Showing posts with label সাম্প্রতিক খবর. Show all posts
Showing posts with label সাম্প্রতিক খবর. Show all posts

Monday, May 4, 2020

চিকিৎসকদের জন্য যাবতীয় সুরক্ষা সামগ্রী নিশ্চিত করুন! --আল্লামা শাহ আহমদ শফী

চিকিৎসকদের জন্য যাবতীয় সুরক্ষা সামগ্রী নিশ্চিত করুন! --আল্লামা শাহ আহমদ শফী


করোনাভাইরাসের মহামারি আজ বিশ্বজুড়ে। আমাদের দেশেও এর প্রকোপ দিনদিন বাড়ছে। প্রতিদিন বৃদ্ধি পাচ্ছে মৃত্যু ও আক্রান্তের সংখ্যা। আর এসব ধৈর্যসহকারে সামলে নিচ্ছে চিকিৎসকগণ। জীবনের মায়া ত্যাগ করে দিনরাত সেবা দিয়ে যাচ্ছেন তারা। তাই চিকিৎসকদের জন্য পর্যাপ্ত এন-৯৫ মাস্ক সহ প্রায়োজনীয় সব সুরক্ষা সামগ্রী নিশ্চিত করার জন্য সরকারের প্রতি আহ্বান করছি।

আজ শনিবার ২ মে বিকাল ৪টায় গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে দারুল উলূম হাটহাজারীর মহাপরিচালক, হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের আমীর আল্লামা আহমদ শফী এ আহ্বান জানান।

আল্লামা আহমদ শফী বলেন, চিকিৎসক ও রোগীর সেবকদের জন্য রয়েছে নববী সুসংবাদ। রাসূল সা. বলেছেন, "যে ব্যক্তি সকালবেলা কোনো অসুস্থ মুসলমানকে দেখতে যায়, সত্তর হাজার ফেরেশতা বিকাল পর্যন্ত তার জন্য দোয়া করতে থাকে। আর বিকেলে রোগী দেখতে গেলে সকাল পর্যন্ত সত্তর হাজার ফেরেশতা দোয়া করে...।" (তিরমিজি শরীফ : ৯৬৭)

আমীরে হেফাজত আরো বলেন, সর্বশেষ তথ্যানুযায়ী প্রায় চারশ ডাক্তার চিকিৎসা সেবা দিতে গিয়ে করোনায় আক্রান্ত হয়েছে। এটা যেমন দেশের জন্য উদ্বেগজনক তেমনি এ দুর্যোগকালে তাদের ত্যাগ প্রশংসনীয়। পর্যাপ্ত সুরক্ষা সামগ্রী না থাকলেও অত্যন্ত সাহসিকতার সঙ্গে তারা চিকিৎসা দিয়ে যাচ্ছে। চিকিৎসক, নার্স ও সংশ্লিষ্টদের সেবা ও শ্রম এ জাতি শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করবে।

আল্লামা আহমদ শফী আরো বলেন, গণমাধ্যমের তথ্যানুযায়ী দেশের অনেক জেলা ও উপজেলায় করোনা শনাক্ত করা ও চিকিৎসা সেবা দেয়ার পর্যাপ্ত ব্যবস্থা করা হয়নি। অনেক হাসপাতালে যথাযথ সুরক্ষা ব্যবস্থা না থাকায় অনেক চিকিৎসক ঠিকমতো রোগী দেখতে পারছেন না। ফলে অন্যান্য রোগীদের নিয়মিত সেবা ব্যহত হচ্ছে। এটা উদ্বেগজনক। জেলা-উপজেলার সব হাসপাতালে নিয়মিত চিকিৎসাসেবা পাওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করা হোক!

বার্তা‌প্রেরক
মাওলানা মুহাম্মদ  আনাস মাদানী
প্রচার সম্পাদক : হেফাজ‌তে ইসলাম বাংলা‌দেশ

Tuesday, April 21, 2020

মিথ্যা ও মানহানিকর সংবাদ প্রচারের জন্য নিঃশর্ত ক্ষমা প্রার্থনা ও ভুল স্বীকার করে সংবাদ প্রচার করতে হবে

মিথ্যা ও মানহানিকর সংবাদ প্রচারের জন্য নিঃশর্ত ক্ষমা প্রার্থনা ও ভুল স্বীকার করে সংবাদ প্রচার করতে হবে

মাওলানা মাহফুজুল হকের পক্ষ থেকে
সময় টিভিতে প্রচারিত 
মিথ্যা সংবাদের প্রতিবাদ
—————————
 
ঢাকা
২১শে এপ্রিল’২০২০
গতকাল ২০শে এপ্রিল'২০ সময় টিভিতে আমাকে কেন্দ্র করে একটি সংবাদ এই মর্মে প্রচার করা হয়েছে যে, আমি মাওলানা মাহফুজুল হক মহাসচিব বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস সদ্যপ্রয়াত আমাদের সংগঠনের কেন্দ্রীয় সিনিয়র নায়েবে আমীর প্রখ্যাত আলেমে দ্বীন মাওলানা জুবায়ের আহমদ আনসারীর জানাযায় অধিক লোক জমায়েত করার জন্য ষড়যন্ত্রমূলকভাবে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমীরের সাথে যোগসাজশ করেছি এবং  ফোনালাপের একটি বানোয়াট অডিও ক্লিপ সময় টিভি প্রচার করেছে ৷ এই প্রেক্ষিতে আমার সুস্পষ্ট বক্তব্য হচ্ছে-
সংবাদটি সর্বৈব মিথ্যা, মনগড়া ও পরিকল্পিতভাবে আমাকে হেয় প্রতিপন্ন করার ঘৃণ্য ষড়যন্ত্র ৷ আলেম সমাজকে মানুষের সামনে ষড়যন্ত্রকারী হিসাবে প্রতিপন্ন করার ভয়ংকর অপতৎপরতা ৷ আমি এবং আমাদের সংগঠন ইতিপূর্বেই আমাদের অবস্থান পরিষ্কার করে জাতীয় গণমাধ্যমে বক্তব্য তুলে ধরেছি যে, জানাযায় অনাকাঙ্ক্ষিত অধিক লোক সমাগমের বিষয়টি সম্পূর্ণ অপরিকল্পিত ও কাকতালীয় ৷ ব্যাপক সমাগমের কোন চিন্তাও আমাদের ছিল না ৷ বরং লোকসমাগম যেন না হয় সে জন্য আমরা আমাদের পক্ষ থেকে পদক্ষেপ নিয়েছিলাম ৷ সময় টিভি কর্তৃপক্ষ যে জঘন্য মিথ্যাচার করেছে এতে আমার মারাত্মক রকম মানহানি হয়েছে ৷ আমি কখনোই জামাতের আমীর কিংবা অন্য কারো সাথে এজাতীয় কোন কথোপকথন বা আলোচনা করিনি ৷ আমি অত্র প্রতিবাদ পত্রের মাধ্যমে সুস্পষ্টভাবে বলছি সময় টিভিকে এই মিথ্যা ও মানহানিকর সংবাদ প্রচারের জন্য নিঃশর্ত ক্ষমা প্রার্থনা ও ভুল স্বীকার করে সংবাদ প্রচার করতে হবে ৷ অন্যথায় আমি সময় টিভির বিরুদ্ধে যাবতীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করব

Wednesday, April 8, 2020

ঢাকায় করোনায় আক্রান্ত হয়ে মারা যাওয়া মানুষের কাফন দাফনের জন্য প্রস্তুত একদল কওমি আলেম।

ঢাকায় করোনায় আক্রান্ত হয়ে মারা যাওয়া মানুষের কাফন দাফনের জন্য প্রস্তুত একদল কওমি আলেম।


বিশিষ্ট আলেম সমাজসেবক মাওলানা গাজী ইয়াকুব (Gazi Yakub) সাহেবের নেতৃত্বে এই টিম প্রস্তুতি নিয়েছেন।

মাওলানা গাজী ইয়াকুব সাহেব তার ফেসবুক পোস্টে লিখেন,

জানাযা ও দাফনের জন্য আমাদেরকে ডাকুন

করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে ঢাকা সিটিতে যদি কোন মুসলিম নর-নারী ইন্তেকাল করেন, মেহেরবানী করে আমাদেরকে খবর দিলে আমরাই তার জানাজা এবং দাফনের ব্যবস্থা করব ইনশাআল্লাহ্।

আমাদের নাম্বার 01920781792 (মেহেরবানী করে অহেতুক কেউ কল না দেওয়ার জন্য ধন্যবাদ)
১৪৪১ হিজরীর দাওরা‌য়ে হাদীস, মেশকাত ও বেফা‌কের অন্যান্য পরীক্ষা অাগামী রমযা‌নের ঈ‌দের পর অনু‌ষ্ঠিত হ‌বে। য‌ার যার অবস্থান থে‌কে পরীক্ষার প্রস্তু‌তি নেয়ার অনু‌রোধ করা হ‌চ্ছে!
 

সূত্র: "দারুল উলুম হাটহাজারী" ফেইসবুক পেইজ
একাকী ইবাদ‌তে শ‌বে বরাত পালন করুন | শাহ্  আহমদ শফী

একাকী ইবাদ‌তে শ‌বে বরাত পালন করুন | শাহ্ আহমদ শফী


আগামীকাল ৯ এপ্রিল বৃহস্প‌তিবার ‌দিবাগত র‌াতে শ‌বে বরাত। হাদীস শরী‌ফে যা 'লাইলাতুন নিস‌ফি মিন শাবান' শ‌ব্দে এসে‌ছে। ম‌হিমা‌ন্বিত রজনী হি‌সে‌বে মুস‌লিম সমা‌জে শ‌বে বরা‌তের গুরুত্ব অ‌নেক। এ রা‌তে মানুষ ইবাদত ব‌ন্দেগী‌তে সময় পার করে এবং ‌দি‌নে রোজা রা‌খে। অাল্লাহ তায়ালার দরবা‌রে ক্ষমা প্রার্থনা ক‌রে, কান্নাকা‌টি ক‌রে শ‌বে বরাত পালন ক‌রে থাকে।

‌কিন্তু ক‌রোনা ভাইরাসের ক্ষ‌তি থে‌কে বাঁচ‌তে বর্তমা‌নে অ‌নেক জেলা উপ‌জেলায় লকডাউন ঘোষণা করা হ‌য়ে‌ছে। এম‌নকি মস‌জি‌দে পাঁচ ওয়াক্ত নামা‌জের জামা‌তে সীমিত উপ‌স্থি‌তির পরামর্শ দি‌য়ে‌ছেন দে‌শের শীর্ষ অা‌লেম সমাজ। তাই এহেন প‌রি‌স্থি‌তি‌তে একাকীভা‌বে শ‌বে বরা‌তের যাবতীয় অামল ঘ‌রে করা উ‌চিত। অার সুন্নাহর তাকাজাও এটাই।

আজ বুধবার (৮ এপ্রিল) সন্ধ্যা ৭টায় গণমাধ্য‌মে পাঠা‌নো এক বিবৃ‌তি‌তে তি‌নি এসব কথা ব‌লেন।

আল্লামা শফী আরো ব‌লেন, শ‌বে বরা‌তের ফজিলত সম্পর্কে সহীহ ইবনে হিব্বানের হাদীসে এসে‌ছে, "অর্ধ শাবানের রাতে আল্লাহ তায়ালা আপন সৃষ্টির প্রতি বিশেষভাবে মনোনিবেশ করেন। অতঃপর মুশরিক ও (মুসলিম ভাইয়ের সাথে) শত্রুতা পোষণকারী ছাড়া সমস্ত মাখলুককে ক্ষমা করে দেন।"
তাই এই রা‌তে জে‌গে থে‌কে অ‌ধিক প‌রিমা‌ণে অামল করা উ‌চিত। বি‌শেষ করে বিশ্বব্যাপী ছ‌ড়ি‌য়ে পড়া ক‌রোনা সহ সকল রোগ থে‌কে মুক্ত‌ির জন্য বি‌শেষভা‌বে দোয়া করুন।

আল্লামা শফী আরো ব‌লেন, শ‌বে বরা‌তে একাকী ইবাদত করা রাসূল সা. এর সহীহ হাদীস ও অাছা‌রে সাহাবা ( সাহাবী‌দের অামল ) থে‌কে প্রমা‌ণিত। তাই বেশ‌ি বে‌শি কুরঅান তেলাওয়াত করুন। নি‌জে‌দের কৃত গুনাহ থে‌কে তওবা করুন। মহান অাল্লাহ তায়ালার দরবা‌রে কায়ম‌নোবাক্যে ক্ষমা প্রার্থনা করুন। যিকির করুন। দান-সদকা করুন। কবর জেয়ারত করুন। প‌রিবার প‌রিজন‌কে দী‌নি কা‌জে বে‌শি বে‌শি সম্পৃক্ত করুন।

আল্লামা আহমদ শফী অ‌া‌রো ব‌লেন, শ‌বে বরাতকে কেন্দ্র ক‌রে অামা‌দের দে‌শে বেশ কিছু রসম ও কুসংস্কার চালু হ‌য়ে‌ছে।অ‌নে‌কে হালুয়া রু‌টির ব্যবস্থা ও মস‌জিদ অা‌লোকসজ্জা করে থা‌কেন। নি‌র্দিষ্ট প‌রিমা‌ণ রাকা‌তে জামাত সহকা‌রে নামাজ প‌ড়ে থা‌কেন। এসব বিদঅাত কাজ। তাই বাড়াবা‌ড়ি ও ছাড়াছা‌ড়ি‌তে না গি‌য়ে ‌নিজ নিজ ঘ‌রে একাকী ইবাদ‌তের মাধ্য‌মে শ‌বে বরাত পালন করা উ‌চিত!

বার্তা‌প্রেরক
মাওলানা মুহাম্মদ আনাস মাদানী
প্রচার সম্পাদক : হেফাজ‌তে ইসলাম বাংলা‌দেশ

Friday, April 3, 2020

যুক্তরাষ্ট্রে ২৪ ঘন্টায় রেকর্ড ১ হাজার ৪৯ জনের মৃত্যু!

যুক্তরাষ্ট্রে ২৪ ঘন্টায় রেকর্ড ১ হাজার ৪৯ জনের মৃত্যু!


করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাব ঠেকাতে ব্যর্থ সারা বিশ্ব। ভাইরাসটিতে আক্রান্ত রোগীদের চিকিৎসাসেবা দিতে হিমশিম খাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্রসহ ইউরোপের করোনা আক্রান্ত দেশগুলো। প্রতিনিয়তই বাড়ছে মৃত্যুর মিছিল।

বুধবার (১ এপ্রিল) যুক্তরাষ্ট্রে একদিনে ১ হাজার ৪৯ জনের মৃত্যু হয়েছে। এই নিয়ে দেশটিতে মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়ালো ৫ হাজার ১শ ৫৩ জনে। দেশটিতে করোনা আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা এখন ২ লাখ ১৭ হাজার ৬শ ৬১ জন। আক্রান্তের সংখ্যায় দেশটি ইতালি, চীন ও স্পেনকেও ছাড়িয়ে গেছে।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প আশঙ্কা প্রকাশ করে বলেন, করোনা ভাইরাসে যুক্তরাষ্ট্রে মৃত্যু এক লাখ বা তারও বেশি হতে পারে। এবং এ ধরনের কথা প্রথমবারের মতো স্বীকার করেছেন ট্রাম্প।

হোয়াইট হাউসের রোজ গার্ডেনে করোনা ভাইরাস নিয়ে সংবাদ সম্মেলনে ট্রাম্প একথা বলেন। মৃত্যুর সংখ্যা এক লাখ বা এর নিচে থাকলে ‘সম্মিলিতভাবে করা খুব ভালো কাজ হবে’ বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

জন হপকিন্স বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকদের সংগৃহীত তথ্য অনুযায়ী, যুক্তরাষ্ট্রে করোনায় যত মানুষ মারা গেছেন তার ৪০ শতাংশই হয়েছে দেশটির সবচেয়ে জনবহুল অঙ্গরাজ্য নিউইয়র্কে। করোনায় আক্রান্তের দিক দিয়েও নিউইয়র্কের অবস্থান সবার উপরে।

সফটওয়্যার সল্যুশন কোম্পানি ‘ডারাক্সে’র পরিসংখ্যানভিত্তিক ওয়েবসাইট ‘ওয়ার্ল্ডোমিটারে’ প্রকাশিত তথ্যমতে, বিশ্বব্যাপী করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছে ৯ লাখ ৯৩ হাজার ১৫৫ জন। বিশ্বজুড়ে করোনায় আক্রান্ত হওয়ার পর সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরে গেছেন ২ লাখ ৮ হাজার ৫৩৫ জন।

এদিকে গত ৮ মার্চ বাংলাদেশে প্রথম ওই ভাইরাস শনাক্ত করা হয়। এরপর থেকে দেশবাসীর মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। এ পর্যন্ত দেশে মোট আক্রান্ত ৫৬ জন, মৃত্যুবরণ করেছে ৬ ও সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ২৬ জন। চিকিৎসাধীন রয়েছেন ২৪ জন। আর কোয়ারেন্টিনে রয়েছে ২৬ হাজার ২৩ জন।

২৪ ঘণ্টায় ৭৬০ জন সহ ইতালিতে মোট ১৩৯১৫ জনের মৃত্যু

২৪ ঘণ্টায় ৭৬০ জন সহ ইতালিতে মোট ১৩৯১৫ জনের মৃত্যু




আন্তর্জাতিক ডেস্কঃ ইতালিতে কোনভাবেই নিয়ন্ত্রণে আসছে না করোনা ভাইরাসের প্রাদুর্ভাব। গত ২৪ ঘণ্টায় ইতালিতে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে আরো সাতশ ৬০ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে ইতালিতে করোনাভাইরাসে মৃত্যুর সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৩ হাজার নয়শ ১৫ জনে।

চীনের পর করোনা সবচেয়ে ভয়াল থাবা বসিয়েছে ইতালিতে। এই মারণ ভাইরাসের কালো থাবায় মৃত্যুপুরীতে পরিণত হয়েছে দেশটি। প্রতিদিনই দেশটিতে শত শত মানুষ মারা যাচ্ছেন। আক্রান্তও হচ্ছেন হাজার হাজার মানুষ।

গত ২৪ ঘণ্টায় দেশটিতে নতুন করে আক্রান্ত হয়েছেন চার হাজার ছয়শ ৬৮ জন। আর মোট আক্রান্তের সংখ্যাটি দাঁড়িয়েছে এক লাখ ১৫ হাজার দু’শ ৪২ জনে। তবে চিকিৎসা নিয়ে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরছেন অনেকেই। ১৮ হাজার দু’শ ৭৮ জন এখন পর্যন্ত সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন।

এখন পর্যন্ত সবচেয়ে বেশি সংখ্যক করোনা রোগী শনাক্ত হয়েছে যুক্তরাষ্ট্রে। বৃহস্পতিবার জানানো হয় যুক্তরাষ্ট্রে মোট আক্রান্তের সংখ্যা দুই লাখ ২৭ হাজার ছাড়িয়েছে। দেশটিতে এখন পর্যন্ত মারা গেছেন প্রায় পাঁচ হাজার তিনশ ৪৯ জন মানুষ।

বিশ্বব্যাপী করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন ৯ লাখ ৮৬ হাজার ৭৭৫ জন। আর প্রাণ হারিয়েছেন ৫০ হাজার ৪৪১ জন। সুস্থ হয়েছেন দুই লাখ ৬ হাজার তিনশ ৭২ জন।

এদিকে গত ৮ মার্চ বাংলাদেশে প্রথম ওই ভাইরাস শনাক্ত করা হয়। এরপর থেকে দেশবাসীর মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। এ পর্যন্ত দেশে মোট আক্রান্ত ৫৬ জন, মৃত্যুবরণ করেছে ৬ ও সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ২৬ জন। চিকিৎসাধীন রয়েছেন ২৪ জন। আর কোয়ারেন্টিনে রয়েছে ২৬ হাজার ২৩ জন।

দিল্লির তাবলিগ জামাতে যোগ দেওয়া আরও দুইজনের মৃত্যু

দিল্লির তাবলিগ জামাতে যোগ দেওয়া আরও দুইজনের মৃত্যু


দিল্লির তাবলিগ জামাতে যোগ দেওয়া আরও দুইজনের মৃত্যু
আন্তর্জাতিক ডেস্কঃ নিজামুদ্দিনের মারকাজে যোগ দেওয়া তাবলিগ জামাতের আরও দুইজন করোনায় মারা গেছেন বলে জানিয়েছেন দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়াল। এই নিয়ে তবলিগে যোগসূত্রে বিভিন্ন রাজ্যে মৃত্যুর সংখ্যা ১১ জনে দাঁড়িয়েছে।

কেজরিওয়াল বলেন, নিজামুদ্দিন মারকাজে অংশ নেওয়া দুইজন ব্যক্তি আজ করোনভাইরাসে মারা গেছেন এবং ২ হাজার ৩৪৬ জন অংশগ্রহণকারীকে মারাত্মক সংক্রমণের সন্দেহে পরীক্ষা করা হচ্ছে।

কমিউনিটি পর্যায়ে ভাইরাসটি ছড়ায়নি দাবি কেজরিওয়াল বলেন, প্রাপ্ত তথ্য অনুসারে দিল্লিতে এখন ভাইরাসটির কমিউনিটি সংক্রমণ গটার কোন প্রমাণ পাওয়া যায়নি। তবুও মারকাজে যারা ছিলেন তাদের ভ্রমণ ও সংস্পর্শে আসা মানুষদের চিহ্নিত করা হচ্ছে।

এর আগে গত ১ মার্চ দিল্লির নিজামুদ্দিন মারকাজ মসজিদে মুসলিম ধর্মাবলম্বীদের সংগঠন তাবলিগ জামাতের একটি ধর্মীয় সমাবেশ শুরু হয়। মালয়েশিয়া, ইন্দোনেশিয়া, সৌদি আরব ও কিরগিজস্তানের প্রতিনিধিসহ প্রায় দুই হাজার মানুষ ওই আয়োজনে অংশ নেন। ১৫ মার্চ অনুষ্ঠান শেষ হওয়ার পরও অনেকে সেখানে থেকে যান।

এরইমধ্যে ওই আয়োজনে অংশ নেওয়া প্রায় চারশ’ জনের করোনাভাইরাস শনাক্ত হয়েছে। নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে এই সমাবেশ করায় তাবলিগ জামাতের প্রধান মাওলানা সাদসহ সাত জনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেছে দিল্লি পুলিশ। তবলিগ জামাতের যোগসূত্রে বিভিন্ন রাজ্যে এখনও পর্যন্ত মৃত্যু হয়েছে অন্তত ১১ জনের।

সূত্র- হিন্দুস্তান টাইমস

তাবলিগ জামাতের আমির মাওলানা সাদ করোনায় আক্রান্ত!

তাবলিগ জামাতের আমির মাওলানা সাদ করোনায় আক্রান্ত!


তাবলিগ জামাতের আমির মাওলানা সাদ করোনায় আক্রান্ত!
আন্তর্জাতিক ডেস্কঃ তাবলিগ জামাতের আমির মাওলানা সাদ কান্ধলভি করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন বলে ধারণা করা হচ্ছে।

ভারতের আনন্দবাজার পত্রিকা খবর প্রকাশ করেছে যে, ভারতীয় গোয়েন্দা পুলিশ ধারণা করছে মাওলানা সাদ করোনায় আক্রান্ত।

বুধবার (১লা এপ্রিল), মওলানা সাদের নামে যে দু’টি অডিও প্রকাশ্যে এসেছে তা সে দিকে ইঙ্গিত করছে বলে তাদের ধারণা। মারকাজ ইউটিউব চ্যানেলে বুধবার সাদের দুটি অডিও ক্লিপস প্রকাশ করা হয়।

এর একটিতে সাদ দাবি করেন, করোনাভাইরাস তার অনুসারীদের কোনো ক্ষতি করতে পারবে না। মৃত্যুর জন্য মসজিদই সর্বোত্তম স্থান বলে মন্তব্য করেন তিনি। পরের অডিও ক্লিপসে তিনি তাবলিগের সাথীদের করোনা প্রতিরোধে সরকারি নির্দেশনা মেনে চলতে এবং জনসমাবেশ এড়িয়ে চলার আহ্বান জানান।

সাদ এই অডিও ক্লিপসে আরও জানান, তিনি দিল্লিতেই রয়েছেন। এক চিকিৎসকের পরামর্শ মেনে এখন আইসোলেশনে রয়েছেন।

সরকারি নির্দেশনা অমান্যের অভিযোগে বুধবার সাদ ও তার সাত অনুসারীর বিরুদ্ধে মামলা করেছে দিল্লি পুলিশ। এরইমধ্যে মাওলানা সাদকে ধরতে ইতিমধ্যেই লখনউ, মুজফফরনগরসহ বিভিন্ন এলাকায় দিল্লি ক্রাইম ব্রাঞ্চ তল্লাশি করছে।

২৮শে মার্চ থেকে খোঁজ পাওয়া যাচ্ছে না মাওলানা সাদের। দিল্লি পুলিশের দল উত্তরপ্রদেশের মুজাফফরনগরেও গিয়েছে তার অনুসন্ধানে। দিল্লিতেও তার খোঁজে তল্লাশি চলছে। এছাড়া সাদ কোনো হাসপাতালে রয়েছেন কিনা জানতে ১৪টি হাসপাতালে পুলিশ যোগাযোগ করেছে।

মার্চের মাঝামাঝি দিল্লির নিজামউদ্দিন মারকাজে ইজতেমার আয়োজন করেছিলেন সাদ ও তার অনুসারীরা। ওই ইজতেমায় অংশ নেওয়া ১২৮ জনের শরীরে করোনা সংক্রমণ ধরা পড়ে। এদের মধ্যে সাত জনের মৃত্যু হয়েছে। ধারণা করা হচ্ছে অন্তত ৪০০ জন করোনা আক্রান্তের যোগসূত্র রয়েছে এই ইজতেমার সঙ্গে।

Wednesday, April 1, 2020

ঈদ পর্যন্ত বাড়তে পারে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ছুটি

ঈদ পর্যন্ত বাড়তে পারে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ছুটি

করোনাভাইরাসের কারণে দেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের চলমান ছুটি বাড়ানো হতে পারে। এই ছুটির মেয়াদ বাড়িয়ে ঈদুল ফিতর পর্যন্ত বাড়ানোর চিন্তাভাবনা করছে শিক্ষা মন্ত্রণালয় এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়। তবে এ বিষয়ে এখনও চূড়ান্তভাবে সিদ্ধান্ত হয়নি।

চলমান করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাবে কয়েকটি ধাপে আগামী ৯ এপ্রিল পর্যন্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে। বিশ্বব্যাপী বর্তমান পরিস্থিতির ভয়াভয়তা বেড়ে যাচ্ছে। ঘরের বাইরে বের হওয়াটা আরও ঝুকিপূর্ণ হয়ে পড়েছে। এমন পরিস্থিতিতে শিক্ষার্থীদের ঝুঁকির মধ্যে না ফেলে তাদের নিরাপত্তায় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান দীর্ঘ সময়ের জন্য বন্ধ রাখার চিন্তা-ভাবনা করা হচ্ছে। বর্তমান ছুটি শেষ হওয়ার আগেই আগামী রমজান ও ঈদের ছুটি পর্যন্ত বাড়ানো হতে পারে।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সচিব মো. মাহবুব হোসেন সোমবার জাগো নিউজকে বলেন, ‘সামগ্রিক বিষয় বিবেচনা করে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেয়া হবে। সবার আগে শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা ও স্বাস্থ্যঝুঁকির বিষয়টি বিবেচনা করা হবে। করোনাভাইরাসের সংক্রমণ পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ রাখা হবে। প্রয়োজনে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ছুটি বাড়ানো হতে পারে।’

সচিব বলেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ রাখা হলে শিক্ষা কার্যক্রম চালিয়ে রাখতে বেশ কিছু বিকল্প পন্থা হাতে নেয়া হয়েছে। তার মধ্যে সংসদ টেলিভিশনে শ্রেণি পাঠ কার্যক্রম শুরু করা হয়েছে। ভিন্ন আরও কিছু পন্থা আমরা চিন্তা-ভাবনা করেছি। দীর্ঘসময় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকলে সেসব বাস্তবায়ন করা হবে।

‘এমনিতে বছরের অর্ধেক সময় বিভিন্ন কারণে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ছুটি থাকে। তাই শিক্ষার্থীদের দীর্ঘ শিক্ষাজীবনে যাতে কোনো ব্যাঘাত না হয়, তাও আমাদের বিবেচনায় নিতে হবে। প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে আলোচনা করে ছুটি বৃদ্ধির বিষয়ে দ্রুত সিদ্ধান্ত নেয়া হবে’-যোগ করেন সচিব মাহবুব হোসেন।

অন্যদিকে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদফতরের (ডিপিই) মহাপরিচালক মো. ফসিউল্লাহ সোমবার জাগো নিউজকে বলেন, সকল আগে শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা আমাদের কাছে গুরুত্বপূর্ণ। এই বিবেচনায় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলার সিদ্ধান্ত নেয়া হবে। করোনা পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত বিদ্যালয় বন্ধ রাখা হবে।

তিনি বলেন, বর্তমান ছুটি বাড়ানোর বিষয়ে আমরা ভাবছি। তবে এখনও বিষয়টি নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেয়া হয়নি। তবে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকলেও বিকল্প পন্থায় শিক্ষার্থীদের পাঠদান কার্যক্রম চালিয়ে নেয়া হবে। চলতি সপ্তাহ থেকে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রথম থেকে পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের জন্য অভিজ্ঞ শিক্ষকদের ক্লাস রেকর্ডি করে টেলিভিশনে তা সম্প্রচার শুরু করা হবে। বাসায় বসে শিক্ষার্থীরা সিলেবাস অনুযায়ী পড়ালেখা করার সুযোগ পাবে।

করোনাভাইরাসের কারণে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকায় ষষ্ঠ থেকে দশম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের সংসদ টেলিভিশন চ্যানেলের মাধ্যমে সেরা শিক্ষকদের রেকর্ডিং করা ক্লাস রোববার থেকে সম্প্রচার শুরু করেছে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদফতর (মাউশি)।


Saturday, March 28, 2020

হেফাজতের আইনজীবি এ্যাডভোকেট সানাউল্লাহ মিয়া: স্মৃতি ও প্রার্থণা | আল্লামা মামুনুল হক

হেফাজতের আইনজীবি এ্যাডভোকেট সানাউল্লাহ মিয়া: স্মৃতি ও প্রার্থণা | আল্লামা মামুনুল হক

হেফাজতের আইনজীবি   এ্যাডভোকেট সানাউল্লাহ মিয়া:  স্মৃতি ও প্রার্থণা
২০১৩ সালে শাপলার ম্যাচাকারের পর যখন হেফাজতের উপর ক্র্যাকডাউন চলে, সারা দেশে অনেকেই বন্দি হন ৷ কারাবন্দীদের সেই তালিকায় আমিও ছিলাম ৷ হেফাজতের তিনটি মামলাসহ মিরপুর ও দারুস সালাম থানার ১২টি পেন্ডিং মামলায় আমাকে শ্যেন এ্যারেস্ট দেখানো হয় ৷ মোট ১৭টি মামলা মোকাবেলা করে জামিন নিয়েই কারাগার থেকে আমাকে বের হতে হয়েছিল ৷ এতগুলো মামলা শুনানি করে জামিন করার ক্ষেত্রে যার অবদান চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবে, তিনি হলেন অ্যাডভোকেট সানাউল্লাহ মিয়া ৷ তার প্রতিষ্ঠান থেকেই হেফাজতের মহাসচিব আল্লামা জুনায়েদ বাবুনগরীসহ আমাদের প্রায় সকল হেফাজত বন্দিদের মামলা পরিচালনা করা হয় ৷ তার জুনিয়র আইনজীবিরাই মামলা সংক্রান্ত অধিকাংশ কার্যক্রম পরিচালনা করেন ৷ তবে গুরুত্বপূর্ণ সময়গুলোতে তিনি নিজেই উপস্থিত থেকে মামলা চালাতেন ৷ আল্লামা বাবুনগরীর জামিন তিনিই নিয়েছিলেন ৷
আজও আমার চোখে ভাসে সেই দৃশ্যটি, যেদিন আমার বিরুদ্ধে ঢাকার সিএমএম কোর্টে ৭টি মামলার জন্য ১০দিন করে মোট ৭০দিনের রিমান্ড আবেদন করেছিল পুলিশ, সেই রিমান্ড আবেদনের বিপক্ষে আমার আইনজীবি হিসেবে শুনানি করেছিলেন অ্যাডভোকেট সানাউল্লাহ মিয়া নিজেই ৷ খুব বেশি কথা তাকে বলতে হয়নি ৷ অল্প কিছু কথাই বলেছিলেন ৷ তবে কথা অল্প হলেও কথার মধ্যে ছিল যুক্তি, প্রাঞ্জলতা ও ব্যক্তিত্বের প্রভাব ৷ যার ফলে ৭০দিনের রিমান্ড আবেদনের প্রেক্ষিতে আদালত কেবল দুই দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছিল ৷ ২০১৩সাল থেকে অদ্যাবধি সেই মামলাগুলোর ঘানি টেনে চলছি আমি ৷ মামলার কাজগুলো  সানাউল্লা সাহেবের প্রতিষ্ঠান থেকেই পরিচালনা করা হয় ৷ এ্যাডভোকেট জয়নুল আবেদীন মেসবাহ এবং অ্যাডভোকেট শাকিল আহমেদ রিপন আমার মামলাগুলো দেখে থাকেন ৷ মামলার কাজে মাঝে মাঝে সানাউল্লাহ সাহেবের অফিসে যেতে হয় ৷ তিনি অফিসে থাকলে  তার সাথে দেখা করতাম ৷ মিষ্টি হেসে তিনি কুশল বিনিময় করতেন ৷ শান্তনার বাণী শোনাতেন ৷ সাহস যোগাতেন ৷ এভাবে নিরলস ভাবে আলেম-ওলামাদের আইনি সহায়তা দিয়ে বহু আলেমের মন জয় করেছেন ও দোয়া কুড়িয়েছেন  ঢাকা মহানগর আইনজীবী সমিতির সাবেক এই নেতা ৷ আজ তিনি চলে গেছেন চির বিদায় নিয়ে ৷

বিগত দশ বছর সরকারী জুলুম-নীপিড়নের মুখে বিরোধী দলীয় নেতাকর্মীদেরকে তিনি যেই সহায়তা দিয়েছেন, তাও এক কথায় অবিস্মরণীয় ৷ নীপিড়িত, হয়রানীর শিকার মানুষদেরকে এবং বিশেষ করে নবী-প্রেমের নিখাঁদ আন্দোলন হেফাজতে ইসলামের মামলায় আসামীদেরকে তিনি যেই আন্তরিকতায় অভূতপূর্ব সেবা দিয়েছেন, আল্লাহ তাকে এর উত্তম বিনিময় দিবেন বলে আমি আশাবাদী ৷ তিনি যেভাবে আল্লামা বাবুনগরীসহ আমাদের জামিন নিয়েছিলেন, তার জন্যও আল্লাহর মহান আদালতে আমরা জামিন চাই ৷ আমাদের এ আবেদন মঞ্জুর কর হে মহান আদালতের মালিক ! মরহুমকে দান কর  মাগফেরাত ও চির সুখের জান্নাত !! আমীন ইয়া রাব্বাল আলামীন !!

Wednesday, March 18, 2020

কাতারেও মসজিদে জুমা-জামাত বন্ধের ঘোষণা

কাতারেও মসজিদে জুমা-জামাত বন্ধের ঘোষণা

কাতারেও মসজিদে জুমা-জামাত বন্ধের ঘোষণা
মধ্যপ্রাচ্যের দেশ আরব আমিরাত, কুয়েতের পরে কাতারও  প্রাণঘাতী করোনাভাইরাস বিস্তার রোধে সব মসজিদে পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ ও জুমার জামাত বন্ধ রাখার ঘোষণা দিয়েছে। সৌদি ভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল আরাবিয়া এ খবর জানিয়েছে।

এর আগে সোমবার দেশটিতে ৩৮ জন নতুন করোনা আক্রান্তকে শনাক্ত করা হয়েছে। কাতার নিউজ এজেন্সি জানিয়েছে, দেশটিতে মোট আক্রান্তের সংখ্যা ৪৩৯ এ পৌঁছেছে। এরমধ্যে বিদেশ থেকে ফিরে আসা তিন কাতারি নাগরিকও রয়েছে।
জনস্বাস্থ্যের হুমকির মুখোমুখি হয়ে সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরাত, কুয়েত, বাহরাইন, কাতার এবং ওমান মহামারী মোকাবেলায় কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে।
সৌদিতেও হারামাইন ব্যতীত সব মসজিদ বন্ধের ঘোষণা

সৌদিতেও হারামাইন ব্যতীত সব মসজিদ বন্ধের ঘোষণা

সৌদিতেও হারামাইন ব্যতীত সব মসজিদ বন্ধের ঘোষণা
মহামারী করোনা ভাইরাসের বিস্তার ঠেকাতে মক্কার মসজিদে হারাম এবং মদিনার মসজিদে নববী ব্যতীত সৌদি আরবের সব মসজিদে জুমা-জামাত বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে।
সৌদি আরবের সর্বোচ্চ উলামা পরিষদের সম্মতিতে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানানো হয়েছে সৌদি ভিত্তিক হারামাইন শরিফাইন ফেসবুক পেজ।
মধ্যপ্রাচ্যে ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়েছে করোনা ভাইরাস। এর আগে কুৃয়েত, আরব আমিরাত, কাতার সহ বিভিন্ন বিভিন্ন দেশে সতর্কতামূলক কঠিন পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে।

Tuesday, March 17, 2020

করোনা ভাইরাস থেকে বাঁচার জন্য স্বপ্নযোগে রাসূল সা. তিনটি আমল শিখিয়ে দিয়েছেন।

করোনা ভাইরাস থেকে বাঁচার জন্য স্বপ্নযোগে রাসূল সা. তিনটি আমল শিখিয়ে দিয়েছেন।

করোনা ভাইরাস থেকে বাঁচার জন্য স্বপ্নযোগে রাসূল সা. তিনটি আমল শিখিয়ে দিয়েছেন।

শায়খুল ইসলাম আল্লামা মুফতি তাকী উসমানী হাফিযাহুল্লাহ্ এক ভিডিও বার্তায় বলেন,
“তাবলীগ জামাতের সাথে সম্পর্ক রয়েছে এমন একজন নেককার বুযুর্গ ব্যক্তির স্বপ্নযোগে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সাথে মুলাকাত হয়েছে। সেই স্বপ্নে বর্তমান বিশ্বব্যাপী করোনা ভাইরাস নামক মহামারী থেকে বাঁচার জন্য রাসূল সা. তিনটি আমল শিখিয়ে দিয়েছেন।
★আমল ৩টি হলো-
১) ৩ বার সূরা ফাতিহা পাঠ করা
২) ৩ বার সূরা ইখলাস পাঠ করা
৩) ৩১৩ বার ﺣَﺴْﺒُﻨَﺎ ﺍﻟﻠّٰﻪُ ﻭَﻧِﻌْﻢَ ﺍﻟْﻮَﻛِﻴْﻞُ পড়া।”

উক্ত বুযুর্গ এই স্বপ্নের কথা শায়খুল ইসলাম মুফতি তাকী উসমানী হাফিযাহুল্লাহকে শুনিয়েছেন।
Collected
আকীদা এবং আমল  প্রসঙ্গ: ভাইরাস সংক্রমন | আল্লামা মামুনুল হক

আকীদা এবং আমল প্রসঙ্গ: ভাইরাস সংক্রমন | আল্লামা মামুনুল হক

আকীদা এবং আমল  প্রসঙ্গ:ভাইরাস সংক্রমন
করোনা ভাইরাস ছড়িয়ে পড়ার আশংকা থেকে গৃহিত সতর্কতামূলক পদক্ষেপের বিষয়ে অবহেলা করার সুযোগ মোটেই নেই ।
হাদীসের ভাস্য-
لا عدوى ولا طيرة ....
‏সংক্রমন এবং কুলক্ষণ বাস্তব নয়।- সহীহ মুসলিম ।
এই হাদীসটি ইসলামী আকীদা বর্ণনা করছে । আমল বা কর্মপন্থার বিষয়ে এতে কোনো নির্দিষ্ট নির্দেশনা নেই । রোগ-ব্যধির সংক্রমনজাতীয় কোনো সংকটে কর্মপন্থা বিষয়ে এই হাদীসটি নিরব । এমন ক্ষেত্রে মুমিনদের করণীয় কর্মপন্থা বিষয়ে অন্য দুটি হাদীসের ভাস্য দ্ব্যর্থহীন । একটি হল-
فر من المجذوم فرارك من الأسد
কুষ্ঠ আক্রান্ত ব্যক্তি হতে দূরে সরে থাক যেমন সিংহ থেকে পালিয়ে থাকো। -সহীহ বুখারী
অপর হাদীসটি হল-
لا يورد ممرض على مصح
অসুস্থ ব্যক্তি যেন সুস্থদের কাছে না ভিড়ে।-সহীহ বুখারী
এমন সুস্পষ্ট নির্দেশনা থাকতে এ বিষয়ে কোনো সংষয় কিংবা গাফলতি মুমিনের শান হতে পারে না।
কুরআন বলেছে-واذا مرضت فهو يشفين
অসুস্থ হলে আরোগ্য্য দান করেন আল্লাহ । কিন্তু চিকিৎসককে দিয়ে চিকিৎসা করা সুন্নত ।
করোনা ভাইরাস   মুফতী তাকী উসমানীর গুরুত্বপূর্ণ বার্তা

করোনা ভাইরাস মুফতী তাকী উসমানীর গুরুত্বপূর্ণ বার্তা

করোনা ভাইরাস   মুফতী তাকী উসমানীর গুরুত্বপূর্ণ বার্তা

শাইখুল ইসলাম মুফতী তাকী উসমানী হাফিযাহুল্লাহ বিশ্বব্যাপী আলোচিত করোনা ভাইরাস বিষয়ে সংক্ষিপ্ত তবে সারগর্ভ ইসলামী বার্তা তুলে ধরেছেন।

তাঁর বার্তাটি পাকিস্তানের বিখ্যাত দ্বীনী প্রতিষ্ঠান জামিয়াতুর রশীদের অফিসিয়াল ইউটিউব চ্যানেলে প্রকাশিত হয়েছে।

হযরতের বক্তব্যের হুবহু অনুবাদ নিম্নে তুলে ধরা হল-

“বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহীম

আজকাল বিশ্বব্যাপী করোনা ভাইরাসের সংক্রমণের কথা শোনা যাচ্ছে। এর বিস্তৃতি ক্রমেই বাড়ছে। একে প্রতিরোধ করার জন্য ও সর্তকতামূলক পদক্ষেপ গ্রহণের কথা বলা হচ্ছে।

কেউ কেউ মনে করেন, এক্ষেত্রে পূর্ব সতর্কতামূলক পদক্ষেপ গ্রহণ করা ইসলামের তাওয়াক্কুলের পরিপন্থী। এ কথাটি একেবারেই সঠিক নয়। স্বয়ং নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এরকম পরিস্থিতিতে পূর্ব সতকর্তামূলক পদক্ষেপ গ্রহণের দিক-নির্দেশনা প্রদান করেছেন।

যেমন, তাউন বা প্লেগ রোগ কোথাও ছড়িয়ে পড়লে, বাহির থেকে কাউকে সেখানে যেতে বারণ করেছেন। আর ভিতরের লোককে বাহিরে যেতে নিষেধ করেছেন।

সুতরাং এ ধরনের পদক্ষেপ গ্রহণ করা শরীয়তের চাহিদার অন্তর্ভু্ক্ত।

অতএব এ ব্যাপারে সরকার প্রধান বা স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে যেসব নির্দেশনা প্রদান করা হচ্ছে, তা অনুসরণ করা শুধু উচিত-ই নয়; বরং শরীয়াতের দৃষ্টিতেও জরুরী।

সরকার প্রধান যদি মুবাহ কোনো বিষয়ে পাবন্দী বা নিয়ন্ত্রন আরোপ করেন তবে তা পালন করতে হবে।

অধিক হারে লোক সমাগম হয় এমন কোনো প্রোগ্রাম বা অনুষ্ঠানে যেহেতু করোনা ভাইরাস ছড়িয়ে পড়ার আংশকা প্রবল, তাই এ মুহূর্তে এমন প্রোগ্রামের আয়োজন না করাই উচিত।

বিয়ে-শাদীর প্রোগ্রাম ছোট পরিসরে করা উচিত। লোক সমাগম যেনো কম হয়। তাছাড়া বিয়ে শাদী ছোট পরিসরে হওয়াই সুন্নাহ।

হয় বিয়ে শাদীর প্রোগ্রাম এ মুহূর্তে পিছিয়ে দিন অথবা পরিসর ছোট করুন।

জুমা ও অন্যান্য ফরয নামাযের ক্ষেত্রে শুধু ফরযটি মসজিদে পড়বে। বাকি সুন্নাত ও নফল নামায ঘরেই আদায় করবে। তাছাড়া স্বাভাবিক অবস্থায়ও নফল নামায ঘরে পড়াই উত্তম।

এমনকি ওযুও বাসা থেকেই করে আসবে।

এমনকি জুমা ও অন্যান্য নামাযের ক্ষেত্রে ইমাম সাহেবগণ ক্বেরাত সংক্ষেপ করাই উত্তম।

স্বাস্থ্য মন্ত্রনালয় থেকে যদি মুসাফাহা না করার পরামর্শ দেয়া হয়, তবে সেটাও পালন করা উচিত। মুসাফাহা করবে না। কারণ তা ফরয বা ওয়াজিব নয়। আর যা ফরয বা ওয়াজিব নয়, সেটা এ মুহূর্তে ত্যাগ করতে কোনো সমস্যা নেই।

পূর্বে যা বলা হল তা অনুসরণ করাই ভালো। এতে নিজ ও দেশ সকলেরেই কল্যাণ রয়েছে। এটি শরীয়াহ্ ও নববী নির্দেশনার সম্পূর্ণ অনুকুল। সুতরাং এর উপর আমল করা চাই। 

Thursday, March 12, 2020

করোনাভাইরাস থেকে বাঁচতে অাল্লামা অাহমদ শফীর পাঁচটি বি‌শেষ পরামর্শ

করোনাভাইরাস থেকে বাঁচতে অাল্লামা অাহমদ শফীর পাঁচটি বি‌শেষ পরামর্শ

চীনের উহান শহর থে‌কে বের হ‌য়ে এখন বিশ্বব্যাপী ছড়িয়ে পড়ে‌ছে করোনাভাইরাস। যা এখন সবার মাঝে এক মহা আতংক ও মৃত্যুর কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। অার এখান বাঁচ‌তে পাঁচ‌টি শরীয়াহ‌ভি‌ত্তিক পরামর্শ প্রদান করেছেন হেফাজতে ইসলাম বাংলা‌দেশ এর অামীর, দারুল উলূম হাটহাজারীর মহাপ‌রিচালক অাল্লামা শাহ অাহমদ শফী।

অাজ (মঙ্গলবার) ১০ শে মার্চ ‌সন্ধ্যা ৬টায় গণমাধ্য‌মে পাঠা‌নো এক বিবৃ‌তি‌তে তি‌নি জনগ‌ণের প্রতি পাঁচটি পরামর্শ প্রদান ক‌রেন।

অাল্লামা অাহমদ শফী বলেন, ক‌রোনাভাইরাস থে‌কে বাঁচ‌তে কুরঅান-সুন্নাহর অা‌লো‌কে কিছু পরামর্শ দি‌তে চাই!

এক. রোগ-মহামা‌রি কিংবা দুর্য‌োগ অাল্লাহ তায়ালার পক্ষ হ‌তে অা‌সে। বান্দা‌দের পরীক্ষা করতে বি‌ভিন্ন সময় অাল্লাহ তায়ালা এমন ক‌রে থাক‌েন। যেমন পবিত্র কুরঅা‌নে ব‌র্ণিত হ‌য়ে‌ছে, "অবশ্যই আমি তোমাদের পরীক্ষা করব কিছুটা ভয়, ক্ষুধা, মাল ও জানের ক্ষতি এবং ফল-ফসল বিনষ্টের মাধ্যমে। তবে ধৈর্যধারণকারীদের জন্য রয়েছে সুসংবাদ।' (সূরা বাকারা: ১৫৫)

তাই বর্তমান সময়‌ে অামাদের উ‌চিত হ‌বে ধৈর্যধারণ কর‌া, অাল্লাহ তায়ালার উপর বিশ্বাস অা‌রো সুদৃঢ় করা এবং তাঁর কা‌ছে ক্ষমা প্রার্থনা করা।

দুই. মহা‌মা‌রি কিংবা ভাইরাস নতুন কিছু ন‌য়। বি‌ভিন্ন শতা‌ব্দি‌তে বিশ্বব্যাপী এমন ভাইরাস ছড়ি‌য়ে প‌ড়ে‌ছিল। রাসূল সা. এর সম‌য়েও এমন মহাম‌া‌রি রোগ ছ‌ড়ি‌য়ে‌ছিল।
মানবতার মু‌ক্তির দূত রাসূল সা. এর সমাধানও দি‌য়ে গে‌ছেন। রাসূল সা. ইরশাদ করে‌ছেন, যদি তোমরা মহামারীর কোনো সংবাদ শোন, তো সেখানে তোমরা প্রবেশ হতে বিরত রাখ। আর যদি কোনো শহরে বা নগরে কেউ সে মহামারীতে আক্রান্ত হয়, তো সেখান থেকে তোমরা বের হয় না।' (বুখারী শরীফ : হাদীস নং ৫৩৯৬)

তাই কোথাও মহামা‌রি কিংবা সংক্রমণব্যাধি দেখা দি‌লে ওই জায়গা থে‌কে প্রস্থান করা অনু‌চিত। তাই অামা‌দের হাদিসটির উপর অামল করে গমন ও প্রস্থান ‌বিষ‌য়ে সতর্কতা; প্র‌য়োজনে কড়াক‌ড়ি অা‌রোপ করা উ‌চিত।

‌তিন : পৃ‌থিবী‌তে যা কিছু ঘ‌টে সব‌কিছু অ‌া‌ল্লাহ তাঅালার ইচ্ছা‌তেই ঘ‌টে। ত‌বে সব‌কিছুর কারণ ও প্রতিকার বুঝতে অামরা সামর্থ রা‌খি না। কারণ অাল্লাহ তায়ালা সব‌চে‌য়ে কৌশলী ও প্রজ্ঞাবান। তাই এহেন মুহূ‌র্তে অামা‌দের উ‌চিত হ‌বে মস‌জি‌দে ও ঘ‌রে সম্ম‌িলিত কিংবা একা‌কীভা‌বে ‌দোয়ার অামল করা । অ‌াল্লাহ তায়‌ালার কা‌ছে সমস্ত অপরাধ ও পাপ থে‌কে ক্ষমা চাওয়া এবং ক‌রোনাভাইরাস সহ সকল প্রকার রোগ থে‌কে প‌রিত্রাণ চাওয়া। কারণ ‌কান্না‌বিজ‌ড়িত দোয়া অাল্লাহ তায়‌ালার অাজাব কমা‌তে পা‌রে।

চার: প্র‌ত্যেক মস‌জি‌দে কাল ফজর থে‌কে কুনু‌তে না‌জেলা পড়া হোক। কারণ কুনু‌তে না‌জেলার মাধ্য‌মে অ‌াল্লাহ তায়‌ালা কা‌ছে বি‌শেষ অা‌র্জি করা হয়। যেমন হযরত আবু হুরায়রা রা. বলেন, "রাসূল সা. ফজরের নামাযের সময় সর্বদা কুনুত নাজেলা পড়তেন না। শুধু পড়তেন কোন জাতির জন্য দোয়া করতে বা বদদোয়া করার প্রয়োজন হলে। তিনি কুনুত পড়তেন যখন ফজরের নামাজের দ্বিতীয় রাকাতের রুকু থেকে মাথা উঠাতেন"।

অার‌বের বি‌ভিন্ন দে‌শে মানুষ মস‌জি‌দে যা‌চ্ছে না। জুমার নাম‌াজে অংশ নি‌চ্ছে না। এটা অনু‌চিত ও গ‌র্হিত কাজ। যে অাল্লাহ তায়ালা এই রোগ দি‌য়ে‌ছেন তার কা‌ছেই মু‌ক্তি চাওয়াই প্রকৃত মু‌মি‌নের কাজ।তাই মস‌জি‌দে মস‌জি‌দে কুনু‌তে না‌জেলার অামল করা হোক।

প‌াঁচ : সর্বাবস্থায় নি‌জেকে প‌রিচ্ছন্ন রাখুন।
নিজেকে জীবাণুমুক্ত রাখুন, দু'হাত ধৌত করুন। সবসময় অজু অবস্থায় থাক‌তে চেষ্টা করুন। ময়লা আবর্জনার মাধ্যমে  কোন ব্যাধি যেন না ছড়ায় সে‌দি‌কে সর্বোচ্চ সতর্কতা অবলম্বন করুন। কারণ প‌রিষ্কার-প‌রিচ্ছন্নতা রোগ নিরাম‌য়ে সহ‌যোগী এবং এক‌টি সুন্নাহসম্মত কাজ।

বার্তা‌প্রেরক
মাওলানা মুহাম্মদ অানাস মাদানী
প্রচার সম্পাদক : হেফাজ‌তে ইসলাম বাংলা‌দেশ

Saturday, March 7, 2020

মুজিব বর্ষে অতিথি মোদীকে সর্বোচ্চ সম্মান প্রদান করবে বাংলাদেশ

মুজিব বর্ষে অতিথি মোদীকে সর্বোচ্চ সম্মান প্রদান করবে বাংলাদেশ

ভারতের বিদেশ সচিবের ঢাকা সফরের পরেই ফের ইসলামিক সংগঠনগুলিকে বার্তা বাংলাদেশ সরকারের। মুক্তিযুদ্ধের বন্ধু দেশ ভারতের প্রধানমন্ত্রীর জন্য বিশেষ আপ্যায়ন থাকছে। আগামী ১৭ মার্চ থেকে বাংলাদেশের জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবর্ষ পালন শুরু। অনুষ্ঠানে থাকছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী, প্রাক্তন রাষ্ট্রপতি প্রণব মুখোপাধ্যায়, পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, কংগ্রেস নেত্রী সোনিয়া গান্ধী সহ বিশিষ্টরা।
এদিকে দিল্লির ভয়াবহ গোষ্ঠী সংঘর্ষের পর উত্তপ্ত বাংলাদেশ। হেফাজতে ইসলাম সহ বিভিন্ন মুসলিম সংগঠনের হুঁশিয়ারি, ভারতে সংখ্যাসঘু মুসলিমদের উপর হামলার প্রতিবাদে মোদীকে ঘিরে বিক্ষোভ দেখানো হবে। তবে কংগ্রেস বা অন্যান্য কোনও দলের প্রতিনিধিদের চিন্তা নেই। এই হুঁশিয়ারির পরেই বারবার বাংলাদেশ সরকার মোদীর আমন্ত্রণ নিয়ে বার্তা দিচ্ছে। সোমবার ভারতের বিদেশ সচিব তথা ঢাকায় দীর্ঘ সময় কাটানো প্রাক্তন ভারতীয় রাষ্ট্রদূত হর্ষবর্ধন শ্রিংলা আসেন। তিনি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে সাক্ষাত করেন।
আর মঙ্গলবার সিলেটে বিদেশমন্ত্রী এ কে আবদুল মোমেন সাংবাদিক সম্মেলনে বলেন, ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীকে বাংলাদেশের সাধারণ মানুষও সম্মান জানাবেন। তবে তিনি এও বলেছেন, যারা নরেন্দ্র মোদীর সফরের বিরোধিতা করছেন, এটা তাদের নিজস্ব ব্যাপার। তবে মোদীকে সর্বোচ্চ সম্মান জানবে বাংলাদেশ। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশত বার্ষিকী উপলক্ষে মুজিব বর্ষের অনুষ্ঠানে অতিথি হিসেবে ভারতের প্রধানমন্ত্রীকে আমন্ত্রণ জানিয়েছে বাংলাদেশ সরকার।
বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধে বিশেষ সহযোগিতার জন্য ভারতীয় প্রধানমন্ত্রীসহ আরও কয়েকজনকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। বিদেশমন্ত্রী এ কে মোমেন বলেন, আমাদের স্বাধীনতার বন্ধু রাষ্ট্রের প্রধানমন্ত্রীকে সর্বোচ্চ সম্মাননাই জানাবে সরকার। বাঙালি বরাবরই অতিথিপরায়ণ। তাই অতিথিকে সম্মান জানাবে এই দেশের সাধারণ মানুষ।
বাংলাদেশে মোদীর পথ আটকানো হলে কড়া হাতে প্রতিহত করা হবে: চরম হুঁশিয়ারি

বাংলাদেশে মোদীর পথ আটকানো হলে কড়া হাতে প্রতিহত করা হবে: চরম হুঁশিয়ারি

আগামী ১৬ মার্চ বাংলাদেশ সফরে যাবেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। আর তাঁর এই সফরের আগেই হেফাজতে ইসলাম সহ বিভিন্ন মুসলিম সংগঠনের তরফে হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছে, ভারতে সংখ্যালঘু মুসলিমদের উপর হামলার প্রতিবাদে মোদীকে ঘিরে বিক্ষোভ দেখানো হবে। তবে কংগ্রেস বা অন্যান্য কোনও দলের প্রতিনিধিদের চিন্তা নেই। এই হুঁশিয়ারির পরেই বারবার বাংলাদেশ সরকার মোদীর আমন্ত্রণ নিয়ে বার্তা দিচ্ছে। এবার আন্দোলনকারীদের উদ্দেশ্যে কড়া বার্তা দিল হাসিনা সরকার।
বাংলাদেশ সরকারের গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রী বিদেশমন্ত্রী আবদুল মোমেন কার্যত হুঁশিয়ারি দিয়ে জানিয়েছেন, মুজিববর্ষের অনুষ্ঠানে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর বাংলাদেশে আসা নিয়ে কেউ অস্থিতিশীল পরিবেশ সৃষ্টি করার চেষ্টা করলে তাকে কড়াভাবে প্রতিহত করা হবে। একই সঙ্গে মন্ত্রী আরও বলেন, বন্ধু রাষ্ট্রের প্রধানমন্ত্রীকে সর্বোচ্চ নিরাপত্তা দেওয়া হবে। আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে এসএমই মেলার অনুষ্ঠানে সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে এমনটাই বলেন।
মুক্তিযুদ্ধের বন্ধু দেশ ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর জন্য বিশেষ আপ্যায়ন থাকছে। আগামী ১৭ মার্চ থেকে বাংলাদেশের জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবর্ষ পালন শুরু। অনুষ্ঠানে থাকছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী, প্রাক্তন রাষ্ট্রপতি প্রণব মুখোপাধ্যায়, পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, কংগ্রেস নেত্রী সোনিয়া গান্ধী সহ বিশিষ্টরা। এই উৎসব ঘির সেজে উঠেছে গোটা বাংলাদেশ। কিন্তু দিল্লির ভয়াবহ গোষ্ঠী সংঘর্ষের পর উত্তপ্ত বাংলাদেশ।
হেফাজতে ইসলাম সহ বিভিন্ন মুসলিম সংগঠনের হুঁশিয়ারি, ভারতে সংখ্যাসঘু মুসলিমদের উপর হামলার প্রতিবাদে মোদীকে ঘিরে বিক্ষোভ দেখানো হবে। এমনকি ঢাকা বিমানবন্দর থেকে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীকে বের হতেই দেওয়া হবে না বলে হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছে। বিক্ষোভকারীদের দাবি, মোদীকে আমন্ত্রণ করে সরকার আদৌতে বঙ্গবন্ধুরই অপমান করছে। আর তাই যে অপমান যাতে না হয় সেই কারনেই এই আন্দোলন-বিক্ষোভের হুঁশিয়ারি। তবে পালটা সরকারও কড়া হাতে প্রতিহত করবে বলে জানালেন মন্ত্রী। 
সংগৃহীত কলকাতা২৪
মোদীর বিপক্ষে: সফর বাতিলের ডাক দিয়ে বাংলাদেশে বিক্ষোভ ইসলামি দলগুলির

মোদীর বিপক্ষে: সফর বাতিলের ডাক দিয়ে বাংলাদেশে বিক্ষোভ ইসলামি দলগুলির

প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর বাংলাদেশ সফর ঘিরে চড়ছে রাজনৈতিক পারদ। ঢাকা এয়ারপোর্টেই মোদীকে প্রতিহত করা হবে বলে ইতিমধ্যে হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছে। যদিও পালটা বাংলাদেশ সরকারের তরফে কড়া হাতে বিক্ষোভ প্রতিহর করার কথা বলা হয়েছে। শুধু তাই নয়, বাংলাদেশে মোদীকে দেশের সর্বোচ্চ সম্মান দেওয়া হবে বলে জানানো হয়েছে। কিন্তু তা সত্ত্বেও বাংলাদেশে কমছে না বিক্ষোভ-আন্দোলন।
প্রধানমন্ত্রীর বাংলাদেশ সফর প্রতিরোধে গণমিছিল বাংলাদেশের ইসলামি দলগুলির। আজ বাংলাদেশে বিশাল গণমিছিলের ডাক দেওয়া হয় হেফাজতে ইসলাম সহ একাধিক ইসলামিক সংগঠনগুলির তরফে। সেই মতো বিশাল মিছিল হয় সেই দেশে।
স্থানীয় সংবাদপত্রে প্রকাশিত খবর মোতাবেক, জুমার নমাজের পর বায়তুল মোকাররমের সামনে থেকে এই গণমিছিল শুরু হয়। মিছিল থেকে মোদীর সফর বাতিলের ডাক দেওয়া হয়। মিছিল থেকে হুঁশিয়ারি দেওয়া হয় যে, কোনও অবস্থাতেই মোদীকে বাংলাদেশে আসতে দেওয়া যাবে না। ইসলামী সমমনা দলের নেতারা জানান, তারা ভারতের বিপক্ষে নয়, তবে মোদীর বিপক্ষে। মোদীর আগমন প্রতিরোধের অংশ হিসেবে আগামী ১২ মার্চ সারাদেশে মানববন্ধন কর্মসূচির ঘোষণা করেছে দলগুলো।
প্রসঙ্গত, বাংলাদেশ সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। বঙ্গবন্ধু মুজিবর রহমানের জন্মশতবর্ষ পালন অনুষ্ঠানে যোগ দিয়েই প্রধানমন্ত্রীর এই সফর। চলতি মাসের ১৬ তারিখ বাংলাদেশ সফরে যাচ্ছেন নরেন্দ্র মোদী। তাঁর সফর ঘিরে ইতিমধ্যে পদ্মাপাড়ে শুরু হয়েছে জোর বিতর্ক। হেফাজতে ইসলামের তরফে হুঁশিয়ারি, ঢাকা এয়ারপোর্ট থেকে বের হতে দেওয়াই হবে না প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। যদিও পালটা বাংলাদেশ সরকারের তরফেও হুঁশিয়ারি দিয়ে জানানো হয়েছে যে, বাংলাদেশে প্রধানমন্ত্রীকে সর্বোচ্চ নিরাপত্তা দেওয়া হবে। পাশাপাশি কেউ যদি প্রধানমন্ত্রীর পথ আটকানোর চেষ্টা করে তাহলে কড়া হাতে প্রতিহর করা হবে বলেও হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছে।
ফাইল ছবি
অন্যদিকে এই বিতর্কের মধ্যেই মোদীকে ব্যঙ্গ করে ফেসবুকে পোস্ট। আর সেই পোস্ট করা বাংলাদেশে গ্রেফতার করা হল এক যুবককে। ধৃত যুবকের নাম এমদাদুল হক মিলন বলে জানা গিয়েছে। অভিযুক্ত যুবক ময়মনসিংহ জেলার আটানিবাজার এলাকার বাসিন্দা বলে জানা গিয়েছে। ফেসবুকে তিনি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী ও বাংলাদেশের শাসকদল আওয়ামি লিগের সাধারণ সম্পাদক ওবাইদুল কাদেরকে নিয়ে ফেসবুকে অশ্লীল পোস্ট করেছেন। আর এই পোস্ট সে দেশে রীতিমত ভাইরাল হয়ে পড়ে। আর তা ভাইরাল হওয়ার পরেই বাংলাদেশ সরকারের তরফে বিষয়টি নিয়ে কড়া ভাবে দেখা হয়। গ্রেফতার করা হয় অভিযুক্ত যুবককে।