিয়ানীর সাথে মিলে যায়। প্রত্যেক বিজ্ঞ ব্যাক্তিই জানে উপমাহাদেশে ইংরেজ কর্তৃক সৃষ্ট দলসমূহে যেমন মির্জা কাদিয়ানী ছিল তেমনি তথাকথিত আহলে হাদীসও তাদের সৃষ্ট ছিল। উপরে উল্লেখিত বিষয়াদি থেকেও স্পষ্ট হয় তথাকথিত আহলে হাদীস ও মির্জা কাদিয়ানীর সাথে প্রগাঢ় সম্পর্ক্ ছিল

Monday, March 27, 2017

আহলে বিদয়াত রেজভিদের ধুম্রজাল সৃষ্টির…জবাব

আহলে বিদয়াত রেজভিদের ধুম্রজাল সৃষ্টির…জবাব

উলামায়ে দেওবন্দের দৃষ্টিতে মিলাদুন্নবী উদযাপন, নাকি মিলাদুন্নবী আলোচনা....? কোনটি বিদআত আর কোনটি জায়েজ.....?
.
১৩২৪ হিজরীতে হারামাইন শারীফাইনের উলামায়ে কেরাম দেওবন্দী উলামায়ে কেরামের কাছে যে ২৬টি প্রশ্ন করেছিলেন তন্মধ্যে একটি ছিল মীলাদুন্নাবী সাঃ এর সম্পর্কে।
.
হারামাইনের উলামায়ে কেরামের জওয়াবে উলামায়ে দেওবন্দের পক্ষ থেকে বিশিষ্ট হাদিস বিশারদ ও “বাজলুল মাজহূদ ফী শারহে আবি দাউদ” কিতাবের লেখক, মাওঃ খলীল আহমদ সাহারানপুরী রহঃ “ আল মুহান্নাদ আলাল মুফান্নাদ” পুস্তক আরবী ভাষায় লিখে যে জওয়াব দিয়ে ছিলেন তার আলোকে জবাব নিম্নে দেয়া হল-
প্রশ্ন –
.
ﺍﻟﺴﻮﺍﻝ : ﺍﻟﻮﺍﺣﺪ ﻭﺍﻟﻌﺸﺮﻭﻥ ” ﺃﺗﻘﻮﻟﻮﻥ ﺃﻥ ﺫﻛﺮ ﻭﻻﺩﺗﻪ ﺻﻠﻰ ﺍﻟﻠﻪ ﻋﻠﻴﻪ ﻭﺳﻠﻢ ﻣﺴﺘﻘﺒﺢ ﺷﺮﻋﺎ ﻣﻦ ﺍﻟﺒﺪﻋﺎﺕ ﺍﻟﺴﻴﺌﺔ ﺍﻟﻤﺤﺮﻣﺔ ﺃﻡ ﻏﻴﺮ ﺫﻟﻚ –
.
প্রশ্নকারীর প্রশ্নের ধরণের দিকে খেয়াল করুন-
.
ﺃﺗﻘﻮﻟﻮﻥ ﺃﻥ ﺫﻛﺮ ﻭﻻﺩﺗﻪ ﺻﻠﻰ ﺍﻟﻠﻪ ﻋﻠﻴﻪ ﻭﺳﻠﻢ ﻣﺴﺘﻘﺒﺢ ﺷﺮﻋﺎ ﻣﻦ ﺍﻟﺒﺪﻋﺎﺕ ﺍﻟﺴﻴﺌﺔ ﺍﻟﻤﺤﺮﻣﺔ ﺃﻡ ﻏﻴﺮ ﺫﻟﻚ –
.
অনুবাদঃ হযরত নবীয়ে পাক সাললাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের জন্ম আলোচনাকে আপনারা বিদআতে সাইয়্যিআ মুহাররামা (নিন্দনীয় বিদাত যা হারাম) অথবা অন্য কিছু বলে থাকেন কি না.....?
.
দেওবন্দের তরফ থেকে উত্তরদাতা উক্ত প্রশ্নকারীর প্রশ্নের উত্তরের ভাষ্যের দিকে এবার গভীর ভাবে লক্ষ্য করুন –
.
ﺍﻟﺠﻮﺍﺏ : ﺣﺎﺵ ﺃﻥ ﻳﻘﻮﻝ ﺃﺣﺪ ﻣﻦ ﺍﻟﻤﺴﻠﻤﻴﻦ
ﻓﻀﻼ ﺍﻥ ﺗﻘﻮﻝ ﻧﺤﻦ ﺍﻥ ﺫﻛﺮﻭﻻﺩﺗﻪ ﺍﻟﺸﺮﻳﻔﺔ ﻋﻠﻴﻪ ﺍﻟﺼﻠﻮﺓ ﻭﺍﻟﺴﻼﻡ ﺑﻞ ﻭﺫﻛﺮ ﻏﺒﺎﺭ ﻧﻌﺎﻟﻪ ﻭﺑﻮﻝ ﺣﻤﺎﺭﻩ ﺻﻠﻰ ﺍﻟﻠﻪ ﻋﻠﻴﻪ ﻭﺳﻠﻢ ﻣﺴﺘﻘﺒﺢ ﻣﻦ ﺍﻟﺒﺪﻋﺎﺕ ﺍﻟﺴﻴﺌﺔ ﺍﻟﻤﺤﺮﻣﺔ
.
অনুবাদ , হযরত নবীয়ে কারীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের মুবারাক জন্মের আলোচনা এমন কি তাঁর পাদুকা সংশ্লিষ্ট ধূলি অথবা তাঁর বাহন গাধাটির প্রশ্রাব-পায়খানার আলোচনাকে আমরা কেন, কোন সাধারণ মুসলমানও বিদআতে মুহাররমা বা হারাম বলতে পারেনা।”
.
কিন্তু উনাদের জবাব এতটুকুর ভেতর শেষ হয়ে যায়নি। বরং সে সাথে উনাদের আরো একটি বক্তব্যও উল্লেখযোগ্য ছিল। আর তা হল এই-
লক্ষ্য করুন –
.
ﺑﺸﺮﻁ ﺍﻥ ﻳﻜﻮﻥ ﻣﻘﺮﻭﻧﺎ ﺑﺼﺪﻕ ﺍﻟﻨﻴﺔ ﻭﺍﻻﺧﻼﺹ ﻭﺍﻋﺘﻘﺎﺩ ﻛﻮﻧﻪ ﺩﺍﺧﻼ ﻓﻰ ﺟﻤﻠﺔ ﺍﻷﺫﻛﺎﺭ ﺍﻟﺤﺴﻨﺔ ﺍﻟﻤﻨﺪﻭﺑﺔ ﻏﻴﺮ ﻣﻘﻴﺪﺑﻮﻗﺖ ﻣﻦ ﺍﻷﻭﻗﺎﺕ ﻓﺈﺫﺍ ﻛﺎﻥ ﻛﺬﻟﻚ ﻻﻧﻌﻠﻢ ﺃﺣﺪﺍ ﻣﻦ ﺍﻟﻤﺴﻠﻤﻴﻦ ﺃﻥ ﻳﺤﻜﻢ ﻋﻠﻴﻪ ﺑﻜﻮﻧﻪ ﻏﻴﺮ ﻣﺸﺮﻭﻉ ﺃﻭﺑﺪﻋﺔ ﺇﻟﻰ ﺁﺧﺮﺍﻟﻔﺘﻮﻯ
.
অনুবাদ – তবে শর্ত হল, বিশুদ্ধ নিয়্যাত ও পরিশুদ্ধ আকিদা মাফিক হতে হবে এবং রাসুলে কারীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের যে কোনো অতিউত্তম আলোচনা যদি দিন ও দিবসের সাথে সীমাবদ্ধ না করা হয় (অর্থাৎ খাসভাবে কোনো দিবসকে উপলক্ষ্য করে না হয়), তো এমন কাজের ব্যাপারে কোনো মুসলিম শরীয়ত বিরুধী এবং বিদআতের হুকুম লাগায় বলে আমাদের জানা নেই।”
.
এরপর উনাদের বক্তব্যের আরো একটি অংশ খেয়াল করুন –
.
ﻭﻓﻰ ﻓﺘﺎﻭﻯ ﻣﺸﺎﺋﺨﻨﺎ ﺭﺣﻤﻬﻢ ﺍﻟﻠﻪ ﺗﻌﺎﻟﻰ ﻛﻤﺎ ﻓﻰ ﻓﺘﻮﻯ ﺃﺣﻤﺪ ﻋﻠﻰ ﺍﻟﻤﺤﺪﺙ ﺍﻟﺴﻬﺎﺭﻧﻔﻮﺭﻯ ﺗﻠﻤﻴﺬ ﺍﻟﺸﺎﻩ ﻣﺤﻤﺪ ﺇﺳﺤﻖ ﺍﻟﺪﻫﻠﻮﻯ ﺛﻢ ﺍﻟﻤﻬﺎﺟﺮ ﺍﻟﻤﻜﻰ ﻧﻨﻘﻠﻪ ﻣﺘﺮﺟﻤﺎ ﻟﺘﻜﻮﻥ ﻧﻤﻮﻧﺔ ﻋﻦ ﺍﻟﺠﻤﻴﻊ ﺳﺌﻞ ﻫﻮﺭﺣﻤﻪ ﺍﻟﻠﻪ ﺗﻌﺎﻟﻰ ﻋﻦ ﻣﺠﻠﺲ ﺍﻟﻤﻴﻼﺩ ﺑﺄﻯ ﻃﺮﻳﻖ ﻳﺠﻮﺯﻭﺑﺄﻯ ﻃﺮﻳﻖ ﻻﻳﺠﻮﺯ ﻓﺎﺟﺎﺏ ﺑﺄﻥ ﺫﻛﺮﺍﻟﻮﻻﺩﺓ ﺍﻟﺸﺮﻳﻔﺔ ﻟﺴﻴﺪﻧﺎ ﺭﺳﻮﻝ ﺍﻟﻠﻪ ﺻﻠﻰ ﺍﻟﻠﻪ ﻋﻠﻴﻪ ﻭﺳﻠﻢ ﺑﺮﻭﻳﺎﺕ ﺻﺤﻴﺤﺔ ﻓﻰ ﺃﻭﻗﺎﺕ ﺧﺎﻟﻴﺔ ﻋﻦ ﻭﻇﺎﺋﻒ ﺍﻟﻌﺒﺎﺩﺍﺕ ﺍﻟﻮﺍﺟﺒﺎﺕ ﻭﺑﻜﻴﻔﻴﺎﺕ ﻟﻢ ﺗﻜﻦ ﻣﺨﺎﻟﻔﺔ ﻋﻦ ﻃﺮﻳﻘﺔ ﺍﻟﺼﺤﺎﺑﺔ ﻭﺃﻫﻞ ﺍﻟﻘﺮﻭﻥ ﺍﻟﺜﻼﺛﺔ ﺍﻟﻤﺸﻬﻮﺩ ﻟﻬﺎ ﺑﺎﻟﺨﻴﺮ ﻭﺑﺎﻹﻋﺘﻘﺎﺩﺍﺕ ﺍﻟﺘﻰ ﻣﻮﻫﻤﺔ ﺑﺎﻟﺸﺮﻙ ﻭﺍﻟﺒﺪﻋﺔ ﻭﺑﺎﻻﺩﺍﺏ ﺍﻟﺘﻰ ﻟﻢ ﺗﻜﻦ ﻣﺨﺎﻟﻔﺔ ﻋﻦ ﺳﻴﺮﺓ ﺍﻟﺼﺤﺎﺑﺔ ﺍﻟﺘﻰ ﻫﻰ ﻣﺼﺪﺍﻕ ﻗﻮﻟﻪ ﻋﻠﻴﻪ ﺍﻟﺴﻼﻡ ﻣﺎﺍﻧﺎ ﻋﻠﻴﻪ ﻭﺃﺻﺤﺎﺑﻰ
.
অনুবাদ – আমাদের পূবর্সুরীগণ তাদের ফাতাওয়ায় যেমন মাওঃ আহমদ আলী সাহরানপুরী রহঃ যিনি শাহ মোহাম্মাদ ইসহাক দেহলভী রহঃ এর শিষ্য এবং ইমদাদুল্লাহ মুহাজিরে মক্কী রহঃ এর শিষ্য আহমদ আলী সাহরানপুরীর ফাতওয়া আমরা অনুবাদ করে প্রকাশ করেছি। যা আমাদের সকল লিখনীর মডেল বলে মনে করি।
মাওঃ সাহেবকে কেউ প্রশ্ন করল.....? নবীজির সা: জন্মালোচনা (মিলাদুন্নবী) কোন রুপরেখায় জায়েয...?
.
তদুত্তরে তিনি লিখেন যে, রাসুলে কারীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের জন্মালোচনা যদি আবশ্যিক ইবাদাতের সময় থেকে মুক্ত এবং বিশুদ্ধ রেওয়ায়েত সমূহের মাধ্যমে সাহাবায়ে কেরামসহ কুরুনে ছালাছা (উত্তম তিন যুগ)’র তরীকার বিপরীতমুখী বা পরিপন্থী না হয়, (যে যুগ উত্তম যুগ হিসাবে প্রমাণিত) শিরকের সাথে সম্পকির্ত কোনো আকীদা সংশ্লিষ্ট না হয়, সাহাবায়ে কেরামের আদাব বা শিষ্টাচার পরিপন্থী না হয়, তবে তা মুস্তাহাব ব্যতিরেকে অন্য কিছু হবার কোন অবকাশ নেই। কেননা তারাই তো মাপকাঠি বা মেছদাক।”
.
এবার আমাদের জানতে হবে যে, যে আমলটির জন্য নির্দিষ্ট কোনো সময় সীমা শরীয়ত কর্তৃত নির্ধারিত নয়, সেটিকে বিশেষ কোনো মাস বা দিবসের সাথে নির্দিষ্ট করলে (কোনো মাস বা দিবসকে উপলক্ষ্য করার দ্বারা) সঠিক হবে কিনা? [ফাতওয়ায়ে আজীজিয়্যাহ ১/১৯৯-তে লেখা আছে যে,]
.
হযরত শাহ আব্দুল আজীজ মুহাদ্দিস আদ দিহলভী রহঃ -কে প্রশ্ন করা হয়ে ছিল “রবিউল আওয়াল মাসে খাওয়া দাওয়ার ব্যবস্থা করে এর সাওয়াব হুজুরেপাক সাঃ এর রূহ মুবারকে পৌঁছালে কি জায়েজ হবে.......?”
.
তিনি উত্তরে বলেছেন-
.
ﺟﻮﺍﺏ : ﺍﻧﺴﺎﻥ ﮐﻮ ﺍﺧﺘﯿﺎﺭ ﮨﮯ ﮐﮧ ﺍﭘﻨﮯ ﻋﻤﻞ ﮐﺎ ﺛﻮﺍﺏ ﺑﺰﺭﮔﻮﮞ ﮐﻮ ﭘﻨﮩﭽﺎﮰ ﻟﯿﮑﻦ ﮐﻮﺉ ﻭﻗﺖ ﺩﻥ ﺍﻭﺭ ﻣﮩﯿﻨﮧ ﻣﻘﺮﺭ ﮐﺮﻧﺎ ﺑﺪﻋﺖ ﮨﮯ . ﺍﻟﺒﺘﮧ ﺍﮔﺮ ﮐﻮﺉ ﻧﯿﮏ ﮐﺎﻡ ﺍﯾﺴﮯ ﻭﻗﺖ ﻣﯿﮟ ﺧﺎﺹ ﮐﺮﮐﮯ ﮐﺮﮮ ﮐﮧ ﺍﺱ ﻭﻗﺖ ﻣﯿﮟ ﺛﻮﺍﺏ ﺯﯾﺎﺩۃ ﮨﻮﺗﺎ ﮨﮯ ﺗﻮ ﺍﺳﻤﯿﮟ ﻣﻀﺎﺋﻘﮧ ﻧﮩﯿﮟ . ﻣﺜﻼ ﺭﻣﻀﺎﻥ ﺷﺮﯾﻒ ﻣﯿﮟ ﺍﻟﺦ
.
অর্থাৎ নিজের আমলের সাওয়াব কোনো বুজূর্গ ব্যক্তিকে বখশিশ করার অনুমতি মানুষের রয়েছে। তবে এর জন্য (শরীয়ত অনুমোদিত নয় এ রকম) কোনো মাস বা দিনকাল নির্দিষ্ট করা বিদয়াত।”
.
তিনি তাঁর বক্ষমান গ্রন্থ ‘ তোহফায়ে ইসনা আশারিয়া ‘ কিতাবে প্রচলিত মিলাদুন্নবী উদযাপনকে শিয়াদের মুহররম উদযাপনের সাথে তুলনা করে তার নিন্দা করেছেন এবং বলেছেন “শিয়াদের সাদৃশ্যতা অবলম্বন থেকে দূরে থাকা আবশ্যক।”
উলামায়ে দেওবন্দের উপরোক্ত দীর্ঘ বক্তব্যে কেউ কি কোনো গলদ ধরিয়ে দিতে পারবেন....?
.
আর সাম্প্রতিককালে প্রচলিত কথিত মিলাদুন্নবী পালনকারীরা উনাদের পক্ষ হতে বেধে দেয়া শর্ত মেনে রাসুলে কারীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের জন্মালোচনা করে কিনা? অবশ্যই করেননা।
.
বছরন্তর ১২ ঈ রবিউল আওয়ালে বিদআত পন্থীরা দেশব্যাপী যে লংকাকাণ্ড শুরু করে, সেটাও কি মিলাদুন্নবী......?
.
উলামায়ে দেওবন্দের উপরোক্ত দীর্ঘ বক্তব্য পরিপন্থী বিদআতীদের এ সমস্ত লংকাকাণ্ডের ব্যাপারে এবার আপনার কি ফতুয়া.......?
.
আশাকরি উলামায়ে দেওবন্দের প্রতি বিদআতী রেজভিদের পক্ষ থেকে ঢালাও ভাবে মিলাদুন্নবী উদযাপনের নেসবত কতটা সঠিক তা বুঝতে পেরেছেন। অর্থাৎ উলামায়ে দেওবন্দের দৃষ্টিতে মিলাদুন্নবী উদযাপন নয়, বরং সহিহ কায়দায় মিলাদুন্নবী আলোচনাই শরিয়াহ অনুমোদিত। যেখানে কোনো দিবসকে উপলক্ষ্য করা হবেনা এবং কিয়ামী প্রথার যোগসাজশ থাকবেনা।
.
আল্লাহ তায়ালা আমাদের সবাইকে সঠিক বুঝ দান করুক। আমিন