Showing posts with label বাহাস ও কথোপকথন. Show all posts
Showing posts with label বাহাস ও কথোপকথন. Show all posts

Monday, July 3, 2017

লা মাজহাবী দুই বন্ধুর মাঝে কথোপকথন

লা মাজহাবী দুই বন্ধুর মাঝে কথোপকথন

১ম বন্ধুঃ দোস্ত তোর সাথে অতি পার্সনালী কথা আছে ।
.
২য় বন্ধুঃ হে বল দোস্ত ।
.
১ম বন্ধুঃ ইদানিং মাজহাবীদের বাটে ফেলতে গিয়ে নিজে বাটে পড়ে যাচ্ছি ।

২য় বন্ধুঃ কস কি ? আমাদের ইজতেহাদের লালবাতি জ্বালাবি নাকি ?তা কিভাবে বাটে পড়লি ? টের পাই নাই তো ? একটু খুলে বল কি হইছে ।।
.
১ম বন্ধুঃ আমরা ৪ইমামের তাকলিদ হারাম বলি ।কিন্তু আমরা ইজতেহাদের ক্ষেত্রে যে শায়েখ আলবানী ,শায়েখ মতিউর রহমান ,শায়েখ আব্দুল্লাহ আল কাফী ,ইমাম তাইম্যিয়া ,শায়েখ বিন বাজ ,উসাইমিন এদের তাকলিদ করি এটা মাজহাবীরা টের পেয়ে যাচ্ছে ।
.
২য় বন্ধুঃ আরে কস কি ?
মাজহাবীদের কাছে সব ফাঁস হয়ে গেছে নাকি?
.
১ম বন্ধুঃ আরে না।গতকাল এক মাজহাবীর সাথে বিতর্ক বেধেছিলো ।ওমা ,সে দেখি আমাদের শায়েখ আলবানী ,বিন বাজ ,উসাইমিন , ইবনে তাইমিয়া এদের চরম মতভেদের কথা খুলে খুলে আলোচনা করলো ।এক শায়েখ বলে হারাম আরেক জনে বলে জায়েয । আমি তাকে বলেছি ,আমরা কোনো শায়েখ বা ইমামের মত মানি না ।আমরা ডাইরেক্ট কোরআন হাদিস মানি ।এই কথা বলে কোনো রকম পালিয়ে আসার চেষ্টা করছিলাম ।
.
২য় বন্ধুঃ হাই হাই কি কস এগুলি ?পালাইতে পারলি না ? আমি হইলে তো নিজের একটা মতের উপর ফতুয়া দিয়ে পালাইতাম ।আচ্ছা তারপর কি হইছে ???
.
১ম বন্ধুঃ তারপর ঐ হানাফী আমারে বলে ,আপনি যেহেতু ইমামের মতও মানেন না ।তাহলে সহিহ ,জয়ীফ ,রহিত ,মানসুখের নির্ধারনের হ্মেত্রে ইমাম বুখারী ,ইমাম মুসলিম ,ইমাম তিরমীজি আরো ইত্যাদি মুহাদ্দিস ইমামকে তাকলিদ করে তাদের মতকে কেনো গ্রহন করেন ?
.
২য় বন্ধুঃ তুই কি উত্তর দিলি ?
(ভয়ে ভয়ে )
.
১ম বন্ধুঃ আমি ওকে দালাল ফতুয়া দিয়েছি ।আর কোনো ব্যক্তিকে তাকলিদ না করার উপদেশ দিয়ে পালিয়ে চলে এসেছি ।দোস্ত আমি এভাবে বাটে পড়বো ভাবতে পারি নাইরে দোস্ত।
.
২য় বন্ধুঃ যাক পালায় চলে এসেছিস এটা আল্লাহর রহমত ।
.
আসলে ওদের চুল পরিমান জ্ঞান নাই । বাদ দে ওদের কথা ।
.
১ম বন্ধুঃ আরে বাদ দিলে তো হবে না । সামনে যদি বিতর্ক বাধে ? আবার যদি বাটে পড়ি তখন ?
.
২য় বন্ধুঃ হুম । কথাটা মন্দ বলিস নাই । এক কাজ কর ।গোপনে আমাগো শায়েখদের কাছে ফোন করে পরামর্শ করিস ।
.
১ম বন্ধুঃ একেবারে ভেজালহীন কথা বলেছিস দোস্ত । আমি আজকেই ফোন করবো শায়েখের কাছে ।
.
২য় বন্ধুঃ শায়েখের পরামর্শটা আমারেও দিবি ।আমি যদি কখনো বাটে পড়ি কাজে লাগবে ।
.
১ম বন্ধুঃ আচ্ছা দোস্ত ।আজ আসি তাহলে ।
.
২য় বন্ধুঃ আচ্ছা ।

কেমন লাগলো জানাবেন?

Saturday, June 24, 2017

বাহাসের জন্য যাত্রাবাড়ীতে আসেনি আব্বাসী গ্রুপ উভয়পক্ষের ফেসবুক লাইভ

বাহাসের জন্য যাত্রাবাড়ীতে আসেনি আব্বাসী গ্রুপ উভয়পক্ষের ফেসবুক লাইভ

মিলাদ কিয়াম নিয়ে আলোচিত ২৫ মে’র বাহাস শেষ পর্যন্ত ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে সমাপ্তি টেনেছে। বৃহস্পতিবার দুপুরে দুই পক্ষই দুটি স্থানে আলাদা আলাদা কনফারেন্স করেছে। ফলে দুই পক্ষ এক স্থানে না হওয়ায় বিষয়টি অমিমাসংসিত রেখেই শেষ করতে হলো।

জানা যায়, বৃহস্পতিবার সকালে মিলাদ কিয়ামের প্রথম পক্ষ মাওলানা এনায়েতুল্লাহ আব্বাসীর প্রস্তাবিত স্থান যাত্রাবাড়ী মাদরাসায় জড়ো হন মাওলানা লুৎফর রহমান ফরায়েজী ও তার লোকজন। কিন্তু এনায়েতুল্লাহ আব্বাসী ও তার লোকজন এখানে না এসে রমনার ইঞ্জিনিয়ার্স ইন্সটিটিউশনের সামনে জড়ো হয়। সেখানে একটি গাছের নিচে বসে তারা ভিডিওর কনফারেন্স করেন।

সূত্র জানায়, পূর্বের চুক্তি অনুযায়ী রাজধানী যাত্রাবাড়ী মাদরাসায় বাহাস অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু গত ২৩ মে রাতের বেলা মাওলানা এনায়েতুল্লাহ আব্বাসী তার নারায়ণগঞ্জ অবস্থিত আব্বাসী মঞ্জিল থেকে ফেইসবুক লাইভে ঘোষণা দেন বাহাস হবে রাজধানী ঢাকার ইঞ্জিনিয়ার্স ইন্সটিটিউশনের। হঠাৎ করে এই ঘোষণায় উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। পরে ২৪ মে বিকাল ৩.৪০ মিনিটে পাল্টা লাইভ প্রোগ্রাম করে মাওলানা লুৎফর রহমান ফরায়েজী যাত্রাবাড়ীতেই বহস অনুষ্ঠিত হবে বলে ঘোষণা দেন এবং চুক্তি অনুযায়ী তাদের যাত্রাবাড়ী মাদরাসায় আসতে বলেন। কিন্তু সেটা না শুনেই তারা তাদের ঘোষণা একতরফাভাবে বহাল রাখে।

যাত্রাবাড়ী মাদরাসায় সরে জমিনে ঘুরে মাওলানা লুৎফর রহমান ফরায়েজী, মাওলানা শামসুদ্দোহা আশরাফী ও আবদুস সবুর সুমনসহ বিভিন্ন মাদরাসা থেকে আসা উলামায়ে কেরাম ও অসংখ্য ছাত্র-উৎসুক জনতার ভিড় লক্ষ করা গেছে। আলেমগণ ফতোয়ার বিভিন্ন কিতাব নিয়ে উপস্থিত হন বাহাসের স্থানে। কিন্তু দুপুর ১২ টা পর্যন্ত অপেক্ষা করলেও মাওলানা এনায়েতুল্লাহ আব্বাসী ও তার অনুসারীদের কেউ এখানে আসেনি।

দিকে সকাল ৯ টায় আব্বাসী মঞ্জিল নামের ফেসবুক আইডি থেকে একটি লাইভ করা হয়। সেখানে দেখা যায় এনায়েতুল্লাহ আব্বাসীসহ অনেকেই ইঞ্জিনিয়ার্স ইন্সটিটিউশনের সামনে একটি গাছের নিচে বসে আছেন। লাইভে মাওলানা মঞ্জুরুল ইসলাম বলেন, আমরা কথা অনুযায়ী বাহাসের জন্য ইঞ্জিনিয়ার্স ইন্সটিটিউশনে এসেছি। আশা করছি প্রতিপক্ষও এখানে আসবে এবং আমরা বিজয় অর্জন করবো।

তবে ওই ভিডিওর কমেন্টে অনেক মন্তব্যকারী যাত্রাবড়ীতে না গিয়ে এখানে কেন জিজ্ঞেস করলেও তারা কোনো উত্তর দেননি।

পরে ১০ টার দিকে মাওলানা এনায়েতুল্লাহ আব্বাসী নিজেদের বিজয়ী ঘোষণা করে সেখান থেকে চলে যান।

এদিকে সকাল ৯.৫৭ মিনিটে ফেইসবুক লাইভে মাওলানা লুৎফর রহমান ফরায়েজী ও মাওলানা শামসুদ্দোহা আশরাফী বলেন, আপনারা বলছেন যাত্রাবাড়ী শায়েখ বাহাসের জন্য অনুমতি দেননি তাহলে আমরা যাত্রাবাড়ী মাদরাসায় এলাম কি করে? আমাদের উপস্থিতিই বড় প্রমাণ তিনি অনুমতি দিয়েছেন।

Friday, June 2, 2017

এনায়েতুল্লাহ আব্বাসী বাহাসের নির্ধারিত স্থানে না আসায় চুক্তিনামা অনুযায়ী পরাজিত হয়েছেন

এনায়েতুল্লাহ আব্বাসী বাহাসের নির্ধারিত স্থানে না আসায় চুক্তিনামা অনুযায়ী পরাজিত হয়েছেন

আজ দুপুর ২টায় ঢাকার রিপোটার্স ইউনিটির মিলনায়তনে সংবাদ সম্মেলন করেছেন আহলে হক্ব ওলামায়ে কেরামের মুখপত্র শাইখুল হাদীস ও প্রধান মুফতী, মারকাযুশ শায়েখ জাকারিয়া ঢাকার আল্লামা মুফতি মিযানুর রহমান সাঈদ ও মিরপুর আকবর কমপ্লেক্স মিরপুর ঢাকার মহাপরিচালক মুফতি দেলাওয়ার হোসেন।

সম্প্রতি এনায়েতউল্লাহ আব্বাসীর সাথে আহলে হক্ব ওলামায়ে কেরাম ঘোষিত বহসে আব্বাসী সাহেবের প্রতারণা ও নির্ধারিত স্থানে না এসে জাতির কাছে মিথ্যাচারের প্রতিবাদে তারা এই সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করেন।

সংবাদ সম্মেলনে মুফতি মিযানুর রহমান সাঈদ বলেন, আব্বাসী নামের এক ব্যক্তি যিনি জৌনপুরী পীর হওয়ার দাবি করেন- তিনি এদেশের আনাচে কানাচে এই বিতর্কিত বিষয় নিয়ে বাংলাদেশের ধর্মপ্রাণ মুসলিম সমাজের মাঝে মারাত্মক বিভ্রান্তি সৃষ্টি করে আসছে। যার প্রমাণ তার ফেইসবুকের বহু বক্তব্য ও বয়ান দেশের শীর্ষ আলেম ওলামাদের অকথ্য ভাষায় গালমন্দ করা, কথায় কথায় মানুষকে কাফির ফতোয়া দেয়াসহ বহু উদ্ভট বক্তবের মাধ্যমে দেশের শান্তি শৃঙ্খলা বিগ্নিত করে জাতিকে অস্থির করে রেখেছেন।

তিনি আরো বলেন, এই আব্বাসী গংরা বিগত ২ মাস আগে ওলামায়ে হক্কানীর এক প্রতিনিধিকে প্রচলিত মিলাদ কিয়াম বিষয়ের উপরে বহস করার চেলেঞ্জ করেন। তখন উলামায়ে হক্বের পক্ষ থেকে তা গ্রহণ করে এই ফেৎনা নিরসন করার লক্ষে এগিয়ে আসা হয়।

আজ ২৫ মে বৃহস্পতিবার সকাল দশটায় ১ম পক্ষ বাহাসের আমন্ত্রনকারী এনায়েতউল্লাহ আব্বাসীর প্রস্তাবিত জায়গা যাত্রাবাড়ী মাদরাসায় বহুল আলোচিত প্রচলিত মিলাদ কিয়াম বিষয়ক বাহাস অনুষ্ঠিত হবার কথা ছিল। বাহাসের চ্যালেঞ্জগ্রহণকারী উলামায়ে হকের মুনাজিরগণ নির্দিষ্ট সময়েই যাত্রাবাড়ী মাদরাসায় পৌঁছে যান। স্যোসাল মিডিয়ায় লাইভের মাধ্যমে তা সারা বিশ্ব প্রত্যক্ষ্য করেন। কিন্তু বাহাসের চ্যালেঞ্জকারী এনায়েতুল্লাহ আব্বাসীর পক্ষ থেকে নির্ধারিত স্থানে উপস্থিত না হওয়ায় বাহাসের চুক্তিনামা অনুপাতে পরাজিত ও পলায়নকারী হিসেবে সাব্যস্ত হয়েছেন।

সংবাদ সম্মেলনে মিরপুর আকবর কমপ্লেক্স এর প্রধান মুফতি দেলাওয়ার হোসাইন বলেন, এক তরফাভাবে বাহাসের চুক্তিনামা লংঘন করে দ্বিতীয় পক্ষকে অবগত না করে আব্বাসী তার ঘোষিত বাহাস স্থল রমনার ইঞ্জিনিয়ারিং ইনষ্টিটিউশন বাংলাদেশের কনফারেন্স রুমের দ্বিতীয় তলার অনুষ্ঠিত হওয়ার ঘোষণা দিয়ে তারা তাদের একতরফা ঘোষিত স্থানে উপস্থিত না হয়ে তিনি ডাবল পরাজয় স্বীকার করে নিয়েছেন।

আরো জানা গেছে আব্বাসী ২৩ তারিখ রাত্রে অপর পক্ষের সাথে কোন আলোচনা ব্যতীত এক তরফাভাবে যে স্থান ঘোষণা করেছেন সে স্থানের অনুমতি না নিয়ে রাস্তায় তার সাঙ্গ-পাঙ্গ ও ভক্তদের নিয়ে কিছুক্ষন লাইভ বক্তব্য দিয়ে বাহাস আরম্ভের শুরুতেই পলায়ন করেছেন। তার এইসব ধোকা, মিথ্যাচার ও ডিগবাজীর নিন্দা করার ভাষা আমাদের নেই। পুরো জাতির উদ্দেশ্যে তার ভন্ডামী, মিথ্যাচার ও ফিৎনা থেকে বেচে থাকার দেশবাসীকে বেচে থাকার জন্য আহবান করছি। এবং তার এই পলায়নের বিষয়টি আপনাদের মাধ্যমে পুরো জাতিকে জানিয়ে দিচ্ছি।

সুতরাং ভবিষ্যতে এ ফিতনাবাজ কথিত জৈনপুরের পীর দাবিদার মাওলানা এনায়েতুল্লাহ আব্বাসী বাহাসের নামে চ্যালেঞ্জবাজী করলে তার ব্যাপারে সতর্ক থাকতে সকল তৌহিদী জনতাকে আহবান করা হচ্ছে। সেই সাথে ধর্মের নামে তার সকল প্রোগ্রাম বয়কট করার জন্য দেশবাসীকে আহবান জানাই।

সংবাদ সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন বাহাসের চ্যালেঞ্জ গ্রহণকারী মুফতি লুতফুর রহমান ফরায়েজী, পরিচালক, তালীমুল ইসলাম ইনষ্টিটিউট এন্ড রিসার্চ সেন্টার ঢাকা, বগুড়া জামিল মাদরাসার মুহাদ্দিস মুফতী শফী কাসেমী, বাউনিবাদ মাদরাসা মিরপুর ঢাকার মুহতামিম মুফতী সামসুদ্দোহা আশরাফী, শরিয়া কাউন্সিলের প্রধান মুফতি দেলাওয়ার হোসাইন সাকী, আলহাজ আবদুর রহমান প্রমুখ।

Wednesday, May 24, 2017

বাহাস বাহাস বাহাস কৌশলে তুমি পালাবে না প্লিজ,পালাবে কেনো ভাই?

বাহাস বাহাস বাহাস কৌশলে তুমি পালাবে না প্লিজ,পালাবে কেনো ভাই?

বাহাস বাহাস বাহাস
কৌশলে তুমি পালাবে না প্লিজ,পালাবে কেনো ভাই?

ভাব তো দেখাতে এশকে নবীর নিয়েছ লিজ!

গলাবাজি গালাগালি
চ্যালেঞ্জে মাইক ফাটাও,
যুবারা গ্রহণ করলো চ্যালেঞ্জ
এবার কেনো পালাতে চাও!

হা হা হা, কী ভেবেছিলে
বলো তো সত্য করে?
তোমার ছলচাতুরিতে
ভক্তরা আজ লজ্জায় যায় মরে!

ভেবেছিলে কেউ আসবে না,
আমাদের উদারতাকে দুর্বলতা?
উদারতায় আমরাই সেরা
তবে কাটতে পারি শত্রুরও মাথা।

অবশেষে পেয়েছ টের
সেজেছো বাইম মাছ?
এদিক ওদিক পালাতে চাও
নাই কি তোমার একটুও লাজ!

বাইতুল মোকাররম হয়ে যাত্রাবাড়ী
আর চলবে না কোন ছলচাতুরী
হুঙ্কার নয় সমাধান চাই
এসো ঐক্যের ঝাণ্ডা তুলি।

ঘরের কোণে প্রেস কনফারেন্স
দেখালে আজব খেলা
হা হা হা সুস্থ আছো কি?
এ তো দেখছি সব পাগলের মেলা!

প্রয়োজনে বসবো আব্বাসী মঞ্জিলে
রাজি আছো ওহে কিয়ামী বন্ধু?
এরপরেও করলে গড়িমসি
ভাববো-সুন্নি নও, তুমি ভণ্ড চান্দু।

শায়েখ হাসান জামীল (হাফিঃ)

Saturday, April 29, 2017

লা মাজহাবিদের বাহাসে পরাজয়-----!!

লা মাজহাবিদের বাহাসে পরাজয়-----!!

স্থান --
বরগুনা জেলার আমতলী থানা সদরের হোসাইনিয়া ফাজেল মাদরাসার হলরুম।

গতকাল রাতেই উলামায়ে দেওবন্দের পক্ষ থেকে ২৫ জন মুহাদ্দিস ও মুফতি আমতলী এসে পৌঁছেছেন। সাথে ছিল প্রায় পাঁচশত তাফসীর ও হাদীসের কিতাব।
সকাল দশটার মধ্যে আমরা বহসের স্থানে গিয়ে উপস্থিত হয়েছি। বিপক্ষের লা-মাজহাবীরাও এসে হাজির হয়েছে।
বহসের বিচারক জনাব মুফতি গোলাম মাওলা কাসেমী সাহেবও যথাসময়ে এসে পৌঁছেছেন। সময়মত সভাপতি হিসেবে সম্মানিত মেয়র মহোদয় এবং প্রধান অতিথি হিসেবে উপজেলা চেয়ারম্যান মহোদয় সভাস্থলে আসলেন।

চুক্তিনায় শর্ত ছিল আমরা থাকব ২৫ জন, আর লা-মাজহাবীরাও থাকবে ২৫ জন। কিন্তু সভাপতি ও প্রধান অতিথি ঘোষণা করলেন উভয় পক্ষ থেকে থাকবে দশ দশ বিশজন। আমরা উভয় পক্ষ মেনে নিলাম।
আমাদের পক্ষের দশজন হলেনঃ
১। মুফতি আবদুল মান্নান সাহেব,
২। মুহাদ্দিস মোস্তফা মাহমুদ সাহেব,
৩। মুফতি সালাহুদ্দীন সাহেব,
৪। মুফতি ফয়জুল্লাহ সাহেব,
৫। মুফতি মুযযাম্মিল হুসাইন সাহেব,
৬। মুফতি মীযানুর রহমান সাহেব,
৭। মুফতি মুহিব্বুল্লাহ সাহেব,
৮। মাওলানা উমর ফারুক্ব সাহেব,
৯। মাওলানা শফিউল আলম সাহেব,
১০। মুফতি হাবীবুল্লাহ সিরাজী।

বেলা এগারটার পর বহস শুরু হয়। বহসের পাঁচটি আলোচ্য বিষয়ের প্রথমটি ছিল "শরীরের ক্ষতস্থান থেকে রক্ত বের হয়ে গড়িয়ে পরলে অজু যাবে কিনা"। সভাপতির অনুমতি সাপেক্ষে প্রথমেই আমরা হানাফীদের দাবী অনুযায়ী অজু নষ্ট হওয়ার পক্ষে দলীল পেশ করি। পরে ওরাও দলীল দেয়। এক সময় সভাপতি মহোদয় এ বিষয়ে মুলতবি ঘোষণা করেন। পরবর্তী "তাকলীদে শখছী (মাজহাব মানা)" বিষয়ে প্রথমে উনারা কথা বলেন। এ বিষয়টা সমাপ্ত হবে হবে সময়ে জুহুর সালাতের আজান হয়ে যায়।
আমাদের পেশকৃত দলীলের সম্মুখে টিকতে না পেরে বিপক্ষের প্রধান ব্যক্তি তাকলীদে শখছী মেনে নেন। মেয়র, উপজেলা চেয়ারম্যান ও ভাইস চেয়ারম্যান কিছু কথা বলেন। শেষে সভাপতি পৌর মেয়র সাহেব বিচারক মহোদয়ের রায় অনুযায়ী এক ও দুই নং বিষয়ে আমাদেরকে বিজয়ী ঘোষণা করেন।
বাকী (১) নামাযে ইমামের পিছনে মুসুল্লীর সূরা ফাতিহা/ ক্বিরাত পড়া যাবে কি যাবেনা, (৩) ইল্লাল্লাহ জিকির জায়েয কিনা, (৫) মসজিদের সশব্দে জিকির করা জায়েয কিনা এই তিন বিষয়ের লিখিত দলীল সভাপতি সাহেব উভয়পক্ষকে জমা দিতে বলেন। আমরা হানাফীগণ প্রত্যেক বিষয়ে প্রায় ষাট-সত্তরটি করে দলীল-আদেল্লা তখনই বিচারকের নিকট জমা দিয়ে দিই। উনাদের কাছে লিখিত দলীল-পত্র না থাকায় সাতদিন সময় চেয়ে নেয়। সাতদিন পরে বা আরো পরে পাব চুরান্ত বিজয়।
আমরা সংঘটিত দুই বিষয়ে বিজয়ী হওয়ায় ছোট একটি মিছিল বের করি।
অনুষ্ঠানটি অডিও-ভিডিও করা হয়েছে। সময় সুযোগ করে ইন্টারনেটে আপলোড করব ইনশা আল্লাহ।
যারা দুয়া করেছেন, সহযোগীতা করেছেন, সহমর্ম প্রদর্শন করেছে তাদের সবাইকে জানাই বে-হিসাব মুবারকবাদ।

Mufti Habibullah Siraji ওয়াল থেকে Hafiz Khasru👌