Showing posts with label আহলে হাদিস সালাফী. Show all posts
Showing posts with label আহলে হাদিস সালাফী. Show all posts

Saturday, May 13, 2017

সহীহ ওয়ালাদের সহীহ ধোঁকাবাজি ও মিথ্যাচরন

সহীহ ওয়ালাদের সহীহ ধোঁকাবাজি ও মিথ্যাচরন

সাধারন মানুষকে ধোঁকাদিতে পারবে কোন হক্কানি আলেমকে নয়। হাদিসের সনদ উল্লেখ করনি ধোঁকাবাজি ধরাপড়বে বলে। আসলে দুষতো তোমাদের না দুষহল তোমাদের প্রতারক শায়েখদের। তোমার দেওয়া হাদিসের মান একটু জেনে নেই

মুয়াম্মাল ইবনে ইসমাইলের রেওয়ায়েত

তাঁর বিবরণ অনুযায়ী সুফিয়ান ছাওরী রাহ., আসেম ইবনে কুলাইব থেকে, তিনি তার পিতা থেকে, তিনি ওয়াইল ইবনে হুজর রা. থেকে বর্ণনা করেছেন, ‘আমি আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সাথে নামায পড়লাম … তিনি তাঁর ডান হাত বাম হাতের উপর বুকের উপর রাখলেন।

সনদসহ রেওয়ায়েতটির আরবী পাঠ এই-

أخبرنا أبو طاهر، نا أبو بكر، نا أبو موسى، نا مؤمل، نا سفيان، عن عاصم بن كليب، عن أبيه، عن وائل بن حجر قال : صليت مع رسول الله صلى الله عليه وسلم، ووضع يده اليمنى على يده اليسرى على صدره.

-সহীহ ইবনে খুযায়মা ১/২৭২, হাদীস : ৪৭৯

উক্ত হাদীসের রাবী মুআম্মাল বিন ইসমাঈল সম্পর্কে ইমাম বুখারী রহঃ বলেন-

مؤمل بن اسماعيل العدوى مولى آل الخطاب وقيل مولى بني بكر أبو عبدالرحمن البصري نزيل مكة.الخ

وقال البخاري منكر الحديث

অনুবাদ-মুআম্মাল বিন ইসমাঈর আল আদাবী আলুল খিতাবের মাওলা ছিলেন, কারো মতে বনী বকরের মাওলা ছিলেন। তিনি মক্কায় আগত। ইমাম বুখারী রহঃ বলেন, তিনি ছিলেন মুনকারুল হাদীস!। {তাহজীবুত তাহজীব, রাবী নং-৬৮১}

আরো দেখুন

১-তাহজীবুল কামাল, রাবী নং-৬৩১৯

২-খুলাসাতু তাহজীবু তাহজীবিল কামাল-১/৩৯৩

৩-জিকরু মান তাকাল্লামা ফিহী ওয়াহুয়া মুআসসিকুন, রাবী নং-৩৪৭

৪-সিয়ারু আলামিন নুবালা, রাবী নং-৯

৫-লিসানুল মীযান, রাবী নং-৪৯৮৭

৬-মাগানিয়াল আখইয়ার, রাবী নং-২৪১৯

৭-মিযানুল ইতিদাল, রাবী নং-৮৯৪৯

এবার দেখে নিন ইমাম বুখারী রহঃ মুনকারুল হাদীস কাদের বলেন?

ونقل ابن القطان أن البخاري قال: كل من قلت فيه منكر الحديث فلا تحل الرواية عنه.

ইবনে কাত্তান রহঃ বর্ণনা করেন, নিশ্চয় বুখারী রহঃ বলেছেন, যে ব্যক্তির ক্ষেত্রে আমি “মুনকারুল হাদীস” বলি তার থেকে বর্ণনা করা জায়েজ নয়। {মীযানুল ইতিদাল-১/৬}

ইমাম বুখারী রহঃ এর মতে তিনি যাকে মুনকারুল হাদীস বলেছেন তার থেকে বর্ণনা করা জায়েজই নয়। আর ইমাম বুখারী রহঃ মুআম্মাল বিন ইসমাঈলকে বলেছেন মুনকারুল হাদীস। মানে ইমাম বুখারী রহঃ এর মতানুসারে মুআম্মাল বিন ইসমাঈল থেকে হাদীস বর্ণনা কারা জায়েজ নয়।

শায়খ আলবানীও সিলসিলাতুয যয়ীফার অনেক জায়গায় মুআম্মাল বিন ইসমাঈল কে জয়ীফ বলেছেন এবং তাঁর সম্পর্কে ইমামগণের মন্তব্য উদ্ধৃত করেছেন।
দেখুন : সিলসিলাতুয যয়ীফা ১/১৩১; ২/২৪৬, ৩/১৭৯; ৩/২২৭; ৪/৪৫৫ ইত্যাদি।

আলবানী সাহেব বলছেন হাদীসটির সনদ জঈফ। সেই সাথে এটি ত্রুটিপূর্ণ। মুআম্মাল বিন ইসমাঈল সাহেবের মুখস্ত শক্তি ছিল খুবই দুর্বল। এত কিছুর পরও নাকি হাদীস সহীহ!!!

বর্ণনাকারী মুনকার স্মৃতিশক্তি দুর্বল। সনদ দুর্বল। তারপরও হাদীস সহীহ? বাহ! একেই বলে বিচার মানি তালগাছ আমার। দুর্বল স্মৃতিশক্তির দুর্বল বর্ণনাকারীর জঈফ হাদীস নাকি আবার সহীহ।

এ বিষয়ে আসলে আমাদের কিছুই বলার নেই। আল্লাহ তাআলা হক বুঝার ক্ষমতা কারো কাছ থেকে কেড়ে নিলে আমরা শত চেষ্টা করেও তাদের হেদায়াতের আলোয় আনার ক্ষমতা রাখি না।

মুফতী মাহফুজুর রহমান

কথিত আহলে হাদিস বন্ধুদের দাবি হলো ইমাম আবু হানিফা রহঃ এর সময় হাদিস একাত্রিত কিতাব আকারে ছিলোনা তাই তিনি হয়ত সকল হাদিস পাননি।

কথিত আহলে হাদিস বন্ধুদের দাবি হলো ইমাম আবু হানিফা রহঃ এর সময় হাদিস একাত্রিত কিতাব আকারে ছিলোনা তাই তিনি হয়ত সকল হাদিস পাননি।

বন্ধু খুব সুন্দর প্রশ্ন!!!

আসলে হাদিস সংকলেনের ইতিহাস না যানাটাই লা মাজহাবি বন্ধুদেরকে এই ধরনের প্রশ্নের সামনে দাড় করিয়ে দিয়েছে।
এজন্যই আমি প্রায় সময় বলি ইলেম অর্জন করুন।

সহজে উত্তর বুঝুন
ইমাম আবু হানিফা (রহ:)এর যুগে কোন হাদিসের কিতাব সংকলিত হয়নি।
আর  ঐ সময় হাদিসের কিতাব সংকলের প্রয়োজন ছিলোনা।
কারন তখনকার যুগের লোকদেরকে আল্লাহ প্রখর মেধা দিয়েছিলেন।
যার কারনে তারা হাদিস সংরক্ষন করেছেন সুদুরে রিজাল(তথা একজনের সিনা থেকে অপর জনের সিনায় মুখাস্ত পদ্ধতি)
এর মানে তখন সবাই হাদিসের সনদ ও মতন সহ লাক্ষ লক্ষ হাদিস মুখাস্ত যানতেন।

এবং হাদিস নিয়ে তখনকার যুগে তারা মসজিদে নামাজের আগে পরে মুজাকারা করতেন কার কাছে কি হাদিস আছে?
তখন যার কাছে যা আছে সবাই বলতো এভাবে যে যেই হাদিস না যানত সেটা শিখে নিত।

এখন আসুন............ তাহলে কি কিতাব না থাকার কারনে তারা হাদিস কম যেনেছেন??

আর আমরা ইন্টারনেট সহ বিভিন্ন কিতাবাদির মাধ্যমে কি বেশি যেনেছি??

বন্ধু...... আপনি যদি মনে করের কিতাবাদি ও ইন্টারনেটের কল্যানে হাদিস বেশি যেনেছেন... এটা আপনার চরম মুর্খতার দাবি।।

বন্ধু এবার শুনুন.....ইমাম বুখারী রহ: নিজে তার বুখারী শরীফ লিখার পদ্ধতি বর্ননা দিতে গিয়ে বলেন।
আমি ৬ লক্ষ সহিহ হাদিস থেকে যাচাই বাছাই করে মাত্র কয়েক হাজার হাদিস দ্বারা বুখারী শরীফকে সাজিয়েছি বাকী লক্ষ লক্ষ সহিহ হাদিস আমি ছেড়ে দিয়েছি যেগুলো সবই সহিহ।
কিতাবে বারংবার তাকরার হবে বলে আমি অনেক হাদিস লিপিবদ্ধ করিনি।

এবার কথিত লা মাজহাবিরা উত্তর দিন ইমাম বুখারী যে সকল সহিহ হাদিস ছেড়ে দিয়েছেন সেগুলো কি আপনারা পেয়েছেন????

ইমাম আবু হানিফা রহ: তিনি বহু হাদিস মুখাস্ত যানতে ইচ্ছে করলে হাদিসের কিতাব লিখতে পারতেন।।
তারপরও ইমাম আবু হানিফা থেকে হাদিসের কিতাব আছে,কিতাবুল আছার,,যদিও তা বুখারী শরীফের মত প্রশিদ্ধ লাভ করেনি।

কথা হলো ইমাম আবু হানিফা রহ:  যখন দেখলেন হাদিস রেওয়াত করার মত বহু মুহাদ্দিস আছে।
কিন্তু এই হাদিস দ্বারা কি বুঝানো হয়েছে? 
হাদিসের উদ্দেশ্য কি??
(তথা ফিকাহ) লিখার মত লোক খুবই কম।
তাই তিনি হাদিস দ্বারা ফিকাহ লিখাকে বেছে নিলেন।এবং ফিকহের বিষয়ে কলম ধরলেন।

এর মানে এই নয় তিনি হাদিস যানতেন না!!
বরং ইমাম আবু হানিফা রহ: একজন মুহাদ্দিসও ছিলেন।
ততকালীন যামানার হাদিস রেওয়াতকারি মুহাদ্দিসনরা ইমাম আবু হানিফা রহ: কে প্রথমে বিদ"আতি বলতেন এবং এই কথা বলতেন যে তিনি হাদিসের চেয়ে কিয়াসকে  প্রাধান্য দেয়।
কিন্তু যখন ঘটনাক্রমে ইমাম আবু হানিফা রহ: এর ছাত্র মুহাম্মদ রহ: এর হাতে এক পান্ডলিপি দেখতে পেলেন।
তখনকার যুগের লোকেরা জিজ্ঞাসা করলে আপনার হাতে কি?
মুহাম্মদ রহ: উত্তর দিলেন হাদিসের কিতাব।
মুহাদিসিনরা: কি লিখা আছে দেখি!
খুলে দেখলেন লিখা আছে....ক্বালা নুমান ইবনি সাবিত......রাসুল : এভাবে বর্নিত হাদিস।।
অনেক হাদিস দেখতে পেলেন।
তখন মুহাদ্দিসিনে কিরাম জিজ্ঞাসা করলেন নোমান বিন সাবিত কে???
তখন ইমাম মুহাম্মদ রা: উত্তর দিলেন ইমাম আবু হানিফা যাকে আপনারা বিদ"আতি বলতেন।!!
তখন সকল মুহাদ্দিসিনে কিরাম আশ্চার্য হলেন!!!
এবং বল্লেন তাহলে আবু হানিফা কে ডেকে আনা হউক।
যখন ইমাম আবু হানিফাকে ডেকে আনা হলো তখন তাকে পরীক্ষা করে দেখা হলো....এরপর মুহাদ্দিসিনে কিরামগন যখন দেখলেন আসলে ইমাম আবু হানিফা র: তো শুধু কিয়াস নির্ভরশীন নয় বরং তিনি একজন মুহাদ্দিস&ফকিহ।
তখন মুহাদ্দিসরা বলে উঠলে ইমাম আবু হানিফা রহ: কে লক্ষ করে......ইয়া মা"আশারাল ফুকাহায়ি আনতা আখাজতক কিলাত তারফাইয়নে আনতুমুল আতিব্যায়ু ও নাহনু সয়াদাতুনা.......(অর্থ: হে আবু হানিফা আপনি তো দেখা যায় উভয় দিক ধরেছেন তথা হাদিস ও ফিকাহ...শুনে রাখেন হে ফকিহগন আপনারা হলে ডাক্তার আর আমরা মুহাদ্দিসরা হলাম ডিসফেন্সারি.......)
এর মানে হলো.....ফকিহগন তারা হাদিস তো জানেই সাথে সাথে কোথায় কি আছে হাদিসের এবং কোনটি কোন জায়গায় ব্যবহারিত হবে তাও যানে ফকিহরা আর আমরা মুহাদ্দিসরা শুধু ডিসফেন্সারি... শুধু হাদিসের বলতে পারি কিন্তু কোথায় কি তা ফকিহরা যানে...

এবার আহলে হাদিস ভাইয়েরা বুঝুন।
যারা মুহাদ্দিস ছিলেন তারাই বলেছেন।
ইমাম আবু হানিফা একজন মুহাদ্দিস ছিলেন&ফকিহ ছিলেন।
তবে তিনি ফিকহের দিকটিকে বেছে নিয়েছেন।
আর মনে রাখবেন.... ফিকাহ কিন্ত হাদিস কুরআন ছাড়া নয়।।

আজ আবু হানিফা রহ: হাদিসের কিতাব লিখলেন নআআ কেনো???
সেই প্রশ্ন::!!
বন্ধু একটি ছাত্র যখন মেট্রিক পাস করে এরপর কেউ ডাক্তারি সাইন্স নিয়ে পড়ে কে বিজ্ঞান নিয়ে পড়ে কেউ আবার ব্যবসা নিয়ে পড়ে
কেউ আবার ইঞ্জিনিয়ারিং নিয়ে পড়ে।

তখন তো আপনারা মেডিকেল,সাইন্স পড়ুয়াকে বলেন না আপনি কেনো ইঞ্জিনিয়ার হলেন না???

আপনারা যানে সবাই এক একটি বিষয় নিয়ে পড়ে।।
কিন্তু ক্লাস টেন পর্যন্ত কিন্তু সবাই এক ছিলো...

ঠিক ইমাম আবু হানিফা রহ: হাদিস যানতেন কিন্তু তিনি হাদিস বিষয়ক কিতাব না লিখে হাদিস দ্বারা কি বুঝায়... তথা ফিকহের প্রতি গুরত্ব দিয়েছেন।।।
এরমানে তিনি হাদিস যানতেন না।
বিষয়টা এমন নয়।

আর আপনারা ভেবেছেন বুখারী মুসলিম শরীফ ও ইন্টারনেট এর মত সুবিধা ইমাম আবু হানিফা রহ: এর যুগে ছিলোনা তাই তিনি সব হাদিস পাননি।

এমন ধারনা করা ভুল।
এবং অজ্ঞতার পরিচয়।

কারন আপনার আমার সামনে বুখারী শরীফ বলেন আর মুসলিম শরীফ বলেন।

এর ইন্টারনেট বলেন.......এর কল্যানে মাত্র ৩০ হাজার হাদিস ঘুরাফেরা করতেছে।।
অথচ ইমাম আবু হানিফা রহ: লক্ষাধিক হাদিস মুখাস্ত যানতেন।।।
ইমাম বুখারি রহ: তো বল্লেনই আমি ৬ লক্ষ হাদিস থেকে মাত্র কিছু হাদিস এনেছি।।

বন্ধুরা ভেবেছেন এতো হাদিস কিভাবে মুখাস্ত ছিলো.....????
বন্ধু তাদেরকে আল্লাহ এমন প্রখর মেধা দিয়েছিলেন....তারা শুধু হাদিসই নয় বরং উটের নসবনামা তথা এই উটের মা কোনটি তার মা আবার কোনটি এভাবে.........৫০০ তবকা পর্যন্ত তাদের সচারচর মুখাস্ত ছিলো....

কথিত আহলে হাদিস বন্ধুদেরকে বলবো জ্ঞান অর্জন করুন।।
ইতহাসও পড়ুন।।।
আসা করি আর মুর্খতার পরিচয় দিবেন না।।

Friday, May 12, 2017

বিচার সবই মানি কিন্তু তাল গাছ আমার।

বিচার সবই মানি কিন্তু তাল গাছ আমার।

ইমাম মুহাম্মদ ইবনে ইসমাইল বোখারী রহ.শায়াফী মাযহাব অনুসারী হয়ে ইজেতিহাদ করে বোখারী শরিফ লিখলেন এবং বর্তমান জামানায় কুরআনুল কারিমের পরের স্থান টা যে কিতাম কে স্থান দেওয়া হয়েছে।

আর সেই কিতাব পড়ে একদল গোমারাহী জাহেলে খবিস যারা তাদের নাম "লা মাযহাবী আহলে হাদিস" বলে পরিচয় দেয়।

এখন কথা হল এই খবিছের দলেরা নিজেরা নিজেদের কে অজগবী আঃ মনে করে,মনে করে আমারাই সঠিক আর দুনিয়ায় বিদয়াত।

আর আমরা ইমাম বোখারী রহ. ও তার ওস্তাদ ও তার ওস্তাদ কে অনুসরন করে আমরা হয়ে গেছি মুশরেক কফির। নাউযুবিল্লাহ

বাংলা এক প্রবাদ আছে যে "বিচার সবই মানি কিন্তু তাল গাছ আমার।

এবার আপনারাই চিন্তা করেদেখুন...?

Wednesday, April 26, 2017

বাহাসের ফলাফলঃ- ভক্তরা জানে না শায়েখের হালাত! তাই চ্যালেঞ্জ দিয়ে বিপদে পড়ে যায়!

বাহাসের ফলাফলঃ- ভক্তরা জানে না শায়েখের হালাত! তাই চ্যালেঞ্জ দিয়ে বিপদে পড়ে যায়!

অন্ধ ভক্তদের কাছে তাদের শায়েখেরা লৌহ মানব। এক আল্লাহ ছাড়া কাউকে ভয় পান না। দলীলের পাহাড়ের অধিকারী। একেকজন ভরা কলস। যেন সাক্ষাৎ পালোয়ান রুস্তম। বাকিরা সব খালি কলস। (ভরা ও খালি কলস শব্দটির উদ্ভাবনকারী শায়েখ কাজী ইব্রাহীম সাহেব)

কিন্তু বাস্তবতা শায়েখদের জানা।
আসলে কতটুকু দলীল-খুঁটির জোড় আছে? কতটা ষ্ট্রং দলীল? দুর্বল দলীলগুলো ধোপে টিকবে কি?
এসব কিছুই শায়েখদের বাগারম্বরতার যাঁতাকলে লুকিয়ে থাকে। ফলে আসল হাকীকত রয়ে যায় পর্দার আড়ালে। ভক্তদের চোখের অন্তরালে।
তাই তারা লাফান। ঝাড়ি দেন। চ্যালেঞ্জ করেন। কিন্তু আফসোস! যাদের ভরসায় গরম করে তুলেন এলাকা। সেই তাদের কাছে যেতেই তাদের আশার বেলুন ফুঁস করে যায় ফুটে। উড়ে যায় প্রত্যাশার ফুলানো বুকের বাতাসগুলো। চুপসে যায় মুখ। লজ্জায় অনেকেই ত্যাগ করেন বাচাল শায়েখদের সঙ্গ। তবে অনেকেই জেদের বশে আঁকড়ে থাকেন সেই অন্ধ ভক্তির যষ্ঠি।
ঘটনা মূলত এমনি। স্থান পরিবর্তন হয়। পরিবর্তন হয় সময়। বদলে যায় মানুষও। কিন্তু রয়ে যায় সেই পুরানো ইতিহাস। ভ্রান্ত দলের সেই পুরানো কাসুন্দি। সময় স্থানের বিবর্তনে পরিবর্তন হয় না। স্থানে-কালে-ভেদে একই ঘটনার পুনরাবৃত্তি হয় স্থানে স্থানে।
আজও হল তা'ই।
আজকের স্থানটা কুমিল্লা সদরের ঝাউতলা মসজিদে আকসা।
অন্ধ ভক্তটার নাম জনাব নুরুল আমীন ভুঁইয়া এ্যাডভোকেট।
সমস্যা করছিলেন অনেক দিন থেকেই। মুসল্লিগণ বিরক্ত শায়েখ ভক্তটার আচরণে। এত জোরে আমীন বলেন যে, আশেপাশের মুসল্লিদের কান স্তব্ধ হবার জোগার।
এ কেমন আমীন হে? বলতে মনে চাইলে বল। পাশের জন শুনতে পায় এতটুকু জোরে বল। কিন্তু মুসল্লিদের নামাযে ব্যাঘাত সৃষ্টি করে এ কেমন আমীন? এ আমীন কোন কিতাবে লেখা আছে?
শুরু হল তর্ক। ভক্ত সাহেব গর্ব করে বললেনঃ হুম চ্যালেঞ্জ! আমাদের শায়েখ কাজী ইব্রাহীম সাহেবকে আনবো। বসার সাহস আছে আপনাদের?
মসজিদটির এক জুমআর খতীব কর্মঠ আলেমে দ্বীন মুফতী সামসুল হক জিলানী সাহেব রাজি হয়ে গেলেন প্রস্তাবে। ইচ্ছে ফিতনার সমাধান হোক।
যোগাযোগ করলেন বিজ্ঞ আলেমে দ্বীন, প্রজ্ঞাবান মুহাদ্দিস মুফতী আমজাদ সাহেবের সাথে।
ফের তারিখ দিয়ে শায়েখ ভক্ত দু'টি ডেট ঘুরালেন। অবশেষে নিজেই বসার নিশ্চয়তার একজন কাগজ কম্পোজ করালেন। সমন্বয়কারী হিসেবে সাইন করলেন। প্রথম সমন্বয়ক হিসেবে মসজিদটির সহসভাপতির নাম লিখে তার কাছ থেকেও দস্তখত আনলেন।

আলোচকের নাম দিলেন-
*শা‌য়েখ কাজী ইব্রা‌হিম।
*মাওলানা স‌ফিউল্লাহ।
*অধ্যক্ষ মাওলানা আলমগীর।
আর বিষয়?
১ নামা‌যে আমীন জো‌রে না আস্তে বলা উত্তম?
২ তারাবীহ নামা‌যের রাকাত সংখ্যা কত?
৩ নামা‌যে কোথায় হাত বাঁধা উত্তম?
৪ মুসল্লী ইমা‌মের পিছ‌নে সূরা ফা‌তিহা না পড়‌লে তার নামায হ‌বে না?

দস্তখত করা উক্ত কাগজ পাঠিয়ে দিলেন মুফতী জিলানী সাহেবের কাছে।
ব্যস। এবার! এবারতো আর ডেট দিয়ে শায়েখদের না এনে কোন উপায় নেই। কথা হল, ২১শে এপ্রিল ২০১৭ ঈসাব্দ রোজ শুক্রবার শায়েখ কাজী ইব্রাহীম সাহেব কুমিল্লা আসবেন। জুমআ পড়াবেন এক মসজিদে। যে মসজিদে জুমআ পড়াবেন তার থেকে বেশি দূরে নয় ঝাউতলার আলোচ্য মসজিদে আকসা।
সুতরাং এবার কাজীকে আনা একদম সহজ। জুমআ পড়াতে আসলে এখানে আসতে  সমস্যা কোথায়?

অধমের সাথে যোগাযোগ করলেন মুখলিস আলেমে দ্বীন মুফতী জিলানী সাহেব। আমি বললামঃ হযরত এসব করে কোন লাভ নেই। আমি লিখে দিতে পারবোঃ কাজী ইব্রাহীম যদি জানে যে, বাহাস হবে, তাহলে সেদিন তিনি উক্ত মসজিদের আশেপাশে যাবার সাহসও করবে না। আমি এ শায়েখকে ভাল করেই চিনি। ভক্ততো আর জানে না শায়েখের প্রকৃত হালাত। তাই অহেতুক লাফাচ্ছে। ঢাকা থেকে কষ্ট করে আমার যাবার কোন দরকার নেই।

কিন্তু শুক্রবার সাড়ে এগারটার দিকে জিলানী সাহেব ফোন করে জানালেন ভক্ত এ্যাডভোকেট সাহেব বলেছেন কাজী ইব্রাহীম সাহেব কুমিল্লা এসে গেছেন। তিনি আসবেন বাহাসে। তাই আপনাকে আসতেই হবে।
বললামঃ কুমিল্লা আসলেও বাহাসে আসবে না। অহেতুক না যাই।
তবু হযরতের পীড়াপীড়িতে আসলাম।

কিন্তু কী হল? সেই একই ঘটনা। একই ইতিহাস। মসজিদ কমিটির স্বতস্ফুর্ত উপস্থিতি ও আগ্রহ দিলে প্রশান্তি দিল। কিন্তু শায়েখদের পুরানো আচরণ আর ভক্তদের অন্ধত্ব মনে কষ্টের খোঁচাও অনুভব করাল।

একটি ফায়দাঃ
মসজিদ কমিটি ও মুসল্লিদের সর্বসম্মত সিদ্ধান্ত হলঃ যেহেতু তারিখ ও সময় নিজে নির্দিষ্ট করেও তাদের শায়েখ উপস্থিত করাতে পারেনি। এর মানে তাদের দালিলীক ভিত্তি দুর্বল। সুতরাং এখন থেকে উক্ত মসজিদে  জোরে আমীন বলাসহ লা-মাযহাবী সকল প্রকার আচরণ নিষিদ্ধ। কোন মুসল্লিই এমন আচরণ করতে পারবে না।
বন্ধ হল ফিতনার দুয়ার আলহামদুলিল্লাহ।

বিঃদ্রঃ

যাদের সন্দেহ আছে, তারা উক্ত মসজিদ পরিদর্শন করুন। বাস্তব পরিস্থিতি জানুন। যোগাযোগ করুন মসজিদ কমিটির সাথে।
কিন্তু যাচাই ছাড়া উক্ত সত্য ঘটনাকে নাটক, মিথ্যাচার ইত্যাদি বলে নিজের আমলনামায় গোনাহ লিপিবদ্ধ না করাতে অনুরোধ থাকবে।

মোহতারাম Lutfor Faraji সাহেবের টাইমলাইন থেকে,,,

Sunday, April 23, 2017

জনৈক কথিত আহলে হাদীসের সাথে মুহাম্মদ আমীন সফদর রহঃ এর একটি চিত্তাকর্ষক কথোপকথন

জনৈক কথিত আহলে হাদীসের সাথে মুহাম্মদ আমীন সফদর রহঃ এর একটি চিত্তাকর্ষক কথোপকথন

একদা মুহাম্মদ আমীন সফদর রহঃ এর কাছে কয়েকজন কথিত আহলে হাদীসের লোক এল। এসে হযরতের কাছে বসল। বসেই বলতে লাগল-“আমরা অনেক পেরেশানীতে আছি। বহুত পেরেশানীতে আছি”।

সফদর রহঃ-“যারাই বড়দের ছেড়ে দেয়, তারা সারা জীবনই পেরেশানীতে থাকে। মওদুদী এই পেরেশানীতেই ছিল। কাদিয়ানীও এই পেরেশানীতেই ছিল। আপনারাও মনে হয় বড়দের ছেড়ে নিজেরাই সব বুঝতে চাচ্ছেন। এজন্যই পেরেশানীতে আছেন”।

কথিত আহলে হাদীস-চারজন ইমাম। চার, চার, চার। কি করবো আমরা?

সফদর রহঃ-আপনি এখানে চারজন পেলেন কোথায়? এখানেতো কোন হাম্বলী নেই। শাফেয়ীও নেই। মালেকীও নেই।

কথিত আহলে হাদীস-যদি চারজন হয়ে যায়!

সফদর রহঃ-হলে ভিন্ন কথা। সেই পেরেশানী এখনই কেন টেনে আনছেন?

কথিত আহলে হাদীস-এটা কেমন কথা যে, আল্লাহ এক আর ইমাম হল চারজন?

সফদর রহঃ-এটা কেমন কথা যে, আল্লাহ এক আর নবী এক লাখ চব্বিশ হাজার? ওখানে যেমন বল যে, এক নবীকে মান, আর বাকিদের ছেড়ে দাও। এখানেওতো ব্যাপার তাই। এক ইমামকে মান। বাকিদের ছেড়ে দাও। কোথাও কি আছে নাকি যে, ইমাম বেশি হতে পারবে না? যদি থাকে বলেন আমি মেনে নিব। আমি দেখি ইমাম বেশি হতে পারবে কুরআন দ্বারা প্রমাণিত। وَلَقَدْ آتَيْنَا مُوسَى الْكِتَابَ فَلا تَكُنْ فِي مِرْيَةٍ مِنْ لِقَائِهِ وَجَعَلْنَاهُ هُدىً لِبَنِي إِسْرائيلَ وَجَعَلْنَا مِنْهُمْ أَئِمَّةً يَهْدُونَ بِأَمْرِنَا

অর্থাৎ বাস্তব কথা হল আমি মুসাকে কিতাব দিয়েছি, সুতরাং (হে রাসূল!) তুমি তার সাক্ষাত সম্পর্কে কোন সন্দেহে থেকো না। আমি সে কিতাবকে বনী ইসরাঈলের জন্য বানিয়েছিলাম পথ-নির্দেশ।

আর আমি তাদের মধ্যে কিছু লোককে, এমন ইমাম বানিয়ে দিলাম, যারা আমার নির্দেশ অনুসারে মানুষকে পথ প্রদর্শন করত। {সূরা সাজদা-২৩,২৪}

এক রাসূলের উম্মতের মাঝে কয়েকজন ইমাম হতে পারে। এটাতো কুরআন বলছে। কুরআনের শব্দ ইমামের বহুবচন আইয়িম্মাহ ব্যবহৃত হয়েছে।

কথিত আহলে হাদীস- চার ইমামই কি সঠিক?

সফদর রহঃ-হ্যাঁ, চার ইমামই সঠিক।

কথিত আহলে হাদীস-তাহলে চার ইমামের অনুসরণ করেন না কেন? শুধু নিজের ইমামের অনুসরণ করেন কেন?

সফদর রহঃ-যেমন সবাই এক লাখ চব্বিশ হাজার নবীকে সঠিক মানি, কিন্তু অনুসরণ করি আমাদের নবীর। তেমনি সঠিক মানি চার ইমামকেই। কিন্তু অনুসরণ করি নিজের ইমামকে।

কথিত আহলে হাদীস-কোন হাদীসে আছে নাকি এক ইমামের অনুসরণ কর?

সফদর রহঃ-আপনি কুরআন পড়েন?

কথিত আহলে হাদীস-হ্যাঁ পড়ি।

সফদর রহঃ-এক কেরাতে? না সাত কেরাতে?

কথিত আহলে হাদীস-এক কেরাতে?

সফদর রহঃ-সারা জীবন এক কেরাতে কুরআন পড়া আর বাকি কেরাতকে ছেড়ে দেবার কথা কুরআন বা হাদিসের কোথাও আছে?

কথিত আহলে হাদীস-আমাদের কাছে আছেই এটা। তাই পড়ি। কিন্তু এক ইমামের অনুসরণ করলেতো চতুর্থাংশ দ্বীন মানা হয়।

সফদর রহঃ-এক কেরাতে কুরআন পড়লে কি সাত ভাগের একভাগ সওয়াব পাওয়া যায়?

কথিত আহলে হাদীস-না, না, এক কিরাতে পড়লে পূর্ণ কুরআন পড়ার সওয়াবই পাওয়া যায়।

সফদর রহঃ-তেমনি এক ইমামকে মানলে পূর্ণ শরীয়তেরই অনুসরণ হয়।

কথিত আহলে হাদীস-আপনাদের আকল কখনো হবে না? ইমামদের মাঝেতো হারাম-হালালের মতভেদ। একজন যেটাকে হালাল বলেন, অন্যজন সেটাকে হারাম বলেন। তাহলে যিনি হারাম বলেন তিনিও সঠিক। আর হালাল যিনি বলেন তিনিও সঠিক! এটা কি করে সম্ভব?

সফদর রহঃ-আলহামদুলিল্লাহ! আল্লাহ তায়ালা আকল দিয়েছেন। নবীগণ সবাই সঠিক।

আদম আঃ এর সময়ে আপন বোনকে বিবাহ করা জায়েজ। আমাদের দ্বীনে হারাম। কিন্তু উভয় নবীই সঠিক।

ইয়াকুব আঃ এর দুইজন স্ত্রী আপন বোন ছিল। এটা সে সময় জায়েজ ছিল। কিন্তু আমাদের নবীর দ্বীনে তা হারাম। উভয়ই সঠিক। সবার আল্লাহ একই। অথচ হুকুম ভিন্ন। তেমনি চার ইমামই সঠিক। কিন্তু তাদের হুকুম ভিন্ন ভিন্ন হতে পারে।

কথিত আহলে হাদীস-আরে এখানেতো নাসেখ মানসুখের বিষয়। একটি হুকুম এসে অন্যটাকে রহিত করে দিয়েছে।

সফদর রহঃ-আর ইমামদের ইখতিলাফের মাঝে রাজেহ-মারজুহ এর মাসআলা। তথা একটি হুকুমের উপর অন্যটিকে প্রাধান্য দেবার মাসআলা। যেমন রহিত হওয়া বিষয়ের উপর আমল জায়েজ নয়, তেমনি প্রাধান্য পাওয়া হুকুম রেখে অপ্রাধান্য পাওয়া বিষয়ের উপর আমল করাও জায়েজ নয়।

কথিত আহলে হাদীস-আপনারা যেহেতু অন্য ইমামদের মানেন না, তাহলে তাদের বাতিল বলেন না কেন? সঠিক বলেন কেন?

সফদর রহঃ-আদম আঃ সঠিক নবী হলে কেন বোনকে বিবাহ করা যায় না? ইয়াকুব আঃ সঠিক নবী হলে দুইবোনকে এক সাথে বিবাহ করা কেন করা যাবে না?

কথিত আহলে হাদীস-আমরা শুধু আমাদের নবীকে মানি। বাকিরাও হক একথা ঠিক আছে।

সফদর রহঃ-আমরাও বলি-অন্য ইমাম ঠিক আছে, কিন্তু আমরা মানি আমাদের ইমামকে।
কথিত আহলে হাদীস-সেখানেতো সময় আলাদা আলাদা।
সফদর রহঃ-এখানে এলাকা আলাদা আলাদা। শাফেয়ী শ্রীলংকায় আর হানাফী পাকিস্তানে [বাংলাদেশে]। সেখানে সময় আলাদা আলাদা, আর এখানে এলাকা আলাদা আলাদা।
কথিত আহলে হাদীস-যদি কোন মাসআলায় তিন ইমাম একদিকে হয় আর এক ইমাম একদিকে হয় তাহলে কী করবেন?
সফদর রহঃ-তিন জন নয়, তিন হাজার হলেও আমাদের ইমামকেই মানবো।
কথিত আহলে হাদীস-এটা কোন ইনসাফ হল?
সফদর রহঃ-অবশ্যই এটা ইনসাফ।
কথিত আহলে হাদীস-আরে অপরদিকে তিন ইমাম।
সফদর রহঃ-তাতে কি? আমরাতো আমাদের ইমামের অনুসরণ করবো। তিন হাজার হলেও কি?
কথিত আহলে হাদীস-আপনি কি জিদ করছেন নাকি?
সফদর রহঃ-নাহ, জিদ করবো কেন? ইউসুফ আঃ তার পিতা ইয়াকুব আঃ কে সিজদা করেছিলেন এটা কুরআনে আছে কি?
কথিত আহলে হাদীস-হ্যাঁ আছে।
সফদর রহঃ-সে আয়াতের তাফসীরে মুফাসসিরীনরা বলেন-হুজুর সাঃ এর নবুওয়াতের আগে সকল নবীর যুগে সম্মান করে সেজদা দেয়া জায়েজ ছিল। তো একদিকে এক লাখ তেইশ হাজার নয় শত নিরান্নবই নবীর কাছে সম্মানসূচক সেজদা জায়েজ। আর একজন হযরত মুহাম্মদ সাঃ বলেন জায়েজ নয়। আপনি বলছেন তিন জনের কথা। এখানে লাখের বিষয়। কাকে মানবেন? বিশাল জামাতকে? না একজনকে?
মুফাসসিরীনরা বলেন-প্রথম সকল নবীর শরীয়তে দেহযুক্ত ছবি আঁকা জায়েজ ছিল। কেবল আমাদের নবীর শরীয়তে না জায়েজ। তাহলে এক লাখ তেইশ হাজার নয় শত নিরান্নব্বই নবীর শরীয়ত মানবেন না আমাদের এক নবীর শরীয়ত মানবেন? বেশি কে না একজনকে?
কুরবানীর গোস্ত খাওয়া আমাদের নবীর আগে কারো শরীয়তে জায়েজ ছিল না। তাহলে কাকে মানবেন? লাখ নবীকে না আমাদের এক নবীকে?
কথিত আহলে হাদীস-[কিছুক্ষণ চুপ করে থেকে] দ্বীন মক্কা-মদীনায় এসেছে? না কুফায়?
সফদর রহঃ-মক্কা-মদিনায়।
কথিত আহলে হাদীস-তাহলে মক্কা-মদিনার ইমামকে মানা উচিত না কুফার ইমামের?
সফদর রহঃ-আপনার মন কি বলে?
কথিত আহলে হাদীস-মক্কা-মদিনার ইমামদের মানা উচিত।
সফদর রহঃ-বড় একটি মিথ্যা কথা বলেছেন আপনি। কখনো এটা মাফ হবে না।
কথিত আহলে হাদীস-ভুল হইছে?
সফদর রহঃ-হ্যাঁ, বহুত বড়।
কথিত আহলে হাদীস-কিভাবে?
সফদর রহঃ-কুরআন মক্কা-মদিনায় নাজিল হয়েছে না?
কথিত আহলে হাদীস-হ্যাঁ।
সফদর রহঃ-সাত জন ক্বারী ছিল। এর মাঝে মক্কা-মদীনার ক্বারীও ছিল। বসরার ক্বারীও ছিল। কিন্তু সবাই ক্বারী আসেম কুফীর কিরাতে কুরআন কেন পড়েন? কুফী ক্বারীর কেরাতে কুরআন পড়লে আপনাদের থেকে বড় কুফী আর কে আছে? কুরআন নাজিল হয়েছে মক্কা-মদিনায় আর কেরাত পড় কুফীর! এটা কেমন কথা?
কথিত আহলে হাদীস-কুফার লোকেরাতো আর কুরআন নিজেরা বানায়নি। কুফাতে যে সাহাবারা এসেছেন তারা কুরআন সাথে নিয়ে এসেছিলেন।
সফদর রহঃ-মক্কা-মদিনা থেকে সাহাবারা গিয়ে কুরআন যদি কুফায় নিয়ে নতুন না বানিয়ে থাকেন, তাহলে নামায কি মক্কা-মদিনা থেকে সাহাবারা কুফায় নিয়ে গিয়ে নতুন নামায বানিয়ে ফেলেছেন?
খামোশ হয়ে গেল কথিত আহলে হাদীসের লম্বা জিহবা।